
সাভারের আশুলিয়ার মধ্য জামগড়া এলাকায় একটি ভাড়া বাসার তালাবদ্ধ ঘর থেকে এক নারী, পুরুষ ও সদ্য ভূমিষ্ঠ নবজাতকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) ভোরে ওই এলাকার হাজী হযরত আলীর মালিকানাধীন চারতলা বাড়ির দ্বিতীয় তলার একটি কক্ষ থেকে লাশগুলো উদ্ধার করা হয়। এ সময় পুরুষের গলায় গামছা পেঁচানো থাকায় ঘটনাটি হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে।
স্থানীয়দের বরাতে গণমাধ্যম সূত্র জানায়, ওই কক্ষের দরজা-জানালা সবসময় বন্ধ থাকত। স্বামী-স্ত্রী পরিচয় দিয়ে তারা বাসাটি ভাড়া নিয়েছিলেন। গতরাতে (৪ সেপ্টেম্বর) ওই কক্ষ থেকে পচা দুর্গন্ধ আসায় তারা তাৎক্ষণিক পুলিশকে ফোন দেয়। খবর পেরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশগুলো উদ্ধার করে। প্রাথমিকভাবে নিহতদের পরিচয় জানা যায়নি।
আশুলিয়া থানার এসআই রাসেল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে গণমাধ্যমকে জানায়, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, কয়েক দিন আগেই তাদের মৃত্যু হয়েছে। নির্মম এই ঘটনার নেপথ্যে হত্যাকাণ্ড নাকি অন্য কোনো কারণ রয়েছে তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। এছাড়া সিআইডির ফরেনসিক টিম ভোরে এসে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেছে।
এ ঘটনায় জামগড়া পুলিশ ফাঁড়ির এসআই আবু তালেব সাংবাদিকদের বলেন, ‘৯৯৯ থেকে খবর পেয়ে আমরা যাই সেখানে। সিআইডি টিমও ছিল। বাইরে থেকে ঘরটি তালাবদ্ধ ছিল। সেখানকার মানুষজনই ঘরের তালা খুলেছে। ভেতরে অর্ধগলিত তিনটা লাশ ছিল। কয়েকদিন আগেই তাদের মৃত্যু হয়েছে বলে মনে হচ্ছে। তারা সম্পর্কে স্বামী-স্ত্রী। স্ত্রী গর্ভবতী ছিলেন। পেট থেকে বাচ্চা ভূমিষ্ঠ হয়ে মারা গেছে। পচে গেছে। তারা এক মাস আগে ওই বাসাটা ভাড়া নিয়েছিলেন। পোস্টমর্টেমের জন্য তিন লাশ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেলে পাঠানো হয়েছে।’
তথ্যসূত্র:
১। আশুলিয়ায় তালাবদ্ধ ঘর থেকে নবজাতকসহ তিনজনের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার
– https://tinyurl.com/4z42vfy6


