হাজারো চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে আভ্যন্তরীণ এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে শক্তিশালী অবস্থানে ইমারতে ইসলামিয়া আফগানিস্তান

0
0

আমেরিকা ও সোভিয়েত রাশিয়ার মত দুই দুইটি পরাশক্তির চাপিয়ে দেয়া ৪০ বছরের দীর্ঘ যুদ্ধে বিপর্যস্ত আফগানিস্তানে রাজধানী কাবুল, জালালাবাদ, মাজার-ই শরীফ ও হেরাতের মত হাতেগোনা কয়েকটি শহর ব্যাতিত প্রায় পুরো দেশেই বিগত বছরগুলোতে আধুনিকতা বা উন্নয়নের কোন ছোয়া লাগেনি। এমন একটি যুদ্ধ বিধ্বস্ত, নিয়মিত খরা, বন্যা ও ভূমিকম্পের মত প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিপর্যস্ত দেশের ক্ষমতা গ্রহণের পরপরই তালেবান নেতৃত্বাধীন ইমারতে ইসলামিয়া প্রশাসনের উপর অর্থনৈতিক অবরোধ আরোপ করে সন্ত্রাসী আমেরিকা। পাশাপাশি ৯ বিলিয়ন ডলারের রিজার্ভ আটকে দেয়।

তার উপর পাকিস্তান এবং ইরান মিলে জোরপূর্বক বহিস্কার করা শুরু করে সেদেশে অবস্থিত লাখ লাখ আফগান শরণার্থীদের। বিগত সাড়ে চার বছরে আফগানিস্তানে প্রবেশ করা মোট শরণার্থীর সংখ্যা ৭১ লক্ষ ছাড়িয়েছে।

যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশ, ভঙ্গুর অর্থনীতি, আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক অবরোধ, শরণার্থীর অস্বাভাবিক চাপ, বিপুল সংখ্যক মাদকাসক্ত নাগরিক, একের পর এক প্রাকৃতিক দুর্যোগের পাশাপাশি যুক্ত হয় প্রতিবেশি রাষ্ট্র পাকিস্তানের বৈরি আচরণ; যখন আফগানে ফসল উত্তোলনের সময় আসন্ন হয়, ঠিক তখনই ইমারতে ইসলামিয়ার অর্থনীতিকে বিপর্যস্ত করার লক্ষ্যে পাকিস্তান সস্তায় তাদের নিম্নমানের পন্য সামগ্রী আফগানে পাঠিয়ে দিতো; আবার যখন আফগানে উৎপাদিত ফসল পাকিস্তানের সমুদ্র বন্দর ব্যবহার করে রপ্তানীর প্রয়োজন হত, সন্ত্রাসবাদের অভিযোগ তুলে সীমান্তগুলো বন্ধ করে দিতো পাকিস্তানের পশ্চিমা অনুগত সামরিক প্রশাসন।

২০০১ সালে আমেরিকার সাথে ওয়ার অন টেরর তথা সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যোগ দেয়ার ফল স্বরূপ পাকিস্তান আভ্যন্তরীণ ভাবে অস্থিতিশীল হয়ে উঠে। ২০২১ সালের আগস্টে ক্ষমতা গ্রহণের পর পাকিস্তান নিজেদের আভ্যন্তরীণ এই অস্থিতিশীলতার দায়ভার চাপায় তালেবান নেতৃত্বাধীন ইমারতে ইসলামিয়া প্রশাসনের উপর। অথচ ইমারতে ইসলামিয়া প্রশাসন পাকিস্তানের আভ্যন্তরীণ এসকল দ্বন্দ্ব মেটাতে নানাভাবে প্রচেষ্টা চালিয়েছে। যেমন- পাকিস্তানের সন্ত্রাসী সামরিক বাহিনীর আগ্রাসনের ফলে বাস্তুচ্যুত হয়ে আফগানে আশ্রয় নেয়া পাকিস্তানী শরণার্থীরা যেন পাকিস্তানের উপর হামলা চালাতে না পারে, সে লক্ষ্যে শরণার্থী শিবিরগুলো পাকিস্তান সীমান্ত থেকে দূরে স্থাপন করে ইমারতে ইসলামিয়া প্রশাসন। সংঘাতরত গোষ্ঠীর নেতৃত্বের সাথে পাকিস্তানের সামরিক প্রশাসকদের সংলাপ আয়োজন করিয়ে দেয় ইমারতে ইসলামিয়া। আফগান থেকে যেন কেউ পাকিস্তানে চলমান আভ্যন্তরীণ সংঘাতে যোগ না দেয়, তার জন্য ফাতোয়া প্রদান করে আফগান যুবকদের বিরত করা সহ নানান পদক্ষেপ নেয় ইমারতে ইসলামিয়া।

ইমারতে ইসলামিয়ার এসমস্ত আন্তরিক প্রচেষ্টার পরেও পাকিস্তানের পশ্চিমা অনুগত সামরিক প্রশাসন বারংবার সন্ত্রাসবাদের অভিযোগ তুলে আমেরিকা ও সোভিয়েত রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ জয়ের ফলে প্রাপ্ত আফগান সেনাবাহিনীর গণিমতের বিশাল অস্ত্র ভাণ্ডারকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছে। সীমান্তের আফগান জনগণকে ভীতসন্ত্রস্ত রাখার উদ্দেশ্যে বেসামরিক বাড়িঘর, স্কুল-মাদ্রাসা, মসজিদ, হাসপাতাল ও বাজারে ক্রমাগত বম্বিং করে যাচ্ছে। গত মাহে রমজানের পবিত্র কদরের রাতে আন্তর্জাতিক সীমান্ত আইন লঙ্ঘন করে রাজধানী কাবুলে এক মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রের চিকিৎসাধীন রোগীদের উপর বিমান হামলা চালায় পাকিস্তানের সন্ত্রাসী সামরিক বাহিনী। যাতে চার শতাধিক রোগী শাহাদাত বরণ করেন। পাকিস্তানের সন্ত্রাসী সামরিক বাহিনী এই বর্বরোচিত হামলাকে ড্রোন কারখানায় হামলা বলে বৈধতা দানের ব্যর্থ প্রচেষ্টা চালায়।

ইমারাতে ইসলামিয়ার উপমুখমাত্র মৌলভী হামদুল্লাহ ফিতরাত হাফিযাহুল্লাহ কর্তৃক গত ৪ এপ্রিল প্রকাশিত এক প্রতিবেদন অনুযায়ী এবছর ২০২৬ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত পাকিস্তানের সন্ত্রাসী সামরিক বাহিনীর ১৫ হাজারের অধিক আর্টিলারি গোলা, মিসাইল ও বিমান হামলায় আফগানিস্তানে ২৭ হাজারের অধিক পরিবারের লক্ষাধিক সাধারণ আফগান নাগরিক আভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। এসময় পাক সন্ত্রাসী বাহিনীর নির্মম সামরিক আগ্রাসনের দরুন ৭৬১ জন বেসামরিক নাগরিক শহীদ হন। উল্লেখ্য, ৪ এপ্রিলের পরেও পাকিস্তানের হামলা অব্যাহত ছিল, আর তাতে আরও কয়েক শতাধিক বেসামরিক আফগানের হতাহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে, যা থেমে থেমে আজও চলমান আছে।

আফগানিস্তানের আভ্যন্তরীণ এসকল সংকট, পাকিস্তানের বৈরি আচরণ এবং আন্তর্জাতিক অবরোধ সত্ত্বেও মহান আল্লাহ্‌ তাআলার অপার সাহায্যে তালেবান নেতৃত্বাধীন ইমারাতে ইসলামিয়া প্রশাসন দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক সকল ক্ষেত্রে ধারাবাহিক উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করে চলছেন। যেমন-

– একবিংশ শতাব্দীতে এসে ইসলামী শরিয়াহ আইন বাস্তবায়ন করে একটি রাষ্ট্রকে শান্তি, স্থিতিশীলতা, নিরাপত্তা এবং অর্থনৈতিক ভাবে স্বাবলম্বী করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে তালেবান নেতৃত্বাধীন ইমারতে ইসলামিয়া প্রশাসন।

– আফগানিস্তানের সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, ইমারাতে ইসলামিয়া পুনঃপ্রতিষ্ঠার পর থেকে এ পর্যন্ত দেশের ৩৪টি প্রদেশে মোট ১ হাজার ১২১টি হত্যা মামলা সৌহার্দ্যপূর্ণ সমঝোতা, ও দিয়াত তথা রক্তমূল্য প্রদানের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা হয়েছে। একই সময়ে তিন স্তরের আদালতের রায়ের ভিত্তিতে এবং আমীরুল মু’মিনীন হাফিযাহুল্লাহর অনুমোদনক্রমে হত্যার দায়ে দোষী সাব্যস্ত ১২ ব্যক্তির ওপর কিসাস কার্যকর করা হয়েছে বলেও জানিয়েছে ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানিস্তানের সুপ্রিম কোর্ট।

– আভ্যন্তরীণ সকল বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে সুদভিত্তিক লেনদেন পরিপূর্ণ বিলুপ্ত করেছে তালেবান নেতৃত্বাধীন ইমারাতে ইসলামিয়া প্রশাসন।

– দুর্নীতিমুক্ত ও জবাবদিহিমূলক প্রশাসনিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার ফলে আফগানি মুদ্রা স্থিতিশীল রয়েছে; পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রার বিপরীতে আফগানি মুদ্রার মূল্য ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এছাড়া আফগানিস্তানে খাদ্য ও অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম আঞ্চলিক দেশগুলোর তুলনায় কম রয়েছে।

– স্বাধীন এবং প্রভাবমুক্ত পররাষ্ট্রনীতি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ১০০টিরও অধিক দেশের সাথে বাণিজ্যিক সম্পর্ক স্থাপন করেছে ইমারতে ইসলামিয়া। একই সময়ে চীন, রাশিয়া, সৌদি, কাতার, আরব আমিরাত, তুরস্ক ও ভারত সহ ৪০টিরও অধিক দেশে কূটনৈতিক মিশন প্রতিষ্ঠা করেছে ইমারতে ইসলামিয়া।

– সীমান্তে পাকিস্তানের অন্যায় অবরোধ মোকাবেলায় পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে প্রতিবেশি ইরান, উজবেকিস্তান, তাজিকিস্তান ও তুর্কমেনিস্তান দিয়ে বিকল্প বাণিজ্যিক রুট প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে আভ্যন্তরীণ অর্থনীতি সচল রেখেছে ইমারতে ইসলামিয়া।

– এসময়ে ২৩ হাজারের অধিক স্কুল ও মাদ্রাসা সংস্কার করেছে ইমারতে ইসলামিয়ার শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এছাড়া ৬ষ্ঠ শ্রেণী পর্যন্ত একক কারিকুলাম প্রণয়ন করা হয়েছে। নতুন করে প্রায় ৩০০ আধুনিক স্কুল প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। সকল মেয়েদের জন্য ৬ষ্ঠ শ্রেণী পর্যন্ত শিক্ষা কার্যক্রম চালু রাখার পাশাপাশি মাদ্রাসায় মেয়েদের আরও উচ্চতর দ্বীনি শিক্ষার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। তবে সহশিক্ষামুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা পর্যন্ত আধুনিক শিক্ষাকার্যক্রম মেয়েদের জন্য সাময়িক স্থগিত রাখা হয়েছে, যা সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে উঠলে পুনরায় চালু করার কথা জানিয়েছে ইমারতে ইসলামিয়া।

– পুরনো হাসপাতালগুলো সংস্কারের পাশাপাশি দেশের ৩১৮ জেলায় নতুন হাসপাতাল নির্মাণের মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে ইমারাতে ইসলামিয়া।

– ফার্মাসিউটিক্যাল শিল্পে আত্মনির্ভরতার পথে রয়েছে ইমারাতে ইসলামিয়া, বর্তমানে আফগানিস্তানে নিবন্ধিত ঔষধ উৎপাদনকারী শিল্পকারখানার সংখ্যা ১১০টিরও বেশি। আর তাতে উৎপাদিত হচ্ছে প্রায় পনের শতাধিক ধরনের ঔষধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম।

– ৪০ বছরের যুদ্ধ বিধ্বস্ত ভঙ্গুর অর্থনীতির দেশে হাজারো চ্যালেঞ্জের মুখে দাড়িয়েও নবগঠিত ইমারতে ইসলামিয়া প্রশাসন সল্প সময়ে ৭১ লক্ষাধিক ফিরে আসা শরণার্থীদের সুষ্ঠভাবে ব্যবস্থাপনা করার মাধ্যমে রেকর্ড স্থাপন করেছে। ফেরত আসা এসকল শরণার্থীর মাঝে জমি বিতরণের সুবিশাল কর্মযজ্ঞ হাতে নিয়েছে তালেবান নেতৃত্বাধীন ইমারতে ইসলামিয়া প্রশাসন। সকল প্রকারের নাগরিক সুবিধা সম্পন্ন ৪১টি আধুনিক আবাসিক নগরী প্রতিষ্ঠা করে এই পর্যন্ত ৩১ হাজারের অধিক পরিবারকে স্থায়ী ভাবে বাড়ি করার প্লট বিতরণ সম্পন্ন করেছে ইমারতে ইসলামিয়া। সীমিত সম্পদ সত্ত্বেও নিজস্ব অর্থায়নে শরণার্থীদের ব্যবস্থাপনায় ইমারতে ইসলামিয়ার সফলতার প্রশংসা করতে বাধ্য হয়েছে জাতিসংঘ।

– ক্ষমতা গ্রহণের পর পরই অতি সল্প সময়ে দেশ থেকে পপি চাষ নির্মূল করেছে ইমারাতে ইসলামিয়া। একই সময়ে লক্ষাধিক মাদকাসক্ত নাগরিককে চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ জীবনে ফিরিয়ে আনা সহ কারিগরি প্রশিক্ষণ প্রদান করে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছে তালেবান নেতৃত্বাধীন ইমারতে ইসলামিয়া প্রশাসন।

– এসময়ে নিরাপত্তা বাহিনীর প্রায় ২ লক্ষ সদস্যকে সামরিক প্রশিক্ষণ প্রদান করেছে ইমারাতে ইসলামিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। অপরদিকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন আরও এক লক্ষ পুলিশ সদস্যকে নিরাপত্তা, অপরাধ তদন্ত, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, লজিস্টিকস সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ দিয়েছে ইমারতে ইসলামিয়া।

– উত্তরাঞ্চলের প্রায় সাড়ে পাঁচ লক্ষ হেক্টর অনাবাদী জমিকে চাষের আওতায় আনতে ইমারতে ইসলামিয়ার নিজস্ব অর্থায়নে পরিচালিত ২৮৫ কিলোমিটার দীর্ঘ কুশ তেপা খাল খনন মেগা প্রকল্প প্রায় শেষ পর্যায়ে পৌঁছে গেছে।

– দেশব্যাপী গুরুত্বপূর্ণ সকল মহাসড়ক সংস্কার ও পুনর্নির্মাণ কাজ বেশির ভাগ সম্পন্ন অথবা চলমান আছে। ক্ষমতায় আসার পর থেকে শতশত কিলোমিটার রাস্তা নির্মাণ এবং সংস্কার করেছে ইমারতে ইসলামিয়া প্রশাসন। একই সময়ে আরও ১৫ শতাধিক ব্রিজ, কালভার্ট, এবং সাড়ে তিন শতাধিক চেক ড্যাম নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে।

– বিগত সাড়ে চার বছরে রাস্তা নির্মাণ, বাঁধ নির্মাণ, খাল খনন, বিভিন্ন কৃষি প্রকল্পে অস্থায়ী বা স্থায়ী চাকরি, খনিজ উত্তোলন খাতে চাকরি, সরকারী দপ্তরে চাকরি, দেশীয় এবং বৈদেশিক বাণিজ্যের রাস্তা প্রশস্তকরণের মাধ্যমে কয়েক লক্ষ বেকার যুবকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছে ইমারতে ইসলামিয়া।

– ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে প্রতি বছরের ন্যায় গত বছরও সারা দেশে ৬ লক্ষেরও অধিক এতিম, প্রতিবন্ধী ও বিধবাকে প্রায় সাড়ে ১২ বিলিয়ন আফগানি প্রদান করেছে ইমারাতে ইসলামিয়ার শহীদ ও প্রতিবন্ধী বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

এছাড়াও আভ্যন্তরীণ অর্থনীতি, প্রশাসনিক কাঠামো এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার মত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে দেশকে সুসংহত করতে প্রতিনিয়ত আরও অসংখ্য কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছেন তালেবান নেতৃত্বাধীন ইমারতে ইসলামিয়ার সৎ, দক্ষ, দেশপ্রেমিক আলীম ওলামার সমন্বয়ে গঠিত প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ।

যার ফলে রাজনৈতিক অস্থিরতা, অর্থনৈতিক মন্দা এবং সর্বত্র যুদ্ধ-সংঘাত ও নিরাপত্তাহীনতার মত বৈশ্বিক এই অস্থিতিশীল সময়ে ইমারতে ইসলামিয়া শরিয়াহ আইন দ্বারা শাসন করে একটি যুদ্ধ বিধ্বস্ত ও বহু জাতি বহু ভাষায় বিভক্ত একটি জনপদকে ক্রমান্বয়ে আখিরাতের সফলতার সাথে সাথে দুনিয়াবি সফলতারও শিখরে নিয়ে যাচ্ছেন; যা প্রমাণ করে ইসলামী শরিয়াহ এবং এর ধারকবাহক আল্লাহ্‌ভীরু মুসলিমগণই বিশ্বকে নেতৃত্বদানের মাধ্যমে প্রকৃত শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার পথ সফলতার সাথে দেখাতে সক্ষম।

মন্তব্য করুন

দয়া করে আপনার মন্তব্য করুন!
দয়া করে এখানে আপনার নাম লিখুন

পূর্ববর্তী নিবন্ধবিদ্যুৎ সাশ্রয়ে ৭ টায় শপিং মল বন্ধ হলেও খোলা থাকবে সিনেমা হল