
বিশ্ব কুফুরি শক্তির উদ্ধত মাথাকে নত করে গত ১৬ মাস আগে কাবুলের বুকে কালিমা খচিত তাওহিদের পতাকা উড্ডীন করেন দুই দশকের লড়াকু জানবায তালিবান মুজাহিদিন। দ্বিতীয়বারের মতো আবারও প্রতিষ্ঠিত হয় ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানিস্তান।
কিন্তু ইমারাতে ইসলামিয়ার এই বিজয়ে বেজায় নাখোশ কুফফার বিশ্ব ও তাদের পদলেহনকারীরা। ফলে তারা ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে নানা রকম ফন্দি আঁটতে থাকে এবং দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করে। এসবের মধ্যে অন্যতম একটি এই যে, “তালিবান ক্ষমতায় আসার পরের মাসগুলোতে লক্ষ লক্ষ মানুষ খাবারের অভাবে অনাহারে মারা যাবে”। তাদের সবার এই মন্তব্য জনগণের প্রতি দুশ্চিন্তা থেকে আসেনি, বরং জনগণকে ইমারাতে ইসলামিয়া সরকার থেকে বিমুখ করার মানসিকতা থেকে এসেছে।
কিন্তু, ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানিস্তান সরকার জনকল্যাণমুখী উন্নয়ন-ই আজ পশ্চিমাদের এসব মিথ্যা আর বানোয়াট তথ্য সবার সামনেই স্পষ্ট করে দিয়েছে। ফলে পদলেহনকারীদের মুখোশ আজ জনগণের সামনে খসে পড়েছে। আলহামদুলিল্লাহ্, মুজাহিদরা ক্ষমতায় আসার পর পশ্চিমাদের পদলেহনকারী মিডিয়া ও কথিত বুদ্ধিজীবীদের গালে একেরপর এক চপেটাঘাত দিয়েই যাচ্ছেন।
মুজাহিদদের জনকল্যাণমুখী কর্মকাণ্ডের মধ্যে অন্যতম ও গুরুত্বপূর্ণ একটি কাজ ছিলো, দরিদ্রদের মাঝে পর্যাপ্ত খাদ্য ও বস্ত্র বিতরণ এবং বাসস্থান নির্মাণ। ইমারাতে ইসলামিয়ার মুজাহিদদের জনকল্যাণমুখী এসব কার্যক্রম এখনো চলমান রয়েছে। সেই লক্ষ্যে, মুজাহিদগণ গত শনিবার লোগার প্রদেশের ৪টি গ্রামের বন্যা কবলিত ১০০০ পরিবারে খাদ্য সামগ্রী ও শীতবস্ত্র বিতরণ করছেন।
এসব খাদ্য সামগ্রী ও শীতবস্ত্রের মধ্যে রয়েছে প্রতিটি পরিবারের জন্য ৫০ কেজি আটা, ২৪.৬ কেজি চাল, ১০ লিটার তেল, ৭ কেজি মটরশুঁটি, ৭ কেজি মটর, ৭ কেজি ডাল, ৫ কেজি চিনি, ২ কেজি লবণ, ১ কেজি সবুজ চা এবং প্রতিটি পরিবারের জন্য ২টি করে কম্বল।



Alhamdulillah