
২০২৬ সালের প্রথম তিনমাসে অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মীরে দখলদার ভারতের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে এখন পর্যন্ত ১০ কাশ্মীরি মুসলিম শহীদ হয়েছেন।
১ এপ্রিল কাশ্মীর মিডিয়া সার্ভিসের প্রতিবেদনে জানানো হয়, নিহতদের মধ্যে ৮ জন কাশ্মীরিকে ভুয়ো এনকাউন্টার বা হেফাজতে শহীদ করা হয়েছে। এছাড়া উক্ত সময়ের মধ্যে প্রায় ৯৩৩ জন কাশ্মীরিকে গ্রেপ্তার করেছে ভারতীয় দখলদার বাহিনী। আটককৃতদের মধ্যে রয়েছে হুররিয়ত নেতা, এক্টিভিস্ট, যুবক, শিক্ষার্থী ও নারী। কাশ্মীরিদের শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ দমন ও কাঁদুনে গ্যাস শেলের ব্যবহারের ফলে কমপক্ষে ৩২ জন কাশ্মীরি আহত হয়েছেন।
দখলদার সেনারা ঘেরাও ও তল্লাশি অভিযানকালে একটি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত করেছে বলেও জানা গেছে।
অপরদিকে বিগত ৩ মাসে ৪৩ এরও অধিক কাশ্মীরি মুসলিমের বাড়িঘর, জমিসহ সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে দখলদার নয়াদিল্লি প্রশাসন। কাশ্মীর বিরোধী নীতির অংশ হিসেবে ৯ জন কাশ্মীরি মুসলিম কর্মীকে সরকারি চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, জম্মু ও কাশ্মীরে অবৈধ দখল জারি রাখা ও কাশ্মীরিদের দমন পীড়নের উদ্দেশ্যে ভারত রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসবাদকে যেন একটি সরকারী নীতি হিসেবে গ্রহণ করেছে।
ভুয়া এনকাউন্টার, হত্যা, গুম ও নির্যাতন অধিকৃত জম্মু-কাশ্মীর অঞ্চলে একটি নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে, কাশ্মীরিদের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক জীবন যেন দুর্বিষহ হয়ে পড়েছে।
দখলদার ভারত কর্তৃক গৃহীত এই সকল পদক্ষেপের অন্যতম উদ্দেশ্য হল, মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চলটিতে মুসলমানদের সংখ্যালঘুতে পরিণত করা।
তথ্যসূত্র:
1. https://tinyurl.com/45spdfmb


