
ফিলিস্তিনের গাজায় দখলদার ইসরাইলি বাহিনী চলমান আগ্রসানে প্রতি ৪৫ মিনিটে একটি শিশুর শিশুকে হত্যা করছে। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে দখলদার ইসরায়েল কমপক্ষে ১৭ হাজার ৪০০ শিশুকে হত্যা করেছে। এর মধ্যে ১৫ হাজার ৬০০ শিশুকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও অনেকে চাপা পড়ে আছে, যাদের বেশিরভাগকেই মৃত বলে ধারণা করা হচ্ছে।
গাজার মোট জনসংখ্যার প্রায় ২৩ লাখই শিশু। গত ১৭ মাস ধরে ইসরায়েলি হামলার কারণে তাদের ঘর-বাড়ি ধ্বংস হয়ে গেছে, তাদের স্কুল ধ্বংস করা হয়েছে এবং স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রগুলোও ধ্বংস হয়ে গেছে।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইসরায়েলি হামলায় এখন পর্যন্ত মোট নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৫০ হাজার ১৮৩ জনে দাঁড়িয়েছে। আহত হয়েছেন এক লাখ ১৩ হাজার ৮২৮ জন। এর মধ্যে অধিকাংশই নারী এবং শিশু।
যদিও গাজার সরকারি মিডিয়ার মতে, মোট নিহতের সংখ্যা ৬১ হাজার ৭০০ ছাড়িয়ে গেছে। কারণ যারা ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েছেন তারা আর বেঁচে নেই বলে ধরে নেওয়া হয়েছে।
এদিকে জাতিসংঘের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গাজা থেকে তাদের এক-তৃতীয়াংশ কর্মীকে সরিয়ে আনা হবে। কোনোভাবেই তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যাচ্ছে না। ফলে কর্মীদের তারা গাজায় রাখতে চাইছে না।
গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর বিমান হামলা চলছেই। এদিকে বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) ভোরের হামলায় হামাস মুখপাত্র আবদেল-লতিফ আল-কানৌয়া এবং আরও আট ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।
জাতিসংঘ জানিয়েছে, গাজায় ইসরায়েলের নতুন আক্রমণের ফলে গত সপ্তাহেই ১ লাখ ৪২ হাজারের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।
তথ্যসূত্র:
1. Gaza’s stolen childhood
– https://tinyurl.com/3j95ajdm