শাবাব মুজাহিদিনের হামলায় পুলিশ কমিশনার সহ হতাহত ৬৫ এর বেশি গাদ্দার

ত্বহা আলী আদনান

0
927

সম্প্রতি সোমালিয়া জুড়ে হামলার তীব্রতা বাড়িয়েছে আল-কায়েদা সংশ্লিষ্ট ইসলামি প্রতিরোধ যোদ্ধারা। এতে প্রতিদিন দেশটির গাদ্দার প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা সহ অসংখ্য সৈন্য নিহত এবং আহত হচ্ছে।

আঞ্চলিক সূত্রমতে, গত কয়েকদিনের লড়াইয়ে ইসলামি প্রতিরোধ যোদ্ধারা হিরান রাজ্যের ছুটে যাওয়া অঞ্চলগুলি পুনরুদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছেন। অঞ্চলগুলি পুনরুদ্ধারের পর, আশ-শাবাব যোদ্ধারা এখন রাজধানী অভিমুখে হামলার তীব্রতা বাড়িয়েছেন। সেখানে সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের টার্গেট করে হামলা চালানো হচ্ছে।

সূত্র মতে, গত ১ অক্টোবর দেশটির রাজধানী মোগাদিশুতে পরপর ৭টি হামলা চালিয়েছে আশ-শাবাব।

এসবের মধ্যে রয়েছে রাজধানী মোগাদিশুর বাগদাদ এলাকায় দেশটির স্পেশাল ফোর্সের উপর পরিচালিত সফল হামলা। যেখানে স্পেশাল ফোর্সের সামরিক কনভয় লক্ষ্য করে দুটি বিস্ফোরণ ঘটান মুজাহিদগণ। এতে একটি সাঁজোয়া যান ধ্বংস হয়ে যায়। এসময় তাতে থাকা ৯ সৈন্য নিহত হয়।

এদিন মুজাহিদগণ তাদের দ্বিতীয় সফল হামলাটি চালান রাজধানী মোগাদিশুর উত্তরে বালাদ শহরে। যেখানে মুজাহিদগণ সোমালি স্পেশাল পুলিশ ফোর্সের কমান্ডার-ইন-চিফ জেনারেল “ফারহান কারুলি”র কনভয়ে হামলা চালান মুজাহিদগণ। এতে উক্ত পুলিশ কমিশনার সহ সরকারের উচ্চপদস্থ আরও ৪ গাদ্দার কর্মকর্তা নিহত হয়। শহরটিতে মুজাহিদদের বীরত্বপূর্ণ এই অপারেশনে পুলিশ কমিশনারের সাথে থাকা সামরিক বাহিনীর আরও ১৩ সদস্য গুরুতর আহত হয়। এসময় কনভয়ের ২টি গাড়ি ধ্বংস এবং আরও কয়েকগুণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

একই শহরে সরকারী মিলিশিয়াদের একটি কাফেলা লক্ষ্যবস্তু করে শক্তিশালী বোমা বিস্ফোরণ ঘটান মুজাহিদগণ। যাতে গাদ্দার সামরিক বাহিনীর অন্তত ৯ সৈন্য হতাহত হয়।

এদিকে রাজধানীর দক্ষিণ-পশ্চিম আফজাউয়ী শহরেও এদিন আরও একটি দুঃসাহসি হামলা চালান হারাকাতুশ শাবাব মুজাহিদিন। যেখানে মুজাহিদদের অতর্কিত হামলায় সোমালি বিশেষ বাহিনীর ৭ সৈন্য নিহত এবং ১৬ এর বেশি সৈন্য আহত হয়।

অপরদিকে রাজধানীর যুবা এবং বে রাজ্যেও ২টি পৃথক হামলা চালান আশ-শাবাব মুজাহিদিন। উভয় স্থানে গাদ্দার মিলিশিয়াদের সমাবেশস্থল লক্ষ্যে করে অতর্কিত হামলা চালান মুজাহিদগণ। আর তাতেই ৮ এর বেশি গাদ্দার সৈন্য হতাহত হয়। সেই সাথে সামরিক বাহিনীর ২টি গাড়ি থেকে হয়ে যায়।

সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় মুজাহিদদের মোগাদিশু অবরোধ ও বিজয়কে তাই এখন সময়ের ব্যাপার বলে মনে করছেন ইসলামি বিশ্লেষকরা।

মন্তব্য করুন

দয়া করে আপনার মন্তব্য করুন!
দয়া করে এখানে আপনার নাম লিখুন