
মালিতে রাশিয়ান সেনাদের জন্য আফগানিস্তান ও সিরিয়ার পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি হতে যাচ্ছে। দেশটির সর্বত্রই নিজেদের কবর খুঁড়তে হবে, রাশিয়ান সেনাদের এমন সতর্কবার্তাই দিলো আল-কায়েদা পশ্চিম আফ্রিকা শাখা জামা’আত নুসরাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলিমিন (জেএনআইএম)।
পশ্চিম আফ্রিকা ভিত্তিক সশস্ত্র ইসলামি প্রতিরোধ বাহিনী ‘জেএনআইএম’ রাশিয়ার আফ্রিকান কর্পসের বিষয়ে একটি স্পষ্ট সতর্কবার্তা জারি করেছে। দলটির খালিদ বিন ওয়ালিদ প্রশিক্ষণ শিবির থেকে ধারণকৃত ভিডিও ফুটেজে একজন ‘জেএনআইএম’ মুজাহিদকে বলতে শুনা যায়, “আমাদের ভূমিতে রাশিয়া থেকে পাঠানো ভাড়াটে সৈন্যদের জন্য আমাদের একটি সুস্পষ্ট সতর্কবার্তা রয়েছে।
আমরা নিশ্চিত করেছি যে, এই ভূমিতে আমরা তোমাদের এমন নৃশংসভাবে হত্যা করব, যা তোমরা কোনোদিন ভুলতে পারবে না। আফগানিস্তান ও সিরিয়ায় তোমরা যা দেখেছ এবং যার সম্মুখীন হয়েছ, এটি তার চেয়েও ভয়াবহ এবং আরও নৃশংস হবে।
তোমরা এই ভূমি থেকে চরমভাবে অপমানিত ও লাঞ্ছিত হয়ে বিদায় নিবে। যেভাবে ইতিপূর্বে অন্যরা (ফ্রান্স ও পশ্চিমারা) এই ভূমি ত্যাগ করেছে। সুতরাং এই ভূমি হবে তোমাদের জন্য কবরস্থান; তোমরা এই ভূমির যেখানেই যাবে, সেখানেই নিজেদের কবর নিজেরাই খুঁড়বে।
জেনে রাখো! আমরা আল্লাহ ছাড়া আর কারো দাসত্ব করি না। তাই তোমরা যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হও। আর জ্ঞানীর জন্য এতে রয়েছে একটি উপদেশ। বুঝতে পারলে ভালো, না বুঝলে এটি দুঃখের বিষয়।”
🚨 Une message claire du JNIM pour les mercenaires russes d’africa Corps
“Nous avons un message particulier au mercenaires envoyés par la Russie sur notre terre. Nous allons vous massacrer de s de telle sorte que vous ne l’oublierez au grand jamais.
Pure que celle que vous… pic.twitter.com/hrLC2lQy2j— Sahel Alerte (@SahelAlerte) May 9, 2026
উল্লেখ্য যে, আল-কায়েদা পশ্চিম আফ্রিকা শাখা জামা’আত নুসরাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলিমিন (জেএনআইএম) এবং তুয়ারেগ বিদ্রোহী গোষ্ঠী আজওয়াদ লিবারেশন ফ্রন্ট (এফএলএ), গত ২৫ এপ্রিল ভোর থেকে মালিতে একটি বিস্তৃত সমন্বিত সামরিক অপারেশন শুরু করেন। এসময় তাঁরা মালিতে অবস্থিত রাশিয়ান সেনাদের (আফ্রিকান কর্পস) নিরপেক্ষ থাকার আহ্বান জানান, যাতে ভবিষ্যতে রাশিয়ার সাথে একটি ভালো সম্পর্ক তৈরি করা যায়। এমন বিবৃতির পর, রাশিয়া সাময়িক সময়ের জন্য যুদ্ধ এড়িয়ে যায়, চুক্তির মাধ্যমে বিভিন্ন শহর এবং এলাকা থেকে পিছু হটে। কিন্তু কিছুদিনের মধ্যেই রাশিয়া তাদের পূর্বাবস্থায় ফিরে যায় এবং মালির জান্তাকে সহায়তা করার সিদ্ধান্ত নেয়।


