
চট্টগ্রামের সন্দ্বীপের বাউরিয়া ইউনিয়নে তারাবির নামাজ চলাকালীন মসজিদের ভেতর থেকে ছাত্রশিবিরের এক নেতাকে টেনে বের করে পিটিয়ে জখম করার ঘটনা ঘটেছে। গত শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) রাতে ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের জমির মাঝির মসজিদে এ ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটে। আহত জিহাদ (২০) বাউরিয়া ইউনিয়ন ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি বলে জানা গেছে।
স্থানীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, রাতে জমির মাঝির মসজিদে তারাবির নামাজ চলাকালীন জাসিব, নিরব ও নাঈমসহ একদল ব্যক্তি ভেতরে প্রবেশ করে। তারা ইবাদতরত অবস্থায় জিহাদকে জোরপূর্বক টেনে-হিঁচড়ে মসজিদের আঙিনায় বের করে আনে। সেখানে রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক স্লোগান দিয়ে লাঠি ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে তাকে এলোপাথাড়ি মারধর করা হয়। উপস্থিত মুসল্লিরা বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলেও হামলাকারীদের সশস্ত্র অবস্থানের কারণে তারা পিছু হটতে বাধ্য হন বলে জানা যায়।
আহত জিহাদের সহকর্মীরা জানায়, সাম্প্রতিক নির্বাচনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে কাজ করা এবং দলীয় আদর্শগত বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে এ হামলা চালানো হয়েছে। হামলার পর জিহাদকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে সন্দ্বীপ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, আহতের শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম ও রক্তক্ষরণের চিহ্ন রয়েছে।
পবিত্র রমজান মাসে মসজিদের ভেতরে ঢুকে এমন বর্বরোচিত হামলায় সাধারণ মুসল্লিদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। এ বিষয়ে সন্দ্বীপ থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জায়েদ নূর জানায়, ‘ঘটনাটি জানার পর থেকেই পুলিশ তৎপর রয়েছে। পরিস্থিতির ওপর আমাদের নজরদারি আছে। লিখিত অভিযোগ পাওয়ার সাথে সাথেই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
তথ্যসূত্র:
১। সন্দ্বীপে মসজিদে ঢুকে নামাজরত শিবির নেতাকে পিটিয়ে জখম
– https://tinyurl.com/mvjk8c5z


