ইমারাতে ইসলামিয়ার আবদুল্লাহ বিন মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু যৌথ সামরিক প্রশিক্ষণকেন্দ্র থেকে গ্রাজুয়েশন সম্পন্ন করলেন আরও ১১০০ তরুণ

0
9

আফগানিস্তানের প্রতিরক্ষা বাহিনীকে আরও দক্ষ, প্রশিক্ষিত ও শক্তিশালী করার ধারাবাহিক উদ্যোগের অংশ হিসেবে চার মাসের সামরিক প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেছেন ১ হাজার ১০০ তরুণ মুজাহিদ। দেশটির বিভিন্ন সীমান্তবর্তী প্রদেশ থেকে ইমারাতে ইসলামিয়ার ইসলামী সেনাবাহিনীতে সদ্য যোগ দেওয়া এসব তরুণ পেশাগত, তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রাজুয়েশন হয়েছেন। প্রশিক্ষণ শেষে তাঁরা দেশের বিভিন্ন সীমান্ত অঞ্চলে দায়িত্ব পালনের প্রস্তুতি ও অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

৮ নভেম্বর, রবিবার আবদুল্লাহ বিন মাসউদ (রা.) যৌথ সামরিক প্রশিক্ষণ কমান্ডে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তাঁদের প্রশিক্ষণ সমাপনী অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ কারি মুহাম্মদ ফাসিহুদ্দিন ফিতরাত হাফিযাহুল্লাহ, কাবুলের গভর্নর হাজি আমিনুল্লাহ উবাইদ হাফিযাহুল্লাহ, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রশিক্ষণ ও জনবলবিষয়ক উপমন্ত্রকের উপপ্রধান মৌলভী বাজ মুহাম্মদ হামিদি হাফিযাহুল্লাহসহ মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন বিভাগের প্রধান ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কারি মুহাম্মদ ফাসিহুদ্দিন ফিতরাত হাফিযাহুল্লাহ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সদস্যদের উদ্দেশে বলেন, শত্রুদের মোকাবিলায় সর্বদা প্রস্তুত থাকতে হবে এবং নিজেদের সক্ষমতা তুলে ধরতে হবে। যেকোনো ধরনের আগ্রাসন থেকে দেশকে সুরক্ষিত রাখা এবং মাতৃভূমির প্রতিরক্ষায় সামরিক বাহিনীর সব বিভাগে পূর্ণ প্রস্তুতি বজায় রাখার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি আরও বলেন, একটি আধুনিক ও প্রশিক্ষিত সেনাবাহিনী গড়ে তুলতে তাঁরা ধারাবাহিকভাবে চেষ্টা চালিয়ে এসেছেন। আলহামদুলিল্লাহ, বর্তমানে দেশ একটি স্বাধীন সেনাবাহিনীর অধিকারী হয়েছে। বিদেশে অবস্থানরত আফগান নাগরিকদের উদ্দেশে তিনি নিজ দেশে ফিরে এসে শান্তি ও মর্যাদার সঙ্গে বসবাসের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে বিদেশিদের স্বার্থে দেশের অভ্যন্তরে ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডে জড়িত না হওয়া এবং অন্যের স্বার্থের বলি না হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

এদিকে প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করা তরুণেরা সামরিক কুচকাওয়াজ ও বিভিন্ন প্রদর্শনীর মাধ্যমে নিজেদের প্রস্তুতি তুলে ধরেন। তাঁরা ইমারাতে ইসলামিয়ার সীমান্ত রক্ষা এবং বিভিন্ন সীমান্তবর্তী অঞ্চলে দায়িত্ব পালনে প্রস্তুত থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

শেষে প্রশিক্ষণ সম্পন্নকারী সদস্যদের হাতে সমাপনী সনদ তুলে দেওয়ার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে। নতুন প্রশিক্ষিত সদস্যদের অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে আফগানিস্তানের প্রতিরক্ষা বাহিনীর দক্ষতা ও সীমান্ত সুরক্ষার সক্ষমতা আরও জোরদার হবে বলে আশা করা হচ্ছে।


তথ্যসূত্র :

1. The Chief of the General Staff of the Armed Forces attended the graduation ceremony

– https://tinyurl.com/mt7uu4ph

মন্তব্য করুন

দয়া করে আপনার মন্তব্য করুন!
দয়া করে এখানে আপনার নাম লিখুন

পূর্ববর্তী নিবন্ধজীবিত ব্যক্তিকে সরকারি নথিতে মৃত দেখিয়ে নিষ্ক্রিয় আধার কার্ড, পুনরায় সক্রিয় করতে ভোগান্তিতে পশ্চিমবঙ্গের এক মুসলিম
পরবর্তী নিবন্ধজম্মু-কাশ্মীরে উদ্দেশ্য-প্রণোদিত ইউএপিএ আইনে আরও দুই কাশ্মীরিকে গ্রেপ্তার করেছে দখলদার ভারতীয় পুলিশ