
ইউরোপীয় দেশসহ বিশ্বের সব দেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তুলতে ইমারাতে ইসলামিয়া আগ্রহী বলে জানিয়েছেন এর মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ হাফিযাহুল্লাহ। তিনি বলেন, কূটনৈতিক ক্ষেত্রে আফগানিস্তানের স্বার্থ সুরক্ষিত রেখেই বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও বিস্তৃত করতে চায় ইমারাতে ইসলামিয়া।
জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ হাফিযাহুল্লাহ বলেন, আফগানিস্তানের স্বার্থ রক্ষায় সব দেশের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক বজায় রাখা প্রয়োজন এবং এটিই যুক্তিসংগত পথ। আফগানিস্তানে যারা যুদ্ধ করেছে, তাদের যুদ্ধকালীন নীতি পরিবর্তন করে আফগানিস্তানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়নের দিকে এগিয়ে আসারও আহ্বান জানান তিনি।
ইউরোপের বিভিন্ন দেশে বর্তমানে ইমারাতে ইসলামিয়ার প্রতিনিধিরা আফগান কূটনৈতিক মিশনে দায়িত্ব পালন করছেন। জার্মানির বন ও বার্লিনে দুটি কনস্যুলেট এবং নরওয়েতে আফগান দূতাবাসেও তাদের কার্যক্রম রয়েছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষক ইদ্রিস মোহাম্মাদি জাজি বলেন, আফগানিস্তানের জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে সম্পর্ক সম্প্রসারণ জরুরি। তবে তিনি মনে করেন, সম্পর্ক স্বাভাবিক করার ক্ষেত্রে তাড়াহুড়ো না করে বাস্তবতা বিবেচনায় এগোনো উচিত। আরেক বিশ্লেষক সামিউল্লাহ আহমাদজাই বলেন, বিশ্বের দেশগুলোর বৈধ দাবির প্রতি ইতিবাচক সাড়া দেওয়া এবং বৈধ কূটনৈতিক যোগাযোগই বর্তমান পরিস্থিতিতে আফগানিস্তানের জন্য এগিয়ে যাওয়ার পথ।
ইমারাতে ইসলামিয়ার কূটনৈতিক তৎপরতা এরই মধ্যে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে বিস্তৃত হয়েছে। ইউরোপসহ বিভিন্ন দেশে কূটনৈতিক প্রতিনিধিত্ব বজায় রাখা এবং একাধিক দেশের সঙ্গে রাজনৈতিক ও পারস্পরিক যোগাযোগ সম্প্রসারণের মাধ্যমে আফগানিস্তান আন্তর্জাতিক পরিসরে তার কূটনৈতিক অবস্থান আরও সুদৃঢ় করছে। জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে বিশ্বের দেশগুলোর সঙ্গে পারস্পরিক সম্মান ও সহযোগিতার ভিত্তিতে সম্পর্ক গড়ে তোলার এই ধারাবাহিকতা ইমারাতে ইসলামিয়ার কূটনৈতিক সাফল্যেরই প্রতিফলন।
তথ্যসূত্র
1. Islamic Emirate Calls for Expanded Diplomatic Ties with Europe
– https://tinyurl.com/4kvx4nax


