
মানিকগঞ্জের সদর উপজেলায় নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার ইজিবাইকচালক রফিক মিয়ার (২৭) শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া মাথাটি তিন দিন পর উদ্ধারের তথ্য জানিয়েছে পুলিশ।
দৈনিক ইত্তেফাক জানায়, রোববার (২৯ মার্চ) সকালে সদর উপজেলার দিঘুলিয়া এলাকার কালীগঙ্গা নদীর তীরের একটি ভুট্টাক্ষেত থেকে খণ্ডিত মাথাটি উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, ইজিবাইক বিক্রির উদ্দেশ্যে পূর্বপরিকল্পিতভাবে বন্ধু রিপন মিয়া ও তার সহযোগীরা মিলে রফিককে গলা কেটে হত্যা করে মাথা নদীতে ফেলে দেয়। এই ঘটনায় ইতোমধ্যে বিভিন্ন এলাকা থেকে রিপন মিয়া (৩০), আরমান হোসেন (২০) ও সজীব হোসেনকে (২৫) গ্রেপ্তার করেছে পিবিআই।
জানা গেছে, গত ২৪ মার্চ সকালে ইজিবাইক নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন ঘিওর উপজেলার রাথুরা গ্রামের রফিক মিয়া। পরদিন ২৫ মার্চ বিকেলে সদর উপজেলার পাছবারইল এলাকায় নদীর পাড় থেকে তার মাথাবিহীন দেহ উদ্ধার করা হয়।
পিবিআইয়ের তদন্তে বেরিয়ে আসে, ঘাতকরা নিহত রফিকের বন্ধু ছিল। ঘটনার দিন সন্ধ্যায় গাঁজা সেবনের কথা বলে রফিককে নির্জন নদীর পাড়ে নিয়ে যায় অভিযুক্তরা। সেখানে হাতুড়ি দিয়ে আঘাতের পর রিপন দা দিয়ে গলা কেটে রফিকের মাথা শরীর থেকে আলাদা করে ফেলে এবং পরে পেট কেটে লাশটি গুম করার চেষ্টা চালায়।
বানিয়াজুরী তদন্ত কেন্দ্রের উপপরিদর্শক পুলক কুমার দাস মজুমদার জানায়, গত ২৯ মার্চ সকালে দিঘুলিয়া এলাকায় জনৈক কৃষক তার ভুট্টাখেতে কাজ করতে গিয়ে বিচ্ছিন্ন মাথাটি দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন। ধারণা করা হচ্ছে, নদী থেকে কোনো শেয়াল বা কুকুর মাথাটি টেনে খেতে নিয়ে আসে। বর্তমানে উদ্ধার হওয়া মাথাটি ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য মানিকগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
তথ্যসূত্র:
১। তিন দিন পর ২ কি.মি দূরে মিললো ইজিবাইকচালকের খণ্ডিত মাথা
– https://tinyurl.com/4he5kfrs


