
ভারতে মধ্যপ্রদেশের কাটনি জেলা হতে ১৫৫ জন মুসলিম শিশু শিক্ষার্থী ও ৮ জন শিক্ষককে আটকের ঘটনায় তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট অভিভাবকবৃন্দ।
বিহার থেকে স্কুল ও মাদ্রাসা শিক্ষার উদ্দেশ্যে মহারাষ্ট্র ও কর্ণাটকে ভ্রমণ করেছিল সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থী ও শিক্ষকগণ। গত ১১ এপ্রিল যাত্রাকালে বিনা অজুহাতে তাদেরকে মধ্যপ্রদেশে আটক করে হিন্দুত্ববাদী পুলিশ। এই সময় শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ‘শিশুশ্রম’ ও ‘শিশুপাচার’ এর অভিযোগ তুলে মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়।
প্রায় ২ সপ্তাহ ধরে শিশুদেরকে আটক রাখার পর ২৫ এপ্রিল বিহারের সীমাঞ্চল অঞ্চলে তাদের বাড়িতে ফেরত পাঠানো হয়।
২৭ এপ্রিল বিহারে এক সংবাদ সম্মেলনে সংশ্লিষ্ট অভিভাবকগণ পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ ও অভিযোগ প্রকাশ করেছেন। তাদের দাবি, ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে তাদের সন্তানরা হয়রানির শিকার হয়েছে। আটক অবস্থায় শিশু শিক্ষার্থী ও শিক্ষক উভয়কেই আতঙ্কগ্রস্ত করা হয়েছে। থানায় যোগাযোগ করা হলে শিক্ষার্থীদের মুক্তি দিতেও গড়িমসি করেছিল পুলিশ।
তারা এই ঘটনার সুষ্ঠু জবাবদিহিতার দাবি জানান। এই ধরনের ঘটনার যেন পুনরাবৃত্তি না ঘটে, পাশাপাশি শিক্ষার্থী ও শিক্ষক উভয়ের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার জন্য তারা জোর দাবি তুলেন।
এক বাসিন্দা বিবি আঞ্জুমান বলেন, উন্নত শিক্ষা প্রদানের জন্য তার নাতি-নাতনিরা কর্ণাটকে পড়াশোনা করছিল। তার প্রশ্ন, শিক্ষকদের তত্ত্বাবধানে তাদের ভ্রমণ করতে কেন বাধা দেওয়া হবে?
অপর এক অভিভাবক মোহাম্মদ শওকত অভিযোগ করেছেন, ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে শিশুদের টার্গেট করা হয়েছিল। তিনি আরও দাবি করেছেন, বাবা-মা কাটনিতে পৌঁছানোর পরেও কর্তৃপক্ষ তাদের মুক্তি দিতে বিলম্ব করেছিল।
তথ্যসূত্র:
1. https://tinyurl.com/4cpmk9f9


