২০০১ সালের এই দিনেই হত্যা করা হয়েছিল দালাল শিয়া কমান্ডার আহমদ শাহ মাসউদকে!

0
426
আমেরিকার দালাল শিয়া কমান্ডার আহমদ শাহ মাসউদ

২০০১ সালের আজকের এই দিনে (৯ই সেপ্টেম্বর, ২০০১), আফগানিস্তানের তৎকালীন ইসলামী ইমারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া নরদার্ন অ্যালায়েন্সের শিয়া কমান্ডার আমেরিকার গোলাম গাদ্দার আহমেদ শাহ মাসউদকে ইস্তেশহাদী আক্রমণের মাধ্যমে হত্যা করেন আল-কায়েদার দু’জন আরব মুজাহিদ। আফগানিস্তানের তাখার প্রদেশের খাজা বাহাউদ্দীন শহরে আমেরিকার এ দালালকে হত্যা করা হয়।

এই আহমদ শাহ মাসউদ ছিল একজন সুবক্তা। সে পশ্চিমা মিডিয়ার কাছে নিজেকে আফগানিস্থানের শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য কাজ করতে থাকা একজন যোদ্ধা হিসেবে তুলে ধরে। পশ্চিমাদের সব অর্থের যোগান তার কাছে আসতে থাকে। আর এভাবে সে আমেরিকার থেকে অর্থ নিয়ে নিজের দলকে শক্তিশালী করার মাধ্যমে ইসলামী ইমারত আফগানিস্তানের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছিল।

তখন শায়খ উসামা বিন লাদেন রহিমাহুল্লাহ একটি সম্ভাব্য সমাধান বের করেন। তিনি আহমদ শাহ মাসউদকে হত্যা করার জন্য তাঁর পরিচিত দুই জন আরব মুজাহিদ (রহিমাহুমুল্লাহ) সাংবাদিকের ছদ্মবেশে মাসউদের সাক্ষাৎকার নিতে পাঠান। ইসলামের এই শত্রুকে শেষ করে দেওয়ার জন্য মুজাহিদগণ নিজেদের ক্যামেরার ভেতরে আর ব্যাটারির প্যাক বেল্ট এর মাঝে বিস্ফোরক লুকিয়ে নিয়ে যান। অতঃপর, এগুলোর বিস্ফোরণ ঘটিয়েই আফগানিস্তানের তৎকালীন ইসলামী ইমারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধরত আমেরিকার দালাল শিয়া কমান্ডার আহমদ শাহ মাসউদের জীবনের পরিসমাপ্তি ঘটান মুজাহিদগণ।

২০০১ সালের ৯ই সেপ্টেম্বরের সে দিনটি ছিল মুজাহিদীনের আনন্দের দিন। কেননা, মাসউদের মৃত্যুর পরে তার মত আর প্রভাবশালী নেতা না পাওয়ায় নর্দার্ন অ্যালায়েন্স ছত্রভঙ্গ হয়ে পালিয়ে যেতে শুরু করে এবং আফগানিস্তানের শাসনক্ষমতা তখন ইসলামী ইমারতের অধীনে চলে আসে। ২০০১ সালের শেষের দিকে আফগানিস্তানে তালেবানই ছিল একমাত্র শক্তিশালী দল এবং আফগানিস্তানে তারা ইসলামী শাসন কায়েম করে জনগণের মাঝে শান্তি ফিরিয়ে এনেছিলেন। তখন আফগানিস্তান ছিল অনেক বেশি স্থিতিশীল রাষ্ট্র।

মন্তব্য করুন

দয়া করে আপনার মন্তব্য করুন!
দয়া করে এখানে আপনার নাম লিখুন