আফগানে বালিকাদের স্কুলে যাওয়ার ছবি ভাইরাল, নারীসহ সব চাকরিজীবীকে কর্মস্থলে ফেরার আহ্বান তালেবানের

1
2019
বালিকাদের স্কুল যাওয়ার ছবি ভাইরাল, নারীসহ সব চাকরিজীবীকে কর্মস্থলে ফেরার আহ্বান তালেবানের

কাবুল এখন শান্ত। আর এই পরিস্থিতিতে সরকার গঠনের জন্য আলোচনা চালাচ্ছে তালেবান। আফগানিস্তানের ক্ষমতায় বসতে চলেছে তালেবান। ইতিমধ্যে তারা নিয়ন্ত্রনে নিয়েছেন রাজধানী কাবুল। দেশটির প্রেসিডেন্ট প্রাসাদও তাদের নিয়ন্ত্রণে। রোববার তালেবানরা কাবুলে প্রবেশের পর থেকেই দেশ ছাড়তে শুরু করে বিদেশিরা। সোমবার দেশটির বিমানবন্দরে দালাল আফগানদের দেশ ছাড়ার হিড়িক পড়ে যায়।

অন্যদিকে কয়েকজন আফগান বালিকার ‘স্কুলে যাওয়ার’ ছবি ভাইরাল হয়েছে সামাজিক যোগযোগ মাধ্যমে।

ছবিতে দেখা যায়, সাত বালিকা স্কুলের ইউনিফর্ম ও স্কার্ফ পরে নির্জন সড়ক ধরে হেঁটে যাচ্ছে। ছবিটি সোমবার টুইটারে পোস্ট করা হয়। পরে তা ফেইসবুকেও ছড়িয়ে পড়ে।

এর আগে রবিবার আফগানিস্তানে ক্ষমতায় আসার পর নারী অধিকারের প্রতি সম্মান জানানো হবে বলে জানিয়েছে তালেবান।

তালেবান এক মুখপাত্র সংবাদমাধ্যমকে বিবৃতিতে জানান, যোদ্ধারা নারীর অধিকারের প্রতি সম্মান জানাবে।

রবিবার কাবুল দখলের পর ওই মুখপাত্র বলেন, নারীরা ঘরের বাইরে যেতে পারবে এবং কাজ ও শিক্ষা কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবে।

ফলে দেখা গেছে, কাঁধে ব্যাগপ্যাক ঝুলিয়ে মেয়েরা খুশি খুশি স্কুলে যাচ্ছে। তালিবানরা নিশ্চিত করেছে তারা অবশ্যই মেয়েদের স্কুলে যাওয়ার ব্যাপারে বিশেষ গুরুত্ব দেবে। তবে ছেলে মেয়েদের স্কুলগুলো সেপারেট হবে।
যারা তালিবানরা ক্ষমতায় এলে মেয়েদের পড়াশোনা গেলো গেলো করে কান্নায় মাটিতে গড়াগড়ি করতেন তাদের জ্ঞাতার্থে জানিয়ে রাখছি এদের মেয়েরা ঠিকই স্কুলে যাচ্ছে; কিন্তু আমাদের দেশের ছেলে-মেয়েরা গত ৫১৮ দিন ধরে স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় কোথাও যাচ্ছে না।
আমাদের পড়াশোনাটাই বন্ধ হয়ে গেছে। ওদেরটা হয়নি। শিক্ষা বন্ধ থাকায় সন্তানেরা বিভিন্ন বাজে নেশায় আসক্ত হয়ে যাচ্ছে। একেই বলে নিজের পাছায় কাপড় নাই, আবার ঘোমটা দেয় বড় করে।

এদিকে আফগানিস্তানের সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরকে তাদের কর্মস্থলে ফিরে আসার আহ্বান জানিয়েছে তালেবান। কাতারের দোহায় তালেবানের রাজনৈতিক দফতরের উপ প্রধান আব্দুসসালাম হানাফি সোমবার বলেছেন, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিদেশী কূটনীতিক ও সেনাবাহিনীর সদস্যসহ সরকারি কাজে নিয়োজিত সব চাকরিজীবী কোনো ধরনের শঙ্কা ছাড়াই নিজ নিজ কর্মস্থলে ফিরে যান।

 

১টি মন্তব্য

  1. আস সালামু আলাইকুম । ভাই , তালিবানের আয়ের উৎস কী ? এ নিয়ে অনেকেই উলটা পালটা লিখে ফেসবুক ভরে দিচ্ছে । অনেকেই (বিশেষ করে বঙ্গীয় সুশীলরা ) লিখতেছে তালিবানরা নাকি ‘আফিম’ চাষ করে আয় করে ।

    যদি এ নিয়ে একটা লেখা রেফারেন্স সহ লিখতেন তাহলে ভাল হত । কপি করে ছড়িয়ে দিতাম ।

মন্তব্য করুন

দয়া করে আপনার মন্তব্য করুন!
দয়া করে এখানে আপনার নাম লিখুন