
নয়নাভিরাম প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও ঐতিহাসিক দর্শনীয় স্থানে সমৃদ্ধ দেশ আফগানিস্তান। ইমারাতে ইসলামিয়া সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। ফলে দর্শনীয় স্থানসমূহে দেশি-বিদেশি পর্যটকের সংখ্যা ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে। ইমারাতে ইসলামিয়ার তথ্য ও সংস্কৃত বিভাগের সরবরাহকৃত বার্তায় এসংক্রান্ত তথ্য উঠে এসেছে। বলা বাহুল্য যে, পর্যটন শিল্পের সুষ্ঠু বিকাশ একটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানিস্তানের পাঞ্জশির প্রদেশে নিরাপদ পরিবেশ ও অনুকূল আবহাওয়ার কারণে দেশি ও বিদেশি পর্যটকের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। পর্যটন সম্ভাবনাময় এ উপত্যকায় গত চার সপ্তাহে ৯০ হাজারের বেশি পর্যটক ভ্রমণ করেছেন।
৯ মে, শনিবার পাঞ্জশির গভর্নরের কার্যালয় জানিয়েছে, পর্যটকদের জন্য সম্পূর্ণ নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় সুবিধা নিশ্চিত করেছে প্রশাসন। পাঞ্জশিরের গভর্নর হাফিজ মোহাম্মদ আগা হাকিম বলেছেন, “পর্যটকরা এখানকার প্রাচীন ঐতিহাসিক নিদর্শন, পাহাড়ি ঝরনা ও সবুজ প্রকৃতি উপভোগ করছেন। স্বচ্ছ পানি ও মনোরম আবহাওয়া দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করেছে।” তিনি আরও জানান, পর্যটন শিল্পের প্রসারে হোটেল, রেস্তোরাঁ ও যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন করা হচ্ছে এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের পর্যটন সেবায় যুক্ত করা হয়েছে।
ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানিস্তান সম্প্রতি পর্যটন খাতের উন্নয়নে নানা উদ্যোগ গ্রহণ করছে। সম্প্রতি হেরাতের পশতুন দুর্গ, বামিয়ানের বুদ্ধমূর্তিস্থল, কান্দাহারের আঙুর বাগান, নানগারহারের টলিওয়ালা পিকনিক স্পটে পর্যটকদের ব্যাপক সমাগম ঘটেছে। পাঞ্জশিরের পান্না খনি ও পাহাড়ি কেল্লাগুলোও ভ্রমণপিপাসুদের কাছে ব্যাপক আকর্ষণ সৃষ্টি করেছে।
পর্যটন শিল্পের প্রসার অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থানের নতুন দ্বার খুলে দেবে বলে আশা করা হচ্ছে। পাঞ্জশিরের সফলতার ধারা অন্যসব প্রদেশেও ছড়িয়ে দিতে এবং পর্যটকদের নিরাপত্তায় আরও উদ্যোগ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ইমারাতে ইসলামিয়া প্রশাসন।
তথ্যসূত্র
1. According to the Panjshir Governor’s Office, more than 90,000 tourists
– https://tinyurl.com/ycundfj5


