
ভারতে উত্তরপ্রদেশের শামলি জেলার এক ধনাঢ্য হিন্দু ব্যবসায়ী পরিবারের সন্তান আয়ুষ মালিক ইসলাম গ্রহণ করে নিজের নাম রেখেছিলেন মোহাম্মদ আলী (৩০)। তার ইসলাম গ্রহণকে কেন্দ্র করে ‘কথিত বেআইনি ধর্মান্তর মামলা’য় সম্প্রতি আরও একজন সহ মোট ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে হিন্দুত্ববাদী পুলিশ।
মোহাম্মদ আলী’র পিতা বিশিষ্ট হিন্দু ব্যবসায়ী দেবরাজ মালিক ৬ জুন এক আলেমসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করে। মামলায় দাবি করা হয়েছে, আয়ুষ মালিককে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ইসলাম গ্রহণে প্ররোচিত করা হয়েছে।
তার অভিযোগের প্রেক্ষিতে ৭ জুন আলী’র স্ত্রী চাঁদনী কুরেশি ও শ্বশুর ইসলাম কুরেশিকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ। সম্প্রতি আরও এক অভিযুক্ত তৌফিক ওরফে ভোলাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তবে একাধিক মিডিয়া সাক্ষাৎকারে মোহাম্মদ আলী স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, তিনি স্কুল জীবন থেকে দীর্ঘ কয়েক বছর যাবত ইসলাম নিয়ে পড়াশোনা ও গবেষণা করেছেন। অতঃপর বেশ কয়েক বছর আগে স্বেচ্ছায় ইসলাম গ্রহণ করেছেন তিনি। তার হিন্দু ধর্মে ফিরে যাওয়ার কোনও আগ্রহ নেই।
ইসলাম ধর্ম গ্রহণের কারণে তিনি সামাজিক চাপ মোকাবেলা করে যাচ্ছিলেন। দ্বীন রক্ষার জন্য তিনি তার হিন্দু বাবা-মা থেকে আলাদা থাকতেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, তার ইসলাম গ্রহণ ও বিবাহের পেছনে কারও কোন জোরজবরদস্তি বা প্ররোচনা কাজ করেনি।
মোহাম্মদ আলীর দাবি, তার পিতা অন্য কোনও প্রভাবে এই মামলা দায়ের করেছে। কেননা বিষয়টি ইতোমধ্যে উগ্র হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের নজরে এসেছে।
মোহাম্মদ আলী’র স্বেচ্ছায় ইসলাম গ্রহণের সুস্পষ্ট প্রমাণ রয়েছে। তা সত্ত্বেও হিন্দুত্ববাদী পুলিশ জানায়, উক্ত মামলার তদন্ত চলবে এবং অন্যান্য অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা হবে।
তথ্যসূত্র:
1. https://tinyurl.com/mvckvaet


