দখলদার ফ্রান্সের পরে এবার জার্মানিও মালি থেকে সৈন্য প্রত্যাহারের পরিকল্পনা করছে

ত্বহা আলী আদনান

1
1079
দখলদার ফ্রান্সের পরে এবার জার্মানিও মালি থেকে সৈন্য প্রত্যাহারের পরিকল্পনা করছে

আল-কায়েদা সংশ্লিষ্ট ইসলামিক প্রতিরোধ যোদ্ধাদের ধারাবাহিক হামলার মুখে মালি থেকে সেনা প্রত্যাহার করতে শুরু করেছে ক্রুসেডার ফ্রান্স। ইতিমধ্যেই দখলদার এই দেশটি মালির উত্তরাঞ্চলিয় ৩টি রাজ্য থেকে নিজেদের সৈন্যদের সরিয়ে নিতে বাধ্য হয়েছে।তাদের ধারাবাহিকতায় ক্রুসেডার জার্মানিও মালি থেকে নিজেদের দখলদার সৈন্যদের সরিয়ে নেওয়ার কথা ভাবছে।

এবিষয়ে জার্মান প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ‘ক্রিস্টিন ল্যামব্রেখট’ গত ১৯ ডিসেম্বর বিল্ড অ্যাম সোনট্যাগকে বলেছিল, “জার্মান সরকারের কাছে তাদের সৈন্যদের নিরাপত্তা প্রথম অগ্রাধিকার।”
অর্থাৎ মালিতে ক্রুসেডার ফরাসিদের মত এই দেশটির সৈন্যরাও মুজাহিদদের হামলা থেকে এখন আর নিরাপদ নয়। কেননা সেখানে প্রতিনিয়ত দখলদার ও গাদ্দার সৈন্যরা ইসলামিক প্রতিরোধ যোদ্ধাদের হামলার শিকার হচ্ছে। যার ফলে প্রতিবছরই প্রাণ হারাচ্ছে অসংখ্য দখলদার ও স্বদেশীয় গাদ্দার সৈন্য।

ক্রিস্টিন ল্যামব্রেখট আরও যোগ করেছে, “এখন আমাদের পরীক্ষা করা দরকার যে, মালিয়ান সৈন্যদের অন্য কোন উপায়ে আরও ভালো প্রশিক্ষণ দেওয়া সম্ভব কি না। সেই সাথে আমাদের সৈন্যদের নিরাপত্তার জন্য তাদেরকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার বিষয়টিও গুরুত্বের সাথে দেখা উচিৎ।

সে আরও উল্লেখ করেছে, “আমি সমস্ত বিদেশী সামরিক মিশন অবস্থানগুলো পর্যালোচনা করতে চাই, বিশেষ করে যেখানে জার্মানি সৈন্যরা উপস্থিত রয়েছে।”

উল্লেখ্য যে, ক্রুসেডার ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং কুফ্ফার জাতিসংঘের সামরিক মিশনের অংশ হিসেবে মালিতে জার্মানির প্রায় ১৫০০ সৈন্য রয়েছে। ২০১৩ সালে পশ্চিমা কুফ্ফার শক্তিগুলি মালিতে মুজাহিদদের বিজয় অভিযান রুখতে এই যুদ্ধে জড়িত হয়, আর তখন তাদের অংশীদার হয়ে সেনা পাঠায় জার্মানি।

তবে বর্তমানে, আল-কায়েদা সংশ্লিষ্ট ইসলামিক প্রতিরোধ বাহিনী জামাআত নুসরাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলিমিনের বীর যোদ্ধাদের ধারাবাহিক হামলার মুখে এখন পরাজয়ের ধারপ্রান্তে এসে পৌঁছাছে কুফ্ফার জোটগুলো। ফলে ক্রুসেডার দেশগুলোর নিজ সৈন্যদের জীবন বাঁচাতে পরাজয়ের গ্লাণি মাথায় নিয়েই এখন মালি ছাড়তে বাধ্য হচ্ছে।

১টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

দয়া করে আপনার মন্তব্য করুন!
দয়া করে এখানে আপনার নাম লিখুন