
পর্দা করা ছাত্রীকে জিন্স আর টপস পরতে বলেন ঢাবির ইউল্যাব স্কুল এন্ড কলেজের বরুণ কুমার নামের এক হিন্দু শিক্ষক। ১০ মে, রবিবার উক্ত স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা স্কুল ক্যাম্পাসে সাংবাদিক সম্মেলন করে একে একে শিক্ষক বরুণ কুমারের কুকীর্তি সমূহ তুলে ধরেন।
উক্ত সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে একজন লিখিত অভিযোগপত্র পাঠ করেন। উক্ত শিক্ষার্থী অভিযোগ জানিয়ে বলেন, তার বিরুদ্ধে আমাদের যে অভিযোগগুলো আছে সেগুলো আমি বলতে চাই সবার পক্ষ থেকে।
অভিযোগ এক. উক্ত শিক্ষক আমাদের একাদশ শ্রেণীর একজন পর্দাশীল ছাত্রীকে উদ্দেশ্য করে অশোভন ও ব্যক্তিগত মন্তব্য করেন।
দুই. অনুমতি ছাড়া ছাত্রীদের ভিডিও ধারণ করা।
তিন. ছাত্রীদের প্রতিনিয়ত মৌখিক আচরণগত হয়রানী করা। শিক্ষক বরুণ কুমার সাহা প্রায় আমাদের কলেজের ছাত্রীদের সঙ্গে এমনভাবে কথা বলেন এবং এমন আচরণ করেন যা তাদের জন্য অস্বস্তিকর অপমানজনক ও মানসিক চাপের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তার বিভিন্ন মন্তব্য, ইঙ্গিতপূর্ণ কথাবার্তা, দৃষ্টিভঙ্গি ও আচরণের কারণে অনেক ছাত্রী ক্লাসে স্বাভাবিকভাবে অংশগ্রহণ করতে ভয়, সংকোচ ও অস্বস্তি অনুভব করে।
চার. ইতিপূর্বক বরুণ কুমার সাহা ছাত্রীদের শরীরে বিভিন্ন জায়গায় স্পর্শ করার মত জঘন্য অপরাধ করেও প্রভাবশালীদের- আমি আবারও বলছি- প্রভাবশালীদের ছত্রছায়া পেয়েছেন। যার ফলে তার কখনো বিচার হয়নি এবং ভুক্তভোগী ছাত্রীরা ভয় লজ্জা এবং বহিষ্কার হওয়ার ভয়ে বিগত কয়েক বছর ধরে সব অন্যায় না চাওয়া সত্ত্বেও সহ্য করে এসেছে।
পাঁচ. উক্ত শিক্ষক বিগত বহু বছর যাবত ছাত্রছাত্রীদেরকে তার ব্যক্তিগত কোচিং-এ পড়তে যেতে বাধ্য করে। কেউ তার কাছে পড়তে যেতে অনিচ্ছা প্রকাশ করলে তিনি সেই শিক্ষার্থীকে নানাভাবে হেনস্থা করেন এবং যারা তার কাছে পড়তে যায় তাদেরকে তিনি বিশেষ সুবিধা দেন, যেমন পরীক্ষার হলে নকল করতে দেওয়া, প্রশ্ন আগে থেকে দিয়ে দেওয়া ইত্যাদি ইত্যাদি।
তথ্যসূত্র
– https://tinyurl.com/yjup4a4t
– https://tinyurl.com/459j9rea


