সেক্যুলার রাষ্ট্রের বাস্তবতা, এই সেই ধোলাইপাড় চত্বর

2
894
সেক্যুলার রাষ্ট্রের বাস্তবতা, এই সেই ধোলাইপাড় চত্বর

ছিহ, মানবতার কী নির্মম পরাজয়! ১৩ ডিসেম্বর ২০২০। বাদ ফজর সকাল ছয়টা ১৫ মিনিটের চিত্র।

এই সেই ধোলাইপাড় চত্বর, যেখানে শত কোটি টাকা ব্যয় করে মূর্তি নির্মাণের তোড়জোড় চলছে। তারই পাশে কনকনে শীতে রাস্তায় কোনোমতে জীর্ণ কম্বল মুড়ি দিয়ে ঘুমিয়ে আছে স্বাধীন বাংলার এক পথনারী।

মানবতা পায়ে পিষে, ধর্মীয় বিশ্বাসের ওপর স্টিমরোলার চাপিয়ে দিয়ে, পূর্ব থেকে প্রতিষ্ঠিত মসজিদের নাকের ডগায় এভাবে পৌত্তলিকতার চর্চা জাতির ইতিহাসে ক্ষমাহীন অপরাধ হয়ে থাকবে।

যে দেশে আজও অসংখ্য মানুষ অনাহারে-অর্ধাহারে বস্ত্রহীন রাত কাটায় রাস্তার পাশে। তাদের ঘর নেই । বাড়ি নেই । পেটে ভাত নেই। পরনে কাপড় নেই । তারাও দেশের নাগরিক।

যে দেশে খাবারের জন্য ডাস্টবিনে কুকুরের সঙ্গে মানুষ লড়াই করে সে দেশে মূর্তি নির্মাণের পেছনে শত শত কোটি টাকা খরচ করা কতটুকু যুক্তিযুক্ত?

দেশের কিছু রাজনৈতিক সেক্যুলাররা ধনীদের উপর আল্লাহ তায়ালার ফরজ বিধান  হজ্জ্বের কিংবা কুরবানির সময় বুলি আওড়াতে থাকে, এগুলো না করে অসহায়দের পিছনে ব্যয় করা দরকার। তারাই আবার মূর্তি নির্মাণের পেছনে অযথা থরচকে সাংস্কৃতিক চর্চা বলে চালিয়ে দিচ্ছে।

কথাগুলো আল্লাহর দেওয়া বিবেক দিয়ে ভাবুন। যা মন চায় বলে যান, আপনাদের হাতে মাউথপিস। যা ইচ্ছে করে যান, আপনাদের হাতে যষ্টি।

কিন্তু মনে রাখবেন, সব কিছু লেখা হচ্ছে দোর্দণ্ড ক্ষমতাধর, নিঃসীম শক্তিশালী আল্লাহর অমোচনীয় রেজিস্ট্রারে।

( ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)

2 মন্তব্যসমূহ

  1. এরা এরশাদের পরিনতি দেখে শিক্ষা নেয় নি।

    ক্ষমতা কিন্তু চিরস্থায়ী নয়!। সময় আমাদেরও আসবে অইযে আফগানিস্তানএর ভূমিতে যেমন এসেছে সোমালিয়ার ভূমিতে যেমন এসেছে।

মন্তব্য করুন

দয়া করে আপনার মন্তব্য করুন!
দয়া করে এখানে আপনার নাম লিখুন