ফিলিস্তিনের জিহাদ || আপডেট – ১৬ জানুয়ারি, ২০২৪

- ফিলিস্তিনের জিহাদ

0
311
সুবিধামত ফন্ট ছোট বড় করুনঃ

খান ইউনিসে সন্ত্রাসী ইসরায়েলের হামলায় অন্তত ১৩ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।

দখলদার ইসরায়েলের বোমা হামলার পর নাসের হাসপাতালের আশপাশ থেকে চলে যেতে বাধ্য হয়েছেন উদ্বাস্তু ফিলিস্তিনিরা।

ইসরায়েল গাজার খাদ্য ব্যবস্থাপনা ধ্বংস করছে এবং খাদ্যকে ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে বলে মন্তব্য করেছে জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা।

পাকিস্তানের সিসতান-বেলুচিস্তানে ড্রোন ও মিসাইল হামলা চালিয়ে ২ শিশুকে হত্যা করেছে ইরান। এছাড়াও, ইরাক ও সিরিয়াতেও হামলা চালিয়েছে ইরান।

গাজায় সাহায্য ও ওষুধ পাঠানোর বিনিময়ে ইসরায়েলি বন্দীদেরকে ওষুধ সরবরাহ করার বিষয়ে ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে মধ্যস্থতা করছে কাতার।

হামাস নেতা ইয়াহইয়া সিনওয়ারকে ‘সন্ত্রাসী’ হিসেবে কালোতালিকাভুক্ত করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন।

গাজা থেকে ফেরত নিয়ে আসা এক ‘এলিট বাহিনী’-কে পশ্চিম তীরে নিযুক্ত করেছে দখলদার ইসরায়েল।

দখলদার ইসরায়েল বলেছিল, উত্তর গাজায় তারা হামাসকে নির্মূল করেছে। কিন্তু তাদের এই স্বপ্নের দাবিকে উড়িয়ে দিয়ে উত্তর গাজায় দখলদার বাহিনীর উপর তীব্র হামলা চালিয়েছেন আল-কাসসাম ব্রিগেডের মুজাহিদগণ। উত্তর গাজায় প্রতিরোধ যোদ্ধাদের হামলায় সন্ত্রাসী ইসরায়েলি বাহিনীর দুই অফিসার নিহত হয়েছে এবং আরও এক জায়োনিস্ট সৈন্য আহত হয়েছে বলে স্বীকার করেছে ইসরায়েল নিজেই। এমনকি উত্তর গাজা থেকেই সেদরতে দখলদার বাহিনীর উপর রকেট হামলা চালিয়েছেন মুজাহিদগণ। এছাড়া, উত্তর গাজায় একটি জায়োনিস্ট গোয়েন্দা ড্রোন জব্দ করেছেন আল-কাসসাম ব্রিগেড।

দখলদার ইসরায়েলের হামলায় গাজায় এখন পর্যন্ত নিহত হয়েছেন ২৪,২৮৫ জন ফিলিস্তিনি।

মন্তব্য করুন

দয়া করে আপনার মন্তব্য করুন!
দয়া করে এখানে আপনার নাম লিখুন

পূর্ববর্তী নিবন্ধসংগ্রাম ফিলিস্তিনবাসীর পরিস্থিতি পরিবর্তন করে দেবে
পরবর্তী নিবন্ধভিডিও || জায়োনিস্ট ইসরায়েল তাদের ৩৬তম ডিভিশন সৈন্য গাজা থেকে প্রত্যাহার করেছে