বিভিন্ন মন্দিরে প্রতিমা ভাঙচুরকারী ক্ষিতিশ চন্দ্র রায়কে আটক

0
467
বিভিন্ন মন্দিরে প্রতিমা ভাঙচুরকারী ক্ষিতিশ চন্দ্র রায়কে আটক

দিনাজপুর চিরির বন্দরে বিভিন্ন মন্দিরে প্রতিমা ভাঙচুরকারী ক্ষিতিশ চন্দ্র রায়কে (৪৫) হাতেনাতে আটক করা হয়েছে।

গত শনিবার তাকে দিনাজপুর আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। আটক ক্ষিতিশ চিরিরবন্দর উপজেলার আব্দুলপুর ইউনিয়নের নান্দেড়াই গ্রামের পঞ্চায়েত পাড়ার মৃত ধীরেন্দ্র নাথ রায়ের ছেলে।
থানা সূত্রে জানা গেছে, গত বেশ কয়েক দিন ধরে উপজেলার দুটি ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি কালীমন্দিরসহ অন্যান্য মন্দিরে প্রতিমা ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। রহস্য উদঘাটনের জন্য মন্দিরে মন্দিরে পাহারা বসানো হয়। গত শুক্রবার রাত ১১টার পরে ক্ষিতিশ উপজেলার আব্দুলপুর ইউনিয়নের আন্ধারমূহা কালীমন্দির, বটতলী কালীমন্দির, সাঁইতাড়া ইউনিয়নের কালিতলা বাজারসংলগ্ন কালীমন্দিরে প্রতিমা ভাঙচুরের চেষ্টা করে। এ সময় বাধা পেয়ে সে পালিয়ে যায়, পরে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।

বাংলাদেশে প্রায়ই শোনা যায় হিন্দুদের মন্দির মুসলিমরা ভাঙছে! কিন্তু এসব অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায় না। বেশিরভাগ মন্দির এবং হিন্দুদের বাড়িঘর নিজেরাই নিজেদেরটা ভেঙ্গে মুসলিমদের উপর দোষ চাপিয়ে সংখ্যালঘু রাজনীতির ফায়দা নেয়ার অপচেষ্টা করে। কারণ বাংলাদেশে হিন্দু সংখ্যালঘু বললেই ব্যাপক সুযোগ সুবিধা! ছোট্ট টিনের ঘর ভাংলে সরকারি অনুদানে বিল্ডিং ঘর পাওয়া যায়, অচেনা-অজানা মন্দিরের দুইটা প্রতিমা ভাংগা দেখাতে পারলে পুরো মন্দিরকেই সরকার বড় করে দেয়। এসবই লোভের বশবর্তী ও মুসলিমদের দোষারোপ করার জন্যে সুবিধাবাদী হিন্দুরা এসব করে থাকে। বাস্তবেও দেখা যায় মুসলিমরা নয় হিন্দুরা নিজেরাই নিজেদের মন্দির ভেঙ্গে সরকারের থেকে সুবিধা নেয় এবং বাংলাদেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করে।
ফলে কিছুদিন পরপর ভারতের মালাউন দাদা বাবুরা বাংলাদেশে হিন্দু নির্যাতন হচ্ছে বলে চেঁচামেচি শুরু করে। যদিও তারাই ভারতে মুসলিমদের উপর নানা মাত্রিক অত্যাচার চালিয়ে যাচ্ছে। আর বাংলাদেশে হিন্দুরা সকল সুযোগ সুবিধা ভোগ করছে।

মন্তব্য করুন

দয়া করে আপনার মন্তব্য করুন!
দয়া করে এখানে আপনার নাম লিখুন