
আফগানিস্তানের সঙ্গে সীমান্তপথ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষের নেওয়া হলেও এর ফলে এক বছরেরও কম সময়ে দেশটির ২৫০ কোটি ডলার ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের প্রধান ইউসুফ আফ্রিদি। বিশেষ করে তোরখাম সীমান্তপথ বন্ধ করে আফগানিস্তানের ওপর চাপ সৃষ্টি করার যে নীতি পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষ গ্রহণ করেছে, তাতে উল্টো পাকিস্তানের ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থনীতিই বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছে।
ইউসুফ আফ্রিদি বলেন, আফগানিস্তানের সঙ্গে সীমান্তপথ বন্ধ থাকায় পাকিস্তানের আমদানি-রপ্তানি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। এর ফলে হাজার হাজার মানুষ কর্মসংস্থান হারিয়েছেন এবং ব্যবসায়ী, কৃষক, কারিগর ও উদ্যোক্তারা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। তিনি দ্রুত দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য পুনরায় চালুর আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, আফগানিস্তানের সঙ্গে বাণিজ্যকে রাজনৈতিক বিরোধ থেকে আলাদা রাখা প্রয়োজন। বাণিজ্যিক কার্যক্রম যাতে রাজনৈতিক বিরোধের প্রভাবের শিকার না হয়, সে জন্য সীমান্তপথ দ্রুত খুলে দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক কার্যক্রম স্থগিত হওয়ার প্রায় এক বছর হতে চলেছে। এ সময়ে সীমান্ত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্তের সরাসরি প্রভাব পড়েছে পাকিস্তানের রপ্তানি-আমদানি, কর্মসংস্থান ও ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের ওপর। ইউসুফ আফ্রিদির দেওয়া ২৫০ কোটি ডলারের ক্ষতির হিসাব সেই সিদ্ধান্তের বড় অর্থনৈতিক পরিণতিই তুলে ধরছে।
আফগানিস্তানকে চাপে ফেলার উদ্দেশ্যে নেওয়া সীমান্ত বন্ধের সিদ্ধান্ত শেষ পর্যন্ত পাকিস্তানের ব্যবসায়ী, কৃষক, কারিগর ও সাধারণ মানুষের ওপরই বড় বোঝা তৈরি করেছে। অন্যদিকে ইমারাতে ইসলামিয়া প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক, পারস্পরিক স্বার্থ এবং নীতিনিষ্ঠ বাণিজ্যের ভিত্তিতে সীমান্ত যোগাযোগ পুনরায় চালুর অবস্থান ধরে রেখেছে।
তথ্যসূত্র
1. Pakistan Loses $2.5 Billion in Under a Year Over Afghan Border Closure
– https://tinyurl.com/5arnbhac


