
বিগত ৪ বছরে ইসলামাবাদ ও লাহোরসহ পাকিস্তানের যেকোন শহরে ড্রোন হামলা চালানোর মতো সামরিক সক্ষমতা অর্জন করেছে ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানিস্তান।
১৬ এপ্রিল আফগানিস্তানের জাওযান প্রদেশে এক বৈঠকে এই মন্তব্য করেছেন ইমারাতে ইসলামিয়ার সীমান্ত ও উপজাতি বিষয়ক মন্ত্রী নুরুল্লাহ নুরি হাফিযাহুল্লাহ।
তিনি বলেন, গত ৪ বছরে আফগান তরুণ মুসলিমরা এমন সক্ষমতায় পৌঁছেছে যে, এখন তারা ড্রোন ব্যবহার করে ইসলামাবাদ ও লাহোরকে টার্গেট করতে পারে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ইমারাতে ইসলামিয়ার প্রশাসন অত্যন্ত শক্তিশালী। আফগান জনগণের উচিত এই শাসন ব্যবস্থার প্রতি কৃতজ্ঞ থাকা ও পূর্ণ বিশ্বাস নিয়ে সমর্থন করা।
এর আগে তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছিলেন, পাকিস্তান যদি আফগান ভূখণ্ডে হামলা অব্যাহত রাখে তবে ইমারাতে ইসলামিয়ার বাহিনী লাহোর পর্যন্ত অগ্রসর হবে।
উল্লেখ্য যে, সম্প্রতি পাকিস্তান সন্ত্রাসী সামরিক বাহিনীর আগ্রাসী হামলার প্রতিবাদে ইসলামাবাদ, বেলুচিস্তান ও খাইবার পাখতুনখোয়ায় পাক সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা পরিচালনা করেছিল ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানিস্তান।
তথ্যসূত্র:
1. https://tinyurl.com/yeyvz3r7



অনেকদিন যাবৎ খেয়াল করছি এই সংক্রান্ত নিউজে আল্লাহর উপর ভরসা বা তার সাহায্যে সক্ষমতা অর্জন এরকম কোন কথা না বলে সব নিজেদের দিকে ক্রেডিট নেওয়া হচ্ছে। যদি ফিরদাউস অনুবাদ এমন করে তাহলে সংশোধন আশা করছি আর যদি ইমারাতের মন্ত্রীরা -ই এমন বলেন তাহলে তাদের প্রতি বিষয়টা পৌছানোর ব্যাবস্থা করুন!
কারণ ইসলামের ইতিহাসে এই ভুলের কারণে পরাজয়ের অনেক উদাহরণ রয়েছে।
আমরা যেনো নিজের অজান্তেই অকৃতজ্ঞ ও জাহেল দের মতো না হই।
আপনি বুঝতে ভুল করেছেন ভাই। তারা নিজেদের দিকে ক্রেডিট নেয়ার কিছু বলছেন না বা বলেন না সাধারণত (ডিপ্লোমেটিক কিছু ছাড়া)। তাদের কথার শুরুতে হামদ থাকে প্রায় সবসময়ই। সংবাদে তো তাদের পুরো অংশ আনা হয় না, বরং তাদের যে নিউজ প্রকাশ করা প্রয়োজন সেটি আনা হয়। এক্ষেত্রে এগুলোর প্রকাশ লক্ষনীয় থাকে না। তাদের ব্যক্তি জীবন এবং বয়নের মধ্যে লক্ষ করবেন, আশা করি সংশয় সমাধান হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।