তালিবানদের ভয়ে কুচক্রী গোয়েন্দাদের দেশে ফিরিয়ে নিচ্ছে হিন্দুত্ববাদী ভারত

9
1204
তালিবানদের ভয়ে কুচক্রী গোয়েন্দাদের দেশে ফিরিয়ে নিচ্ছে হিন্দুত্ববাদী ভারত

আফগানিস্তানে প্রায় ২০ বছরের লড়াই শেষে দেশে ফিরছে ক্লান্ত শ্লান্ত মার্কিন বাহিনী। তালিবান যোদ্ধারা ফের দুর্নিবার গতিতে কাবুলের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন। এ পরিস্থিতিতে রীতিমতো শঙ্কায় ইসলামের দুশমন হিন্দুত্ববাদী ভারত।

ভারতের গণমাধ্যমে বলা হয়, আফগানিস্তান থেকে মালাউন গোয়েন্দা কর্মীদের ফিরিয়ে আনছে নয়া দিল্লি।

ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআই জানায়, রাজধানী কাবুলে দূতাবাস ছাড়াও আফগানিস্তানের চারটি প্রধান শহর কান্দাহার, মাজার-ই-শরিফ, জালালাবাদ ও হেরাতে হিন্দুত্ববাদী ভারতের কনস্যুলেট রয়েছে, যেখান থেকে এতোদিন মালাউনরা ইসলামের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে দালাল কাবুল প্রশাসন ও পশ্চিমা প্রভুদের সহযোগিতা করতো।

এরই মধ্যে তালিবানদের হামলার আশঙ্কায় জালালাবাদ ও হেরাতের কনস্যুলেট অফিস আগেই বন্ধ করে দিয়েছে ভারত। এবার বাকি দুটি শহরে ভারতীয় কনস্যুলেট বন্ধের প্রক্রিয়া চলছে।

উল্লেখ্য, ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর গ্লোবাল জিহাদী তানজিম আল-কায়েদা যুগের হুবাল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ইস্তেশহাদি হামলা পরিচালনা করে। এই বরকতময় হামলার পর তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ ২০০১ সালে ন্যাটোসহ ৪২টি মিত্র দেশ নিয়ে আফগানিস্তানে মুজাহিদদের বিরুদ্ধে একচেটিয়া যুদ্ধের সূচনা করে।

প্রায় দুই দশক ধরে চলমান এই দীর্ঘ মেয়াদি যুদ্ধে পরাজিত হয়ে বর্তমান সুপার পাওয়ার আমেরিকা তার মিত্রদেশগুলো নিয়ে আফগানিস্তান থেকে পিছু হটতে বাধ্য হয়েছে। আগামী ১১ সেপ্টেম্বরের আগে আফগানিস্তান থেকে যুক্তরাষ্ট্র তার সব সৈন্য প্রত্যাহার করবে বলে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন থেকে বিবৃতি প্রদান করা হয়েছে। সেই লক্ষ্যে সন্ত্রাসবাদের গডফাদার আমেরিকা তার অর্ধেকের বেশি সৈন্য আফগানিস্তান থেকে প্রত্যাহার করেছে বলে জানা গেছে।

ভারতের সংবাদমাধ্যম এএনআই’র খবরে বলা হয়, কান্দাহার ও মাজার ই শরিফে অবস্থিত ভারতীয় কনস্যুলেটে অন্তত ৫০০ মালাউন গোয়েন্দা ইসলাম ও আফগান মুসলিমদের বিরুদ্ধে কাজ করে। রাজধানী কাবুলের ভারতীয় দূতাবাসেও রয়েছে বহু ইসলাম বিরোধী গোয়েন্দা। তালেবানদের অকল্পনীয় বিজয়ে টালমাটাল পরিস্থিতিতে হিন্দুত্ববাদী মোদি সরকারের কাছে মালাউন গোয়েন্দাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফলে আফগানিস্তানে কর্মরত ভারতীয় গোয়েন্দাদের ফিরিয়ে আনতে বাধ্য হয়েছে নয়া দিল্লি।

উল্লেখ্য, এর আগে গত ১লা জুলাই রাজধানী কাবুলের ভারতীয় দূতাবাস মালাউন গোয়েন্দাদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে এক বিবৃতিতে বলে, তালিবান আফগানিস্তানের বিভিন্ন শহরে জেলা মুক্তকরণ অভিযান পরিচালনা করছে। মুজাহিদদের নিশানায় রয়েছে কাবুল প্রশাসনের ত্বাগুত সেনাবাহিনী, পশ্চিমাদের পাচাটা দোসর ও আফগানিস্তানে সক্রিয় ইসলাম বিরোধী দালাল চক্র। এসব অভিযান থেকে হিন্দুত্ববাদী গোয়েন্দারা ছাড় পাবেন বলে ভাবার কোনো অবকাশ নেই। বিশেষ করে ভারতীয় মালাউনদের অপহরণের ভয় রয়েছে। তাই আফগানিস্তানে কর্মরত বা ছদ্মবেশে অবস্থানরত ভারতীয় গোয়েন্দাদের অত্যন্ত সতর্ক থাকতে হবে।

ভারতের কাবুল দূতাবাসের ওই নির্দেশিকায় ভারতীয় মালাউনদের আফগানিস্তানে না যাওয়ার পরামর্শও দেওয়া হয়েছিল। পাশাপাশি, সামরিক কনভয় বা সেনা চৌকি থেকে ভারতীয় গোয়েন্দাদের দূরত্ব বজায় রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়।

এদিকে, মার্কিন গোয়েন্দাদের আশঙ্কা, আফগানিস্তান থেকে দখলদার বিদেশি সৈন্য সরে গেলে ৬ থেকে ১২ মাসের মধ্যে তালিবান মুজাহিদিনরা রাজধানী কাবুলে ইসলামী শরিয়া ভিত্তিক শক্তিশালী ইসলামী ইমারত প্রতিষ্ঠা করতে সমর্থ হবেন।

9 মন্তব্যসমূহ

  1. الم يروا انا ناتي الارض ننقصها من اطرافها

    পুরো ওয়ার্ল্ড কে তাগুত-কুফফারদের জন্য সংকীর্ণ করা হচ্ছে…

    এই মালাউন! আমরা দেখতে পাচ্ছি গাজওয়াতুল হিন্দের রণাঙ্গন প্রস্তুতি, সাজে সাজে সজ্জিত হচ্ছে গজনবীর উত্তরসূরীরা।

    হিন্দের-রণাঙ্গন ভৌগোলিক দিক থেকেই প্রস্তুত বি-ইজনিল্লাহ। যুদ্ধের ধামামা সময়ের ব্যাপার মাত্র।

    # শুনে রাখ! খুরাসানের বিজয় আর হিন্দের পরিস্থিতিতে জিহাদের সুক্ষ্ম-স্ট্রং ফাউন্ডেশন ক্র‍্যাট হতে যাবেনা বেশ সময়।

    # তোদেরকে টেনে হেচঁড়ে, অহংকার ধম্ভ চূর্ণ করে নিয়ে যাব হের্ড-কোয়ার্টার শামে বি-ইজনিল্লাহ।

  2. আপনার মন্তব্য বিবেচনাধীন

    الم يروا انا ناتي الارض ننقصها من اطرافها

    পুরো ওয়ার্ল্ড কে তাগুত-কুফফারদের জন্য সংকীর্ণ করা হচ্ছে…

    এই মালাউন! আমরা দেখতে পাচ্ছি গাজওয়াতুল হিন্দের রণাঙ্গন প্রস্তুতি, সাজে সাজে সজ্জিত হচ্ছে গজনবীর উত্তরসূরীরা।

    হিন্দের-রণাঙ্গন ভৌগোলিক দিক থেকেই প্রস্তুত বি-ইজনিল্লাহ। যুদ্ধের ধামামা সময়ের ব্যাপার মাত্র।

    # শুনে রাখ! খুরাসানের বিজয় আর হিন্দের পরিস্থিতিতে জিহাদের সুক্ষ্ম-স্ট্রং ফাউন্ডেশন ক্র‍্যাট হতে যাবেনা বেশ সময়।

    # তোদেরকে টেনে হেচঁড়ে, অহংকার ধম্ভ চূর্ণ করে নিয়ে যাব হের্ড-কোয়ার্টার শামে বি-ইজনিল্লাহ।
    প্রতিউত্তর

  3. তোদের অন্তরে ত্রাস সৃষ্টি করতে আসছি ইনশাআল্লাহ।

    আল-কাইদার সেই বাহিনি তো কালো পতাকাবাহী বাহিনি।

    আমি যখন হিন্দ নিয়ে ফিকির করি তখন অনেক ভালো লাগে কারণ…… ইসলামের পতাকা উড়া এটা তো বিল-ইয়াক্বিন।

  4. আফগানিস্তানের বিজয়ের বর্তমান পরিস্থিতি মেপ আকারে দেখালে ভালো হতো। অথবা মোট কত টি প্রদেশ , কোন প্রদেশে কয়টি জেলা বিজয় হয়েছে বিস্তারিত একটি রিপোর্ট প্রকাশ করলে ভালো হয় । জাযাকাল্লাহ

মন্তব্য করুন

দয়া করে আপনার মন্তব্য করুন!
দয়া করে এখানে আপনার নাম লিখুন