ফটো রিপোর্ট | মুরতাদ হুথিদের উপর AQAP পরিচালিত বিভিন্ন আক্রমণের ফুটেজ

26
1478
ফটো রিপোর্ট | মুরতাদ হুথিদের উপর AQAP পরিচালিত বিভিন্ন আক্রমণের ফুটেজ

আল-কায়েদা আরব উপদ্বীপ শাখা জামা’আত আনসারুশ শরিয়াহ্’র (AQAP) কর্তৃক সম্প্রতি ২৩:৫৫ মিনিটের একটি নতুন ভিডিও প্রকাশিত হয়েছে। নতুন এই ভিডিওটি ‘যুদ্ধের ভূমি থেকে’ শিরোনামে সম্প্রচার করেছে দলটির অফিসিয়াল ‘আল-মালাহিম’ মিডিয়া।

ভিডিওটির শুরুতে মুসলিমদের উপর হুথিদের বিভিন্ন নির্যাতন দৃশ্য, আল্লাহ্ ও তাঁর প্রিয় রাসূল হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) এবং কুরআন-সুন্নাহ্’র বিরুদ্ধে হুথিদের উদ্ধতপূর্ণ মন্তব্য তুলে ধরা হয়।

এরপর ভিডিওটিতে ইয়ামানের বায়দা রাজ্যে ইরান সমর্থিত এসব মুরতাদ শিয়া হুথিদের উপর আল-কায়েদার (AQAP) জানবায মুজাহিদদের বিভিন্ন আক্রমণের ভিডিও ফুটেজ দেখানো হয়েছে।

অভিযানের কিছু দৃশ্য দেখুন…

IMG-20210715-180007-658
IMG-20210715-180124-021
IMG-20210715-180010-352
IMG-20210715-175955-123
IMG-20210715-180115-985
IMG-20210715-175957-249
IMG-20210715-180120-142
IMG-20210715-180012-036
IMG-20210715-180014-458
IMG-20210715-180055-673
IMG-20210715-180059-337
IMG-20210715-175950-019
IMG-20210715-180110-543
IMG-20210715-175952-572
IMG-20210715-180112-290
IMG-20210715-175945-178
IMG-20210715-180104-191
IMG-20210715-175948-284
IMG-20210715-180106-491
IMG-20210715-180048-164
IMG-20210715-180050-743
IMG-20210715-180035-611
IMG-20210715-180041-389
IMG-20210715-175942-302
IMG-20210715-175937-277
IMG-20210715-180053-018
IMG-20210715-175940-495
IMG-20210715-180130-056
IMG-20210715-180031-767
IMG-20210715-180033-210
IMG-20210715-180024-465
IMG-20210715-180029-375

26 মন্তব্যসমূহ

  1. কেউ যদি তালেবান এর বিরুদ্ধে নিচের কথাগুলো বলে,তাহলে আমরা তার কী জবাব দিবো? দয়া করে কেউ বলবেন-

    “তালিবান নিয়ে আপনার দৃষ্টিভঙ্গি কী? তাদের কর্মকাণ্ডগুলি কি ইসলাম অনুমোদিত?
    তালেবান শুধু আফগানিস্তানে শরীয়া প্রতিষ্ঠার জন্য লড়াই করে। ইসলাম হলো মধ্যমপন্থী দ্বীন, কিন্তু তালেবান মধ্যমপন্থা থেকে আরো নিচে।”সুতরাং মধ্যমপন্থী হতে হলে,আরো উগ্র হতে হবে”।তালিবান কর্তৃক প্রকাশিত বিবৃতিটিতে বলা হয়েছে,”আমাদের নীতি হচ্ছে- সমস্ত দেশের সাথে ভালো এবং ইতিবাচক সম্পর্ক স্থাপন করা।” অথচ সমস্ত দেশগুলো হলো দারুল কুফর, (একমাত্র মুজাহিদরা যেখানে শরীয়া আইনে শাসন করে সেগুলো ছাড়া)। আর তালেবান এমন কথা প্রায়ই বলে থাকে। তালেবান বার বার বলে যে,তারা তাদের প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে সুসম্পর্ক রাখতে চায় অথচ তাদের প্রতিবেশী দেশগুলো এক একটা দারুল কুফর। সুতরাং তাদের সাথে কিভাবে সুসম্পর্ক রাখা যায়!?! কাতারে তালেবানের রাজনৈতিক অফিসের প্রধান শের মোহাম্মদ আব্বাস বলেছিলেন ,”আমরা ভবিষ্যতে (তাগুত) আমেরিকার বন্ধু হতে চাই”

    নাউযুবিল্লাহ!!”

    • রাসূল সাঃ প্রাথমিক দিকে মদিনার আশপাশ ইহূদীদের সাথে চুক্তি করেছেন। কারণ এটা বুদ্ধিমানের কাজ নয় একসাথে সবার সাথে যুদ্ধে জড়িয়ে যাওয়া সামর্থ্য সীমিত থাকা সত্বে। কিন্তু পরে যখন দেখা গেল ইহুদিদের চক্রান্ত & মুসলিমদের সামরিক ধাপটের অগ্রগতি তখন কিন্তু আশপাশ এর দারুল হারবেও যুদ্ধের দাবানাল ঝলে উঠল।

      # বিঃদ্রঃ সংশয়গ্রস্থ ভাইয়েরা! রাসূলের সীরাহ আমাদের সামনে আছে। দুঃখজনক হলেও সত্ব যে আমরা কোরান সুন্নাহ থেকে অনেক দূরে আছি। না কোরানের গভির জ্ঞন আছে। না সিরাহ এর নির্ভরযোগ্য কোন কিতাব পড়া আছে (!)

      আপনারা সিরাহ পড়ুন। আন্সার পেয়ে যাবেন।

  2. রাসূল সাঃ প্রাথমিক দিকে মদিনার আশপাশ ইহূদীদের সাথে চুক্তি করেছেন। কারণ এটা বুদ্ধিমানের কাজ নয় একসাথে সবার সাথে যুদ্ধে জড়িয়ে যাওয়া সামর্থ্য সীমিত থাকা সত্বে। কিন্তু পরে যখন দেখা গেল ইহুদিদের চক্রান্ত & মুসলিমদের সামরিক ধাপটের অগ্রগতি তখন কিন্তু আশপাশ এর দারুল হারবেও যুদ্ধের দাবানাল ঝলে উঠল।

    # বিঃদ্রঃ সংশয়গ্রস্থ ভাইয়েরা! রাসূলের সীরাহ আমাদের সামনে আছে। দুঃখজনক হলেও সত্ব যে আমরা কোরান সুন্নাহ থেকে অনেক দূরে আছি। না কোরানের গভির জ্ঞন আছে। না সিরাহ এর নির্ভরযোগ্য কোন কিতাব পড়া আছে (!)

    আপনারা সিরাহ পড়ুন। আন্সার পেয়ে যাবেন।

      • মুহতারাম ভাই

        এই নিউজের লিংক দিয়ে সাহায্য করবেন ইন শা আল্লাহ।

        কারণ এর আগে একবার সময় নিউজ তাদের কথা ট্রান্সলেট করতে গিয়ে বলে দিয়েছে তালেবান নাকি গণতন্ত্র চায়। তাই আসলে নিউজ টা কনফার্ম হওয়া উচিত।

        আর এছাড়া মুজাহিদ ভাই দের প্রতি সুধারণা রাখা উচিত। মনে উলটা পালটা আসলে বা কোনো কিছু বুজে না আসলে আল্লাহ তায়ালার কাছে দোয়া করা উচিত।

        যেমন আমিও অনেক কিছু ১মে বুজতে পারি নাই। যেমন কাফেরকে কাফের না মনে করলে সেও কাফের। আমি এই মাসআলা বিস্তারিত জানতাম না, পরে জানতে পারি আসলি কাফেরকে কাফের মনে না করলে কাফের । আর মুরতাদ কাফেরকে কাফের না মনে করলে কাফের হবে না। অথচ আমি যদি আমার কম জানা নিয়ে ডিচেশন নিতে থাকতাম থাহলে ঘোমরাহির মধ্যে থাকতাম।

        এই খানে আপনি যে অভিযোগ গুলো এনেছেন সে গুলোর মধ্যে অনেকগুলোই সলভ হয়ে যেত যদি ভালোভাবে পড়াশুনা করা থাকতো।

        সাইফ আল আদিল ভাই তো সুন্দর উত্তর দিয়েছেন। এবং ঐটাই সঠিক উত্তর।

        বাকি শেষে আপনি যেটা বলেছেন আমেরিকার ব্যাপারে এই ক্ষেত্রে

        ১মে নিউজটা কনফার্ম হওয়াটা জরুরি। আর সেকেন্ড যদি সত্যি এমন বলে থাকেন তাহলে এমন বলাটা কি শরীয়ত বহির্ভুত কিনা সেটা সেটাও বিজ্ঞ আলেম থেকে জেনে নিতে হবে।

        আর এছাড়া তালেবান (ধরে নিলাম) যদি গোমড়াও হয়ে যায় (হতেই পারে) তাও কিন্তু আইসিস কিন্তু হক হয়ে যাবে না। (কারণ এই অভিযোগ গুলো সাধারণত আইসিস রাই করে থাকে।

        তাই মুহতারাম ভাই আশে পাশের কাফেরদের সাথে সাময়িক চুক্তি শরীয়াহ বহির্ভুত নয়, এইটা জানতে কুরআন সুন্নাহ আরও বেশি বেশি করে মুতায়ালা করতে হবে। এবং আল্লাহ সুবঃ এর কাছে বেশি বেশি হক বুজার জন্য এবং মানার জন্য তৌফিকের জন্য দোয়া করতে হবে ইন শা আল্লাহ।

        আর আরেকটা কথা আপনি যেভাবে উনার কথাটা নিজের মত করে বলেছেন এইটাও কিন্তু ঠিক না, উনি হয়ত কথা গুলো এমন ভাবে বলেন নি। কারণ শব্দের ব্যাবহার একটা ইমপর্ট্যান্ট জিনিস। উনি হয়ত শরীয়তের সীমার মধ্যেই বলেছেন। যা আমার বুজে আসতাছে না।

        তাও আমি উনাদের হক প্রমাণ এর জন্য কথা গুলো বলছি না, মূলত আমাদের আরও সতর্ক হওয়া উচিত ইন শা আল্লাহ।

        আর প্রিয় ভাই ভাসা ভাসা ইলম থাকলে কিন্তু অনেক কিছু বুজে আসে, যখন আপনি শরীয়ত সম্পর্কে আরও ডিটেইলস পড়বেন তখন আবার একই জিনিস আপনার কাছে অন্যভাবে আসবে ইন শা আল্লাহ।

        যেমন একটা উদাহরণ রাসূল সাঃ যিনাকারি সাহাবীর হদ কায়েমের সময় কয়েকবার ফিরিয়ে দিয়েছিলেন, এইটা থেকেও মানূষ গোমরাহ হতে পারে যে রাসূল সাঃ আল্লাহ তায়ালার দেওয়া হদ বাস্তবায়ন করতে চাননি। কিন্তু আসলে কি তাই?

        যাই হোক ভূল ত্রুটি মাফ করবেন। আমার সাধ্যমত কিছু বলার চেষ্টা করেছি।

        কোনো পরামর্শ থাকলে জানাবেন ইন শা আল্লাহ।

        • আমি তালেবানকে মুরতাদ মনে করি না,বরং তাদের গোমড়াহ মনে করি। এর বিভিন্ন কারণ আছে। যেমন- তারা তাগুত শাসকদের, মুসলিম বলে; মুরতাদদের জন্য দোয়া করে;তাগুতের সাথে বন্ধুত্ব করার কথা বলে;কাফেরদের তৈরি সীমানার বাইরে, প্রতিবেশী দারুল কুফরের সাথে বন্ধুত্ব করার কথা বলে;মুশরিক শিয়াদের, মুসলিমদের ভাই বলে; তারা বেদাতি ইত্যাদি। ইনশাআল্লাহ আমি এর প্রত্যেকটির দলিল প্রমাণ দিবো। বর্তমানে মুজাহিদদের দখলকৃত জায়গা ছাড়া বাকিগুলো দারুল হারব।
          এই ভিডিওগুলো দেখুন- https://youtube.com/playlist?list=PLp8nLkjKayTa_Rg-LZUxA82kpEFjuSqDk
          (নিচের কথাগুলো ইমারত, মোল্লা উমর মুজাহিদ রহ. এর নামে প্রকাশ করেছে)
          ইমারত থেকে বলা হয়েছে, “আফগানিস্তানের ইসলামিক ইমারত সকল দেশের মুসলিম(!?) শাসকদের আহবান করছে, যেন তারা আল-আকসা মসজিদ রক্ষা করতে, আমেরিকান স্বার্থ রক্ষা করতে নয়, এবং কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ইসলামী ও মানবিক দায়িত্ব পালন করে মুসলিমদের প্রথম কিবলার উপর ইসরাইলী আক্রমণ প্রতিরোধ একটি ইসলামী ঐক্যজোট তৈরি করেন করতে। ইসলামি দেশের শাসকদের এটি একটি কর্তব্য যেন তারা তাদের মতবিরোধ পাশে রাখেন এবং আল-আকসা মসজিদকে রক্ষা করার দায়িত্ব কাঁধে নেন। (ইহুদিদের আল-আকসা মসজিদ দখল করার ব্যাপারে আফগানিস্তানের ইমারতের বার্তা)

          মোল্লাহ উমার বলেছেন, “অনুরূপভাবে, আমরা বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানাচ্ছি মহামান্য (!?) কাতারের আমীর, শায়খ তামিম ইবন হামিদ ইবন খালিফাহ আল-সানিকে তার আন্তরিক প্রচেষ্টার জন্য ও মধ্যস্থতাকারী হিসেবে তার সফল ভূমিকার জন্য, পূর্বে বর্নিত নেতাদের রেহাই পাওয়ার ব্যাপারে এবং তাদেরকে আপ্যায়ন করার জন্য। আমি আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করছি যেন তিনি মহামান্যকে এই দুনিয়াতে উত্তম প্রতিদ প্রতিদান করেন এবং পরকালে মহাপুরস্কার প্রদান করেন”। (গুয়ান্তানামো কারাগার থেকে মুজাহিদীন নেতাদের রেহাই পাওয়ার ব্যাপারে অভিনন্দন বার্তা)
          ইমারত থেকে আরও বলা হয়, “এবং এটা উল্লেখ করা উচিৎ, আমরা আমাদের ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা জানাই আমাদের ভাতৃ-প্রতীম কাতার এবং এর সম্মানিত আমির, মহামান্য(!?) শায়খ হামিদ ইবন খালিফাহ্ আল-সানিকে আল্লাহ তাঁকে হেফাযত করুন তার দেশে ইসলামিক ইমারতের একটি রাজনৈতিক কার্যালয় খুলতে রাজি হওয়ার জন্য এবং এর সাথে সম্পৃক্ত সুযোগ-সুবিধা প্রদান করার জন্য” (কাতারে আফগানিস্তানের ইমারতের রাজনৈতিক কার্যালয় খোলার ব্যাপারে বার্তা)।

          মোল্লাহ উমার আরও বলেছেন, “আফগানিস্তানের ইসলামিক ইমারত বহির্বিশ্বের সাথে পারস্পরিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করতে চায় আর বিশেষভাবে মুসলিম বিশ্বের সাথে এবং প্রতিবেশী(!?) দেশের সাথে ইসলামিক শিক্ষা ও জাতীয় স্বার্থের আলোকে পারস্পরিক সম্মান এবং পারস্পরিক সার্থের পরিবেশ বজায় রাখতে চায়। এটা কারো কোন ব্যাপারে নাক গলাতে যায় না এবং অন্যদেরকে এর বিষয়ে নাক গলাতে দেয় না। ইসলামী ইমারত বিশ্বকে নিশ্চিত করছে যে, এর ভূমি কাউকে অন্যের বিরুদ্ধে ব্যবহার করতে দেয় না, অনুরূপভাবে, প্রকাশ্য ভাবে ঘোষণা দিচ্ছে যে, এটা ইসলাম ধর্মের শিক্ষার আলোকে এবং আমাদের জাতীয় সার্থের আলোকে সকল আন্তর্জাতিক আইনসমূহ ও চুক্তিকে সম্মান করে। আমরা অভিনন্দন জানাই ঐ সকল সরকার যারা গণ-বিপ্লবের পরে ক্ষমতায় এসেছে এবং আরবদেরকে তাদের নতুন জীবন ও অবস্থার প্রতি এবং আমরা তাদের অগ্রগতি, উজ্জ্বল ভবিষ্যত এবং তাদের জীবনে ইসলামী শিক্ষার আনুগত্যের জন্য দুয়া করি”। (১৪৩৩ সনের বরকতময় ইদ-উল-ফিতর উপলক্ষে একটি বার্তা)

          ইমারত থেকে আরও বলা হয়, “ইসলামিক ইমারত বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলির সাথে এবং অঞ্চলের অন্যান্য রাষ্ট্রের সাথে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা এবং পারস্পরিক সম্মান অনুযায়ী কাজ করতে চায়। ইসলামী ইমারত পূর্বে কারো ক্ষতি করেনি, এখনও করে এবং ভবিষ্যতেও করবে না। অনুরুপভাবে, এটা কাউকে আফগানের ভূমিকে অন্য কারো বিরুদ্ধে ব্যবহার করতে দেয় না”। (ফ্রান্সের গবেষণা সম্মেলনে ইমারতের ঘোষণাপত্র)

          ইসলামী ইমারতের আনুষ্ঠানিক মুখপাত্র বলেন, “সম্প্রতি অঞ্চলের কিছু রাষ্ট্র- ইন্ডিয়া, চীন ও রাশিয়া- উদ্বেগ প্রকাশ করেছে যে, যদি আমেরিকান বাহিনীকে আফগানিস্তান থেকে সরিয়ে নেওয়া হয় এবং তারা এ অঞ্চল পরিত্যাগ করে, তাহলে এ অঞ্চলে একটা অস্থিরতার পরিস্থিতি তৈরি হবে এবং এ অঞ্চলের রাষ্ট্রসমূহ আফগানিস্তান থেকে হুমকির সম্মুখীন হবে। আমরা এরূপ উদ্বেগকে পশ্চিমা গোয়েন্দা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত মিডিয়ার নেতিবাচক প্রভাব হিসেবে দেখছি এবং আমরা এ অঞ্চলের রাষ্ট্রগুলোকে অনুরোধ করছি, যেন তারা নিজেদের জন্য তথ্য নিরূপণ করে নেন এবং বাস্তব পরিস্থিতির আলোকে বার্তা প্রচার করেন। ইসলামিক ইমারত জবাবদিহিতার ভুমিকায়, সবাইকে নিশ্চিত করছে যে, আফগানিস্তান থেকে এ অঞ্চলের কোন রাষ্ট্রের প্রতি বা কোন প্রতিবেশী রাষ্ট্রের প্রতি কোন প্রকার ক্ষতি আসবে না(!?)। আমরা আমাদের জাতির জন্য এবং এ অঞ্চলের জন্য নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা করতে চাই (এ অঞ্চলের কিছু রাষ্ট্রের উদ্বেগ প্রসঙ্গে ইমারতের মুখপাত্রের মন্তব্য)।

          ইমারত থেকে বলা হয়েছে, “সুতরাং এর উপর ভিত্তি করে ইসলামী ইমারত, সঙ্গতিপূর্ণ এবং যুক্তিসম্মত পররাষ্ট্র নীতির আলোকে পারস্পরিক সম্মান, সমতা এবং একে অপরের অভ্যন্তরীণ বিষয়ের ওপর হস্তক্ষেপ না করার মূলনীতির ওপর ভিত্তি করে, কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করেছে অঞ্চলের রাষ্ট্রসমূহের সাথে ও বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলের সাথে। ইমারত রাজনৈতিক সম্পর্কের পরিমণ্ডলকে আরও বর্ধিত করতে চায়, এবং ইরানের অনুরূপভাবে বিশ্বের সাথে প্রসারিত হতে চায়। ইসলামিক রাষ্ট্র ইরানের সাথে আমাদের সম্পর্ক হল সেই শিকলের একটি আংটা। অনুরোধ এবং আহবান, ইসলামি ইমারতের রাজনৈতিক কার্যালয় প্রধানের প্রতিনিধিদল ও ও সহায়ককে সাথে নিয়ে সাক্ষাৎ করা এবং ইরানী কর্মকর্তাদের ইতিবাচক আলোচনা এ সবই হল যে ইসলামী ইমারতের সঠিক, বিচক্ষণ, যুক্তিসঙ্গত এবং স্বাধীন পররাষ্ট্র নীতির স্পষ্ট প্রমাণ। অধিকন্তু, প্রতিনিধি দলের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নতির প্রচেষ্টা এবং আফগান অভিবাসীদের বিষয়টিকে নিয়ে তাদের আলোচনা করা এটাই প্রমাণ করে যে, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সাথে সম্পর্ক গড়ে তোলার মূখ্য ও প্রাথমিক উদ্দেশ্য হল আফগান জাতির ইচ্ছা ও আকাঙ্ক্ষা পুরণ করা এবং জাতির সর্বোচ্চ স্বার্থ অর্জন করা ছাড়া আর কিছু নয়। ইরান একটি ইসলামিক জাতি, যার আফগানিস্তানের সাথে সীমান্ত রয়েছে, এর মধ্যে ২ মিলিয়নের বেশি আফগানরা আছেন, এর কাছে অনেক প্রাকৃতিক তেল রয়েছে এবং তাদের অর্থনৈতিক অবস্থা ভাল, এর একটি সমুদ্র সৈকত রয়েছে এবং এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ জাতি এই অঞ্চলের মধ্যে এবং সমগ্র বিশ্বে। এসব স্বার্থই এই দুই দেশকে একত্রে আনে এবং একে অপরের সাথে ভাল ব্যবহার করতে বাধ্য করে সাধারণ জনগনের স্বার্থে, প্রতিবেশী দেশ হিসেবে এবং রাজনৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক বন্ধনকে অটুট রাখতে (ইমারতের পররাষ্ট্রনীতি জাতির সর্বোচ্চ স্বার্থকে চিত্রিত করে)

          ইমারত থেকে আরও বুলা হয়েছে, “ফারস সংবাদ-প্রতিষ্ঠান একটি সংবাদ প্রচার করেছে ইসলামী ইমারতের প্রতিনিধিদলের ইসলামিক প্রজাতন্ত্র ইরানের সাথে সাক্ষাত করার ব্যাপারে, এবং ইসলামী ইমারত এই সংবাদকে নিশ্চিত ও সমর্থন করছে। সম্প্রতি, ইসলামী ইমারতের রাজনৈতিক শাখার প্রধান দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিনিধিদল ইরানের রাজধানী তেহরানে তিন দিনের সফরে যান। এ সফরের উদ্দেশ্য ছিল দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করা এবং প্রতিনিধিদল ফিরে এসেছেন উপরোক্ত বিষয়ের উপর আলোচনার পর। […] সফরকালীন অবস্থায়ু, যা ইরানী সরকারের আনুষ্ঠানিক আহ্বানের মাধ্যমে হয়েছিল, ইসলামী ইমারত সাধারণ লোকজন ও মুজাহিদীনদের বার্তা ও প্রয়োজনের কথা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদল সমূহের কানে পৌঁছে দিতে সফল হয়েছে। তারা ইসলামিক প্রজাতন্ত্র ইরানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে তথ্য প্রদান এবং বিভিন্ন বিষয়ে ইতিবাচক আলোচনা করেছেন।[…] আমাদের অবশ্যই এটা বলা উচিত যে ইসলামি ইমারত সর্বদা এ অঞ্চলের রাস্ট্রসমূহের সাথে ও বিশ্বের অন্যান্য রাষ্ট্রের সাথে পারস্পরিক সম্মান কাঠামোর আলোকে সম্পর্ক অটুট রাখতে চেয়েছে এবং এ ব্যাপারে এখনও কোন ব্যতিক্রম নেই”। (আল-কারি মুহামামদ ইউসুফ আহমাদির বক্তব্য, ইসলামি ইমারতের ইসলামিক প্রজাতন্ত্র ইরানের সাথে সাক্ষাতের ব্যাপারে)
          মোল্লা ওমর বলেছেন, “এটা প্রত্যেক মুসলিমের জন্য দায়িত্ব যে, সে এই ধূর্ত শত্রুর সর্বপ্রকার অভিশপ্ত চক্রান্তসমূহকে ব্যাহত করে এবং তাকে মুসলিমদের মধ্যে বিভাজনের আগুন জালানোর সুযোগ না দেয়। আমেরিকানদের কর্মপন্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হল ইরাকের মুসলিমদেরকে শ্রেণীবিভক্ত করা, শিয়া এবং সুন্নি আখ্যায়িত করার মাধ্যমে এবং আফগানিস্তানে পাশতুন, তাজিক, হাযারী ও উজুবেক এর মাধ্যমে, করে গণআন্দোলনের ও তার সাথে সশস্ত্র প্রতিরোধের জোর ও কাঠিন্য হ্রাস পায়।[…] অতএব, আমি ইরাকের ভাইদেরকে অনুরোধ করছি। শিয়া ও সুন্নীর নামে যে পার্থক্য রয়েছে তাকে পেছনে রেখে দখলদার শত্রুর বিরুদ্ধে এক হয়ে লড়তে, কারণ বিজয় একতা ছাড়া সম্ভব নয়”। (ইরাক ও আফগানিস্তানের মুজাহিদ জাতির প্রতি বার্তা)

          • মুহতারাম ভাই আপনি শুরু করেছেন

            “”কেউ যদি তালেবান এর বিরুদ্ধে নিচের কথাগুলো বলে,তাহলে আমরা তার কী জবাব দিবো? দয়া করে কেউ বলবেন-“”

            অর্থাৎ আপনি এমন ভাবে প্রশ্ন করেছেন যে আপনি কিছু জানেন না অথবা কিছু বিষয় নিয়ে কনফিউশন এ আছেন সেটা নিয়ে জানার জন্য প্রশ্ন করেছেন এমনই মনে করেছেন।

            অথচ এখন আপনি স্টেটমেন্ট দিচ্ছেন “” আমি তালেবানকে মুরতাদ মনে করি না,বরং তাদের গোমড়াহ মনে করি। “”

            আপনি যে এইভাবে মিথ্যা অভিনয় করছেন সেটা নিয়ে আপনার মন্তব্য জানালে ভালো হবে ইন শা আল্লাহ।

            আমি আরও ভালো মনে করে আপনাকে উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করলাম আমার প্রয়োজনীয় কাজ রেখে। এই রকম জানলে আপনাকে উত্তর দিতাম না। কারণ আপনি আগে থেকেই তর্কের প্রস্তুতি নিয়ে এসেছেন জানার জন্য না। (দুঃখিত ভাই আপনার এই মিথ্যার আশ্রয় ভালো লাগে নি- মিথ্যা বলা জায়েজ আছে তবে এমন ভাবে মিথ্যা বলা ঠিক না)
            আপনার এই একটা কমেন্ট এর কারণে একজন ভাই এর মধ্যে সংশয় ঢুকে পড়েছে। যদি ঐ ভাই গোমরাহ হোন তার দায় কিন্তু আপনাকে নিতে হবে আখিরাতে।

            আমি তো আপনার রিপ্লাইয়ে একটা কথা বলেছিলাম স্বাভাবিকভাবে মুজাহিদদের প্রতি স্বাভাবিকভাবে সুধারণা রাখা উচিৎ।

            আমি যখন জিহাদ বুজতে শুরু করি তখন ফেসবুকে আইসিসকে অনেকে খারিজি বলতে দেখেছি, কিন্তু আমি কখনও এই তর্কে কান দিই নাই, শুধু দেখেছি। তাদেরকে খারেজি আমি আন্দাজে বলি নাই।

            অর্থাৎ আইসিসকে মিডিয়া খারাপ বলে এই জন্য খারাপ বলতাম না, ওয়েট করেছি সত্য জানার জন্য। পরে যখন তাদের নিয়ে বই পড়লাম। খারেজি কাকে বলে কি তাদের বৈশিষ্ট্য জানলাম এর পর একটা ডিসিশনে পৌছালা।

            আমি বুজাতে চাচ্ছি স্বাভাবিকভাবে মুজাহিদ দের প্রতি সুধারণা রাখা উচিৎ, পরে কোনো ডিসিশনে আসা উচিৎ। না হলে হককে বাতিল বলে আল্লাহ তায়ালার ক্রোধের মধ্যে পড়ে তো লাভ নেই। চুপ থাকাই শ্রেয়।

            আপনি যে অভিযোগ গুলো এইখানে এনেছেন আমি আসলে তাদের মেইন লিখা গুলো দেখতে চাই, অনুবাদ বিজ্ঞ ভাইদের থেকে কনফার্ম হতে হবে। এর পর শরীয়াহ কী বলে তা দেখতে হবে ইন শা আল্লাহ।

            শরীয়াহ কোথায় কতটুকু ছাড় দিয়েছে জানতে হবে। ইন শা আল্লাহ।

            আল্লাহ তায়ালার কাছে দোয়া করি তিনি যেন আমাদের হককে চিনার তৌফিক দান করেন আমিন। খারিজি হওয়া থেকে রক্ষা করেন। দ্বীনের জীহাদ নামক অধ্যায় বুজার পর যেন আল্লাহ আমাদের খারিজি না বানিয়ে দিন আমিন। এইটা তো সিম্পল কথা না জান্নাত আর জাহান্নামের কথা তাই সে অনুপাতে সতর্ক পা ফেলানোর তৌফিক যেন আল্লাহ দেন। আমিন।

        • “কেউ যদি তালেবান এর বিরুদ্ধে নিচের কথাগুলো বলে,তাহলে আমরা তার কী জবাব দিবো? দয়া করে কেউ বলবেন-”
          এই কথাটি আমি লিখেছি,কারণ সরাসরি তালেবান এর বিরোধিতা করলে, আল-ফিরদাউস এর ভাইয়েরা তা কেটে দেন। তাই এভাবে দিয়েছি।

          আর আমি তালেবান এর বিরুদ্ধে দলিল দিয়েছি,তার উত্তর তো কিছু দিলেন না?
          আমি তর্ক করতে চাই না, শুধু সত্যটা জানাতে চাই যে, তালেবান গোমরাহ। আল-কায়দার মুজাহিদদের উচিত, তালেবানদের এতো ভক্তি না করা।

          ভুল হলে ক্ষমা করবেন ইনশাআল্লাহ।

        • আমি যেগুলো বাংলাতে দিয়েছি,সেগুলো নিয়ে সন্দেহ থাকলে, আপনি ভিডিওগুলো দেখুন। কেননা ভিডিওতে তো সরাসরি তালেবান এর ভিডিও সহকারে বক্তব্য আছে।

          • মুহতারাম ভাই

            “”আর আমি তালেবান এর বিরুদ্ধে দলিল দিয়েছি,তার উত্তর তো কিছু দিলেন না?””

            এর উত্তরে আমি বলব আমি লিখালিখি বা এই বিষয়ে অভিজ্ঞ না, অর্থাৎ আমি উত্তর দিতে গেলে শরীয়াহ সম্মত উত্তর দিতে পারব না। তাই চুপ থাকাই শ্রেয় । বাকি আমি চেষ্টা করব ইন শা আল্লাহ ঠান্ডা মাথায় কাজ করার। (তাও নিচে দেওয়া চেষ্টা করেছি একটা ভিডিও এর আলহামদুলিল্লাহ)

            আর ২য়ত

            “”আমি যেগুলো বাংলাতে দিয়েছি,সেগুলো নিয়ে সন্দেহ থাকলে, আপনি ভিডিওগুলো দেখুন। কেননা ভিডিওতে তো সরাসরি তালেবান এর ভিডিও সহকারে বক্তব্য আছে।”””

            এর ব্যাপারে বলব এই খানে যে ভাই ভিডিও গুলো ছেড়েছেন উনিও প্রতারণার আশ্রয় নিয়েছেন উনি তালেবান এর নামে চ্যানেল খুলে মানুষকে ধোকা দিচ্ছেন।

            আর ভাই অনুরোধ থাকবে স্টেট্মেন্ট দিবেন না, একটু তো ওয়েট করুন, আল্লাহ তায়ালার কাছে দোয়া করুন, কারণ হতে পারে তালেবান গোমড়াহ নাহ। আপনারই বুজার ভূল, তাই বলে বলে যদি তারা হক হয়ে থাকেন তাহলে আপনি মুজাহিদদের অর্থাৎ আল্লাহ তায়ালার বন্ধুদের বিরুদ্ধে গিয়ে কিন্তু ভূল করতাছেন।

            আর খালিদ রাদিঃ কয়েকবার যুদ্ধ ক্ষেত্রে ভূল করেছেন। ভূলে মানূষ মুসলিম হতে পারে এমন মানুষদের হত্যাও হয়ে গিয়েছে। উমর রাদিঃ তাই উনার কিসাস পর্যন্ত চেয়েছিলেন কিন্তু আবু বকর রাদিঃ কিন্তু তা করেন নি, কারণ আবু বকর রাদিঃ সঠিক টা বুজে গিয়েছিলেন। তিনি খালিদ রাদিঃ এর বিরুদ্ধে অভিযোগ/বিচারের ব্যাবস্থা করেন নি।
            এর পর আলি রাদিঃ এবং মুয়াবিয়া রাদিঃ এর উসমান রাদিঃ এর হত্যার কিসাস নিয়ে দুই জনে দুই ধরণের ইজতিহাদ ছিলেন আলি রাদিঃ সঠিক ছিলেন, কিন্তু আমরা কি বর্তামানে মুয়াবিয়া রাদিঃ কে গোমড়াহ বলি??? আমরা কি হজরত তালহা রাদিঃ জুবায়ের রাদিঃ সাহাবিরা হজরত আলিঃ এর বিরুদ্ধে থাকার কারণে কি তাদের গোমড়াহ বলি?

            হজরত আয়িশা রাদিঃ তো আলি রাদিঃ এর বিরুদ্ধে ছিলেন ঊটের যুদ্ধে সেখানে কি আমরা আয়িশা রাদিঃ কে গোমড়াহ বলি ? (নায়ুযুবিল্লাহ)

            অর্থাৎ প্রিয় ভাই আমি আপনাকে বলতে চাচ্ছি সেম জিনিস বুজতে ভূল হতেই পারে, তাই সবর করা উচিৎ।

            আমি আপনার দেওয়া ভিডিও গুলো দেখেছি সেখান থেকে কিছু বুজার যে ভূল হচ্ছে তা দেখানোর চেষ্টা করছি ইন শা আল্লাহ

            “””আল কায়েদা দমনে পদক্ষেপ গ্রহণ করবে তালিবান – তালেবান মুখপাত্র””””

            এই নামের ভিডিও তে শায়েখ বলেছেন ” এটা আমাদের পলিসি যে, যে কেউ আফগান ভূমি ব্যবহার করে অন্যান্য দেশ এবং আমাদের দেশ ও জনগণের ক্ষতিসাধন কুরবে, এটা আমরা মেনে নিবো না (যদিও এইখানে অনুবাদটা হবে “আমরা অনুমতি দিব না= we will not allow বলেছেন শায়েখ) “””””

            অর্থাৎ চুক্তি যদি আমেরিকার সাথে হয়ে যায় তাহলে সে চুক্তি রক্ষা করা কি ইসলাম বহির্ভুত কোনো কাজ????? তাদের যদি আমেরিকার সাথে চুক্তি হয়েই যায় যে, তারা তাদের মাটিকে বিদেশের বিরুদ্ধে ব্যবহার করতে দিবে না, তাহলে এই চুক্তি রক্ষা করা কি শরীয়াহ বিরুধী??????

            এই পয়েন্টকে কি অভিযোগ জানানোর মত কিছু, কেউ যদি তালেবান ভুমি এই চুক্তি বিরুধী কাজে ব্যাবহার করতে চায় তাহলে কি তালেবান/ যে কোণ মুসলিম এর কি চুক্তি রক্ষা করতে গিয়ে তাকে বাধা দান করা ইসলাম অনুমতি দেয় না?????

            রাসূল সাঃ কি হুদায়বিয়ার সন্ধির দিন ঐ সাহাবিকে ফিরিয়ে দেন নি যিনি কিনা সন্ধির পরে এসে পৌছেছিলেন?? এখন ঐ সাহাবি রাদিঃ কে ফিরিয়ে দিয়ে কি রাসূল সাঃ ভূল করেছেন এমন বলতে পারবেন আপনি? তাহলে কেন চুক্তি হওয়ার পর তালেবান অন্যদেরকে সেই চুক্তি মানতে বাধ্য করা শরীয়াহ বহির্ভুত হবে?

            প্রিয় ভাই কষ্ট করে জানাবেন ইন শা আল্লাহ।

            ঐ একই ভিডিওতে আরেকটা প্রশ্নের জবাবে শায়েখ বলেছেন “প্রশ্নটা আমাদের পলিসির সাথে সম্পৃক্ত যে, যদি কেউ (আলকায়েদা হোক বা অন্য কেউ) আফগান ভূমি ব্যাবহার করে অন্য দেশের ক্ষতি করতে চায় তাহলে আমরা আইনগতভাবে ঘোষণা দিচ্ছি, তারা যেন এটা না করে। এর মানে তাদেরকে বাধা দেওয়ার জন্য দরকারি পদক্ষেপ নিতে আমরা বাধ্য থাকব””””””

            এইখানে আমি প্রথমে বলব {{{{এই খানে ব্র্যাকেটে আলকায়েদা বা অন্য কেউ লাগাতে কে বলেছে ???আর পুর্বে যেভাবে বলেছি যদি বুজিয়েও থাকেন তাহলে কি চুক্তির রক্ষার মাসায়ালা অনুযায়ী সেটা শরীয়াহ বহির্ভুত ?? }}}}}

            আর শায়েখের বক্তব্যে বলেছেন ” আফগান ভূমি ব্যাবহার করে অন্য দেশের ক্ষতি করতে চায় তাহলে আমরা আইনগতভাবে ঘোষণা দিচ্ছি, তারা যেন এটা না করে। এর মানে তাদেরকে বাধা দেওয়ার জন্য দরকারি পদক্ষেপ নিতে আমরা বাধ্য থাকব””””””

            এখন এটা কি শরীয়াহ বহির্ভুত কিছু বলেছেন। অবশ্যই চুক্তি রক্ষা করতে পদক্ষেপ নেওয়া তালেবানের কেন যেকোন মুসলিমরই দায়িত্ব।

            অর্থাৎ যতগুলো ভিডিও উনারা চুক্তি মানার কথা বলেছেন সেখানে উনারা ইসলাম বহির্ভুত কিছু বলেন নাই।

            আর আল কায়েদার বর্তমানে আফগান ভুমি ছাড়াও অনেক ভুমি আছে যেখান থেকে তারা তালেবানের চুক্তি মেনে জিহাদ চালিয়ে যেতে পারবে ইন শা আল্লাহ

            এই হচ্ছে একটা ভিডিও এর ব্যাপারে আমার বক্তব্য

            বাকি আপনি চাইলে বাকি ভিডিও গুলোর বিশ্লেষণ তুলে ধরার চেষ্টা করব ইন শা আল্লাহ।

            মূলত বিশ্লেষণ না, আমি আপনাকে বলতে চাচ্ছি ভাই বুজার ভূল হচ্ছে। তাই উলটা পালটা কথা না বলাই ভালো। তালেবান এর কি বক্তব্য প্রধানে ভূল হতে পারে না?? যখন তাদের নেটিভ ভাষা ইংরেজি না, তাই ইংরেজিতে কথা বলতে গিয়ে ভূল হতেই পারে। এছাড়া অনিচ্ছাকৃত ভুলও হতে পারে। (যেমন আমেরিকাকে বন্ধুর কথা)

            আর বাকী লিখাগুলো যা দিয়েছেন সেগুলো ভালোভাবে পড়ে দেখা চেষ্টা করব ইন শা আল্লাহ। দোয়া করবেন ইন শা আল্লাহ

            আর আমার এই বক্তব্যে শরয়ী কোনো ভুল থাকলে আপনি অবশ্যই আমাকে জানাবেন ইন শা আল্লাহ । বানান ভূল হতে পারে। শব্দচয়নে ভূল হতে পারে। তাই অগ্রিম ক্ষমা প্রার্থী।

            ভাই বেশি বেশি দোয়ার আহ্বান আমার এবং আপনার জন্য। ইন শা আল্লাহ।

        • প্রথমত, আপনি “”তালেবান এর কি বক্তব্য প্রধানে ভূল হতে পারে না?? যখন তাদের নেটিভ ভাষা ইংরেজি না, তাই ইংরেজিতে কথা বলতে গিয়ে ভূল হতেই পারে। এছাড়া অনিচ্ছাকৃত ভুলও হতে পারে। (যেমন আমেরিকাকে বন্ধুর কথা)””
          এই কথাগুলো বলার মাধ্যমে তালেবানকে বাঁচানোর চেষ্টা করেছেন, অথচ তারা সরাসরি বলেছে,তারা তাগুতের বন্ধু হতে চায়! “তাগুতের সাথে বন্ধুত্ব করতে চাই” এই কথা ভুলে বলে পেলেছে?!! তারা কী স্বীকার করেছে যে, তারা ভুলে বলেছে? সুতরাং আমরা কেন বলবো তারা ভুল করে বলেছে?!!
          দ্বিতীয়ত, আপনি বলছেন,””এইখানে আমি প্রথমে বলব {{{{এই খানে ব্র্যাকেটে আলকায়েদা বা অন্য কেউ লাগাতে কে বলেছে ???””
          এখানে তিনি আল-কায়দাসহ অন্য সবাইকে বুঝিয়েছেন। এটা স্পষ্ট।কারণ সাংবাদিক ওনাকে আল-কায়দা ও আইএস সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে,বিশেষ করে সে বারবার আল-কায়দা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছে।

  3. অনেকটা এরকম প্রশ্ন করেছিলো এক সংশয়গ্রস্থ ভাই। তার প্রশ্ন ও জবাব তুলে ধরা হলোঃ

    Assalamu Alaikum.I have a question to our respected Umara , is it Wajib to give allegiance (Bayah) to Islamic Emirates of Afghanistan? As this not a Khilafah, rather it’s an Islamic State. Besides, their operation is limited to Afghanistan. They don’t have any global thinking or operation. Recently, they have said “China is our friend and we’ll not patronze Uyghur Militant (!).” Many of their activities are against Muslim. Why did they arrange meeting with Russia and China who are our enemies ??? I think I am not bound to give bayah to them. I refuse to confer allegiance to them. I won’t be astonished when Taliban will try to become a member of UN! I think Taliban can be our strategic friend, not an actual friend. Taliban become corrupted after the death of Amirul Mu’minin Mullah Mohammad Omar (Rah.). They are now hankering after Power, Money, and Wealth.

    প্রিয় ভাই,
    প্রথম প্রশ্ন হচ্ছে এটা যেহেতু খিলাফাহ না তাই তাদেরকে আমাদের বায়াত দেয়া কি ওয়াজিব কি না?
    উত্তরঃ সাধারণ মুসলিম হিসেবে এখানে বায়াতবদ্ধ হওয়ার কোন বাধ্যবাধকতা নেই কারন এটা কোন খিলাফত নয়। তারা যদি এটাকে খিলাফাহ বলে সবার কাছ থেকে বায়াত আশা করে আর যারা এই বায়াত কে ওয়াজিব মনে করবে না তারা কুফুরি করলো এমনটা ভাবলে, তাদের মধ্যে আর জামাতুল বাগদাদীর মধ্যে পার্থক্য রইলো কি? এখন তাহলে প্রশ্ন তাঞ্জিম আল-কায়দা কেন তাদেরকে বায়াত দিলো বা এই বায়াত কিসে বায়াত?
    উত্তরঃ এটা স্পষ্টতই যুদ্ধের আমীরের বায়াত যাকে আরবীতে আমরা জানি আমীরুল মুজাহিদীন। এবং আল-কায়েদা তার আনুষ্ঠানিক সদস্য সংগঠন ছাড়া এ ব্যাপারে আর কাউকে এটা বলেন না যে তালেবানকে জিহাদের আমীর মানতে। এটা কি খটকা শোনায় কি যে তারা যারা গ্লোবাল জিহাদ করে তারা কিভাবে একটা লোকাল জিহাদের আন্ডারে থেকে কাজ করে! বরং উল্টোটা হওয়ার কথা ছিলো। তাই নয় কি?
    উত্তরঃ না। কারন আল-কায়েদার এই গ্লোবাল প্ল্যাটফর্মে জিহাদের কাজের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত যারা আঞ্জাম দিয়েছে তারা হলো তালিবান! হ্যা, ৯০ এর দশকের আফ্রিকায় যতগুলো আমেরিকান কন্স্যুলেটে হামলা হয়েছে তা থেকে শুরু করে নাইন-ইলেভেন সব আক্রমনের ট্রেইনিং ক্যাম্পের আঞ্জামদাতা ছিলো তালেবান। শুধু কি এতটুকুই এক ওসামা বিন লাদেন কে আমেরিকার হাতে তুলে না দেয়ায় পৃথিবীর বুকে আশা জাগানীয়া সেই ইসলামী রাষ্ট্রের স্বপ্নকে কিছুদিনের জন্য শহীহ করে দিতে হয়েছিলো। আর সেই সাথে ন্যটোর হাতে শহিদ হতে শুরু করে হাজার হাজার আফগান মুজাহিদ। কেন? শুধুমাত্র একজন ওসামা বিন লাদেনের জন্য। হাদিসের এই আমলের জন্য যে, তুমি তোমার মুসলিম ভাইকে কুফফারদের হাতে তুলে দিবে না। এক ওসামা যদি আমাদের না থাকতো আমরা অন্তত আজ যেই গ্লোবাল তানজিম দেখছি তা ভাবারও সাহস হতো না। আল্লাহু আ’লাম।
    এতো গেলো তাদের কিছু ত্যাগের গল্প। তাহলে এটা কি কেবলই কৃতজ্ঞতার বায়াত?
    না, এটা আসলে কাধে কাধ মিলিয়ে যুদ্ধের মায়দানে থাকার বায়াত। হাল আমলেও আমেরিকার সাথে শান্তি চুক্তিতেও তালেবান আল-কায়দার সাথে সম্পর্ক ছিন্নের কথা অস্বীকার করে। বাহ্যত আমরা আজ যেই গ্লোবাল তানজিম দেখছি এটা আসলে তাদের আঞ্জাম আর মদদেই হাটি হাটি পা পা করে এগিয়েছে যার মুল নেতৃত্বে বরাবরই ছিলেন খোরাসানের বিজ্ঞ উমারাগন আলহামদুলিল্লাহ। তাই আমরা যারা এখন গ্লোবাল আর লোকাল জিহাদ ভেবে ব্যাপারটাকে গুলিয়ে ফেলছি আসলে তাঞ্জিমের উমারারা সেভাবে অহংকারী হলে তো কবেই ল্যাটা চুকে যেত! আল্লাহ হেফাজত করুক। আশা করি এই বায়াতের ব্যাপারটা বোঝা গেছে যে, এটা কোন আম বায়াত নয়।

    পরের প্রশ্ন, Besides, their operation is limited to Afghanistan. They don’t have any global thinking or operation. Recently, they have said “China is our friend and we’ll not patronze Uyghur Militant (!).” Many of their activities are against Muslim. Why did they arrange meeting with Russia and China who are our enemies ???

    উত্তরঃ এই প্রশ্নের উত্তর আমি এর আগেও দেয়ার চেষ্টা করেছি ভাই। আবার সামান্য প্র‍য়াস করছি। লোকাল-গ্লোবাল ব্যাপারটা আমাদের হয়তো ক্লিয়ার না ভাই।
    তালিবান যেখানে গ্লোবাল অপারেশনের জন্য আল-কায়েদা নামক তার আলাদা একটা জামায়াত/বিভাগকে কাজ দিয়ে রেখেছে সেখানে আবার আলাদা করে এটার কাজ ইমারাতে ইসলামীয়্যাহ থেকে কি করবে যারা আফগানিস্তানের ইসলাম কায়েমের জন্য বিদেশী ও তাদের দেশী দোসরদের সামলাতে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছে।
    হ্যা এটা বলা যেতে পারে তাহলে তারা গ্লোবাল কোন বিষয়েই মাথা ঘামাবেনা। তাহলে তারা কেন চায়না, রাশিয়ার সাথে বসে? আসলে পাশের কাফের ভুখন্ডের সাথে কি অর্থনৈতিক ও ব্যবসায়িক সম্পর্ক না রেখেই রাসুল (স.) ও খেলাফতের খলিফারা তাদের রাষ্ট্র পরিচালনা করেছেন? আর না তালিবান সবাইকে ঢোল পিটিয়ে বলে “এ ব্যাপারে আমাদের কোন মন্তব্য নেই, আপনারা আমাদের আন্তর্জাতিক বিভাগ তথা আল-কায়েদার সাথে যোগাযোগ করুন!” আসলে এটা একটা কৌশলগত অবস্থান।

    তাহলে মুল যুদ্ধের পার্শ্বশত্রুর সাথে আচরনের মুল ভিত্তি কিভাবে হবে? এই প্রশ্নের উত্তরটা খুজতে হলে আমাদের চলে যাওয়া লাগবে রাসুল (স.) এর সিয়াসি(রাজনৈতিক) আক্বিদা ও কর্মকান্ডে। আমরা দেখবো যে, মদীনায় ইসলামী রাস্ট্র কায়েমের জন্য অভিশপ্ত ইহুদীদের সাথে তিনি মদীনায় গিয়েই চুক্তিবদ্ধ হন, মক্কায় থাকাকালীন তিনি সেই আবু লাহাবের ঘরে রাজনৈতিক আশ্রয় নেন যাকে ইতিমধ্যে কুরআনে সুরা লাহাবের মাধ্যমে ভর্তসনা করা হয়েছে, রাসুল (স.) মক্কার নবুওয়াতী জীবনে আবু তালেবের ঘরেই নিরাপত্তার জন্য থেকেছেন যে ছিলো আমরন কুফুরির ওপর, তিনি মদীনায় এক কাফের গোত্রর সাথে নিরাপত্তা চুক্তি করে অন্য কাফের গোত্রকে শায়েস্তা করেছেন, আবার মদীনা ও আশপাশের এলাকা বিজয় হয়ে যাবার পর চুক্তিতে গিয়েছেন বড় বড় সাম্রাজ্যের সাথে। এরকম আরো অনেক রাজনৈতিক কৌশল রাসুল (স.) অবলম্বন করেছিলেন। তাহলে রাসুল (স.) কি কুফফারদের সাথে বারা’আতে ত্রুটি করেছেন! নাউজুবিল্লহি মিন জালিক! সীরাতে শিক্ষা এটাই যে রাজনৈতিক শত্রুর তালিকা নিরাপত্তা ও অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে হওয়া লাগবে।
    এই উসুলের ভিত্তিতেই হতে পারে সরাসরি যুদ্ধের ময়দানে সামরিক কোন কৌশল অবলম্বন করা একইভাবে তা হতে পারে তাগুত রাষ্ট্রগুলোর সাথে কোন কূটনৈতিক বা রাজনৈতিক কৌশল । এগুলো আমরা যতো তাড়াতাড়ি বুঝবো এবং মেনে নিবো তা আমাদের জন্য ততোই ভালো ।

    তালিবানদের জন্য এখন মূল উদ্দেশ্য ই হল সর্বপ্রথম অ্যামেরিকাকে যেকোনোভাবে হটিয়ে আফগানিস্তানে ইসলামী ইমারাত প্রতিষ্ঠা করে ইসলামী শাসনবেবস্থা কায়েম করে নিজেরা সবদিক থেকে শক্তিশালী হওয়া । এরপর না হয় এক এক করে সব দেখে নেওয়া যাবে ইনশাআল্লাহ । কিন্তু এখন সব যায়গায় কড়া বিবৃতি হুমকি ধমকি দিয়ে চারিদিকে শত্রুতা বাড়িয়ে দেওয়া হল ইমারাত প্রতিষ্ঠার কাজকে দূরে ঠেলে দেওয়া ছাড়া বৈ কিছুই না । আর একটা যোদ্ধা গোষ্ঠীর পক্ষে সকল ফ্রন্টে শত্রুতা বাড়িয়ে সবার সাথে একইসাথে বিভিন্ন পার্শ্বীয় যুদ্ধে জড়ানো মানে হল নিজেদের পরাজয় ডেকে আনা । যেমন টা দাওলার(আই.এস.) ক্ষেত্রে আমরা সবাই দেখেছি । দাওলা একসাথে সবদিকে হুমকি ধমকি দিয়ে চারিদিকে নিজের শত্রুতা বাড়িয়ে দিনশেষে নিজেই কিন্তু শেষ হয়ে গিয়েছে যা আমরা সবাই জানি । তাই কিছু করার সামর্থ্য না থাকলে বড় বড় কথা বা হুমকি ধমকি দেওয়া আল কায়দা বা তালিবানের মানহাজ নয় ।

    তালিবানও জামাতুল বাগদাদীর মতো হুমকি ধমকি দিলে হয়তো আমাদের আবেগি ভাইরা খুশি হবে কিন্তু বাস্তবে এর দ্বারা কি ই বা অর্জিত হবে ভাই ? যেমন সিরিয়ায় বিবৃতি দিয়ে বাস্তবিক অর্থেই ইসলাম ও উম্মতের এই মুহূর্তে কি ই বা ফায়দা হবে ! বরং কাজ যা করার দরকার তা তো চলছেই যা আমরা সবাই দেখছি ।

    রাশিয়ার সাথে সরাসরি শত্রুতা করে এখন ইমারাতের কি লাভ হবে ! বরং পার্শ্ব শত্রু বাড়বে ।

    আর উইঘুর মুসলিমদের ব্যাপারে চিন্তা করা যাক, তালিবান নিজেই যেখানে বহিঃশত্রু দ্বারা আক্রান্ত সেখানে ওনাদের কতোটুকু সামর্থ্য আছে চায়না এটাক করে উইঘুর মুসলিমদের উদ্ধার করার।

    আরাকানের মুসলিমদের জন্য যদিও তারা বিবৃতি দিয়েছে কারন মিয়ান্মারের সাথে তাদের সরাসরি শত্রুতার বা ঝামেলার কোন সম্ভাবনা নেই। কিন্তু তাতে রোহিঙ্গা ভাই-বোনদের কিই বা আসলে উপকার হয়েছে! বিবৃতির এক্টিভ লিংক আমি দিয়ে দিলাম, যাচাই করার সুবিধার্থে

    ( Statement of Islamic Emirate regarding Genocide of Muslims in Burma
    Islamic Emirate of Afghanistan
    13/12/1438 Hijri Lunar
    13/06/1396 Hijri Solar 04/09/2017 Gregorian
    https://alemarahenglish.net/?p=19404
    )

    তবে, Many of their activities are against Muslim! এটা রীতিমতো অপবাদ হয়ে গেলো ভাই! এটা তো সেই কথা যা বলা হয়েছিলো রাসুল (স)কে এই যে, সে কিভাবে কাফিরের হাতে মুসলিমদের তুলে দেয়ার চুক্তি করে মুসলিমদের ক্ষতিসাধন করতে পারে! নাইযুবিল্লাহি মিন যালিক! এটা বলা হয়েছিলো যখন সে মক্কার মুশরিকদের সাথে চুক্তি বদ্ধ হয় যে, তোমাদের থেকে কোন মুসলিম দাস মদীনায় চলে আসলে আমরা তাদেরকে মক্কায় ফেরত পাঠিয়ে দেবো। এবং আবু বাসীর (রা.) এর মতো অসংখ্য ত্যাগী সাহাবীদেরকে বারংবার ফেরতও পাঠানো হয়েছিল এবং তাদেরকে ফেরত পাওয়ার পর তাদের ওপর নির্যাতন চালাতো মক্কার মুশরিকরা। তাই বলে কি এটা তাদেরকে বিপদের মুখে ফেলা হয়েছিল? না বরং সীরাত থেকে আমরা জানি আবু বাসীর (রা.) নেতৃত্বে পরবর্তীকালে মক্কায় বন্দী সাহাবীগন মক্কার ব্যাবসায়ী কাফেলার ওপর চোরাগোপ্তা হামলার মাধ্যমে রীতিমতো বিপদে ফেলে দিয়েছিলো। এবং এই দলটা পরবর্তীতে মক্কা বিজয়ে বেশ ভুমিকা রাখে। সুবহানআল্লাহ!

    আল্লাহ আমাদেরকে সীরাত পরিপূর্ণ বোঝার ও আমল করার তাওফীক দান করুক। আমীন।

    I won’t be astonished when Taliban will try to become a member of UN! I think Taliban can be our strategic friend, not an actual friend. Taliban become corrupted after the death of Amirul Mu’minin Mullah Mohammad Omar (Rah.). They are now hankering after Power, Money, and Wealth.

    শেষের কথাগুলোও আমাকে অবাক করে দিয়েছে ভাই! Taliban become corrupted after the death of Amirul Mu’minin Mullah Mohammad Omar (Rah.). They are now hankering after Power, Money, and Wealth.

    এরকম একই মস্তিষ্কপ্রসুত এলিগেশন/অভিযোগে অভিযুক্ত করে মিথ্যা অপবাদ দেয়া হয়েছিলো আই.এস. থেকে আল-কায়েদাকে! তারা বলেছিলো, al-qaeda become corrupted after the death of Amirul Mujahidin Usama bin laden (Rah.). They are now hankering after Power, Money, and Wealth!

    শুধু একটা পয়েন্ট বলি, উপরেও বলেছিলাম শান্তি চুক্তিতেও আল-কায়দার সাথে সম্পর্ক ছিন্নের কথা অস্বীকার করাতেই কিন্তু আমেরিকা চুক্তি থেকে পিছিয়ে গেছে তারপরও তারা আল-কায়েদার সাথে সম্পর্ক বিচ্ছিন্নের ওয়াদাতে যায় নি। যার কারনে আফগান যুদ্ধ এত দীর্ঘায়িত হলো। আল্লাহু আ’লাম। মোল্লা ঊমর রাহি. এর মৃত্যুর পরই তারা কি চাইলে আল-কায়েদার থাকে নিজেকে বিচ্ছিন্ন করার ওয়াদা করে আমেরিকার সাথে চুক্তিতে যেতে পারতেন না? ক্ষমতা,টাকা আর সম্পদের জন্য যদি এতই কেউ লোভী হয় তাহলে যেই দলের জন্য ক্ষমতা, টাকা আর সম্পদ আসছে না সেই দলের সাথে এভাবে সম্পর্ক রাখে!

    আমাদের এই অপবাদেরর যদি কোন নির্ভরযোগ্য যাচাইকৃত ভিত্তি/তথ্য থাকে তাহলে তো ভাই ঠিক আছে তবে না থাকলে কোন মুমিনকে অপবাদ দেয়ার গুনাহ থেকে আল্লাহ আমাদের হেফাজত করুক! আমীন

    ভাই হিসেবে বিশেষ কিছু কথাঃ

    তালেবানকে নিজেদের দল মনে করে আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য এই লেখাগুলো আমি লেখিনি। আর তোমাকেও আমার মতো ভাবা লাগবে এমনটা জরুরি না। তবে তালেবান নয় এরকম হাজারটা ফিতনা আসলে আমরা কিভাবে হক আর বাতিল আলাদা করতে পারবো তার কিছু শরীয়তী উসুল আমি তোমাকে জানাইঃ
    ১। কিতাবুল্লাহ ও সুন্নাতে রাসুলুল্লাহকে আকড়ে ধরা, তা’রিখ(ইতিহাস) ও সীরাতে রাসুলকে পরিপূর্ণভাবে বুঝে অধ্যয়ন করা।
    ২। খিলাফাহ, দ্বীন কায়েমের মিনহাজ, উলিল আমর, সিয়াসী আক্বীদা বিষয়ক সালাফগনের কিতাব, ও মতামত অধ্যয়ন করা।
    ৩। মুমিন মুজাহিদ ভাইদের বিবৃতি/ডকুমেন্টারি/নিউজের প্রতি অহেতুক সন্দেহে না ভোগা ও অনুমান নির্ভর দোষারোপ না করা এবং হারবি কাফেরদের বিবৃতি/ডকুমেন্টারি/নিউজকে সরল মনে বিশ্বাস না করা। এটা একটা জরুরি উসুল।
    ৪। যুগে যুগে এটাই দেখা গেছে যে একই সাথে একটা হক জামায়াতের সব আলেম/উমারা একসাথে গোমরাহ হন নি। এরকমটা হলে হক এই জামানা পর্যন্ত জিন্দাই থাকতো না! এই উসুলটাও স্মরনে রাখা। তাই উমারাদের কৌশলগত সিদ্ধান্ত মেনে নেয়া।
    ৫/ সর্বোপরি খালিসভাবে আল্লাহর কাছে এই দুয়া করা যে আল্লাহ যেনো আমাদের হক ও বাতিল, ঈমান ও কুফর, তাওহীদ ও শিরক পরিপূর্ণভাবে বুঝার ও তার উপর আমল করার তাওফীক দান করেন।

    (এখানে যা যা লিখেছি তার সব আমার ছোট মাথার ছোট বুঝ থেকে লিখা। তুমি যদি তারপরও কোন বিষয়ে একমত না হও তাহলে আমাকে জানিও আমি উপরের কোন সিনিয়র ভাইয়ের সাথে কথা বলে জানানোর চেষ্ট করবো ইনশাআল্লাহ)

    ————–

    ক্ষতিসমুহঃ
    ✘সীরাতে ইতিহাস ও সিয়াসি আক্বীদা না জেনে-বুঝে বা এব্যাপারে সালাফদের কিতাবাদী না পড়ে বা কোন আলীমের দারস্থ হয়ে ব্যাপারগুলো না খোলাসা হয়েই আমরা যদি এভাবে ঢালাওভাবে মুমিনভাইকে দোষারোপ করা শুরু করি তাহলে তা মুবাহালা হয়ে যেতে পারে।
    ✘গ্লোবাল যেই জিহাদের অংশ আমি হতে চাই সেই তাঞ্জিমই তো তাদের কাছে বায়াতবদ্ধ। তাহলে তাদের বায়াত অস্বীকার করা মানে গ্লোবাল তাঞ্জিমের বায়াতকেই অস্বীকার করার শামিল। আর যদি ভাবি যে গ্লোবাল তাঞ্জিমকে অস্বীকার করা হবে না, তাহলে তার মানে এই দাঁড়ায় যে বাগান পরিচর্যা করবো, বাগানের মালীর সাথে কাজে সাহায্যও করবো কিন্তু মালীর ম্যানেজারের কথা আমি শুনতে বাধ্য না! ম্যানেজার যদি তার নির্দেশনা বাগানের মালীকে দেন তা মানবো না মালী বললে মানবো! ব্যাপারটা আসলে কতটা উদ্ভট হয়ে যায়। তাই নয় কি?
    ✘এখন কি তাহলে গ্লোবাল জিহাদের ভিন্ন/বিকল্প কোন পরিকল্পনা করে এই জিহাদের কাজকে বেগবান করা সম্ভব। যদি সম্ভব হয় তাহলেই কেবল আমরা গ্লোবাল তাঞ্জিমের বায়াতকে বিচ্ছিন্ন করতে পারি। তাহলে কি সেই সেই বিকল্প?
    ✘আমরা যদি এই গ্লোবাল তাঞ্জিমের আনুগিত্যের বাইরে যাই তাহলে তাওহীদ আল হাকিমিয়্যাহ, আল-অয়ালা ওয়াল-বারা ইত্যাদির ব্যাপারে তাহলে কে হকের স্পষ্ট দাওয়াত দেবে? কে গনতন্ত্র, জাতীয়তাবাদ, মানব-রচিত আইনের কুফরি সম্পর্কে উম্মাহকে সতর্ক করবে ভাই!?
    ✘ ফিতনার এই যুগে অনেক মানুষকেই এই ফিনতাগুলোর ব্যাপারে ধোয়াশায় আছেন। আল্লাহ আমাদের সত্য জানানোর পরও জামায়াতকে ছেড়ে দিয়ে পিছনে পড়ে থাকলে আল্লাহর দরবারে আমরা কি জবাব দিবো ভাই!

    Clafrification of Doubts

    Alhamdulillah, everything is clear now. Now I understand the emmergence of Islamic Media.Previoulsy I thought that investment behind the media is nothing but the wastage of money. I thought why did Mujahidin waste their money to make Videos and Infography ? Rather they could help Muslim brothers and sisters who are starving for foods ! I think our media brothers should clearify the statement of Kuffar regarding Taliban and its Allies. Otherwise, we will misunderstand them.

    * Bhai, I can’t type Bangla in PT. Avro keyboard diew Bangla likha jasse na.

    —-আলহামদুলিল্লাহ! আচ্ছা ভাই। আমার মনে হয় রেগুলার বেসিস এ আমাদের এবিষয়ক সীরাত ও ইজমায় কি বলা হয়েছে পড়াশুনা করা উচিত। তাহলে ব্যাপারগুলো আরো ক্লিয়ার হবে ইনশাআল্লাহ। এই বিষয়ক পড়াশুনার জন্য কি প্ল্যান হতে পারে এব্যাপারে আমদের পরবর্তী সাক্ষাতে বিস্তারিত কথা হবে ইনশাআল্লাহ। আর পরবর্তীতেও কোন প্রশ্ন থাকলে তুমি করতে পারো। তবে কুফফারদের কোন মিডিয়ার ওপর নির্ভর করে বা এমন কোন মিডিয়া যা আসলে জিহাদ ও মুজাহিদদের পক্ষে নয় এমন তথ্য সুত্রের ওপর বিশ্বাস স্থাপন করে ফেললে সেইটা বিপদজনক হবে। তারা তাদের শ্রোতা ও দর্শকদেরকে জিহাদ ও মুজাহিদদের ব্যাপারে বিভ্রান্ত করবে এটাই স্বাভাবিক। আশা করবো এরকম কোন মিডিয়ার কোন বক্তব্যে আমরা বিভ্রান্ত না হই। অনেকটা সিদ্ধান্ত নিয়েই ফেলেছি তারপর প্রশ্ন করছি ব্যাপারটা যেন এমন না হয় প্রিয় ভাই। কোন দ্বিধা থাকলে সেটা সামনে আনাই ভালো তবে তাদের সৃষ্ট সংশয়ের ভিক্টিম পক্ষ মানে মুজাহিদদের নির্ভর‍যোগ্য সুত্রের বক্তব্য এবং দ্বীন ইসলামে এর ব্যাপারের বিস্তারিত হুকুম কি সেই উত্তর না খুজেই সিদ্ধান্তে আসাটা বুদ্ধির কাজ নয়। বরং আমাদের উমারাদের সিদ্ধান্ত গুলোকে মেনে নেয়াই মুমিন ও সচেতন মানুষ হিসেবে দায়িত্ব। উমারাগন আসলে উপর থেকে বিগ পিকচারটা দেখেন। তারা মিডিয়ার প্রয়োজন হলে সাধ্য ও গুরুত্বের ভিত্তিতে তা করার সিদ্ধান্ত নেন। তাদের কোন ফ্রন্টে যুদ্ধ করার প্রয়োজন পড়লে সাধ্য ও গুরুত্বের ভিত্তিতে তা করার সিদ্ধান্ত নেন। আর আমরা বিগ পিকচারটা দেখি না। তাই মুমিন হিসেবে ময়দানের অভিজ্ঞ আলীম মুজাহিদদের ওপর আস্থা রাখাই আমাদের কাজ। পরিশেষে এই দুয়া করছি, আল্লাহ আমাদের জন্য বরকতময় এই জিহাদের কাজে আঞ্জাম দেয়া সহজ করুক। আমীন।

  4. মুহতারাম আবদুল্লাহ ভাই, আপনি কি এগুলো তালিবান মুজাহিদ গণের ওয়েবসাইটে পেয়েছেন। যদি এই তথ্য গুলো নির্ভরযোগ্য কোনো সূত্র থেকে পেয়ে থাকেন তাহলে আমাকে এই সূত্র গুলোর ব্যাপারে জানানোর অনুরোধ রইলো। ইনশাল্লাহ আমি আপনার প্রশ্নগুলোর সঠিক সমাধান দেওয়ার চেষ্টা করবো।

    • আমি তালেবানকে মুরতাদ মনে করি না,বরং তাদের গোমড়াহ মনে করি। এর বিভিন্ন কারণ আছে। যেমন- তারা তাগুত শাসকদের, মুসলিম বলে; মুরতাদদের জন্য দোয়া করে;তাগুতের সাথে বন্ধুত্ব করার কথা বলে;কাফেরদের তৈরি সীমানার বাইরে, প্রতিবেশী দারুল কুফরের সাথে বন্ধুত্ব করার কথা বলে;মুশরিক শিয়াদের, মুসলিমদের ভাই বলে; তারা বেদাতি ইত্যাদি। ইনশাআল্লাহ আমি এর প্রত্যেকটির দলিল প্রমাণ দিবো। বর্তমানে মুজাহিদদের দখলকৃত জায়গা ছাড়া বাকিগুলো দারুল হারব।
      এই ভিডিওগুলো দেখুন- https://youtube.com/playlist?list=PLp8nLkjKayTa_Rg-LZUxA82kpEFjuSqDk
      (নিচের কথাগুলো ইমারত, মোল্লা উমর মুজাহিদ রহ. এর নামে প্রকাশ করেছে)
      ইমারত থেকে বলা হয়েছে, “আফগানিস্তানের ইসলামিক ইমারত সকল দেশের মুসলিম(!?) শাসকদের আহবান করছে, যেন তারা আল-আকসা মসজিদ রক্ষা করতে, আমেরিকান স্বার্থ রক্ষা করতে নয়, এবং কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ইসলামী ও মানবিক দায়িত্ব পালন করে মুসলিমদের প্রথম কিবলার উপর ইসরাইলী আক্রমণ প্রতিরোধ একটি ইসলামী ঐক্যজোট তৈরি করেন করতে। ইসলামি দেশের শাসকদের এটি একটি কর্তব্য যেন তারা তাদের মতবিরোধ পাশে রাখেন এবং আল-আকসা মসজিদকে রক্ষা করার দায়িত্ব কাঁধে নেন। (ইহুদিদের আল-আকসা মসজিদ দখল করার ব্যাপারে আফগানিস্তানের ইমারতের বার্তা)

      মোল্লাহ উমার বলেছেন, “অনুরূপভাবে, আমরা বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানাচ্ছি মহামান্য (!?) কাতারের আমীর, শায়খ তামিম ইবন হামিদ ইবন খালিফাহ আল-সানিকে তার আন্তরিক প্রচেষ্টার জন্য ও মধ্যস্থতাকারী হিসেবে তার সফল ভূমিকার জন্য, পূর্বে বর্নিত নেতাদের রেহাই পাওয়ার ব্যাপারে এবং তাদেরকে আপ্যায়ন করার জন্য। আমি আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করছি যেন তিনি মহামান্যকে এই দুনিয়াতে উত্তম প্রতিদ প্রতিদান করেন এবং পরকালে মহাপুরস্কার প্রদান করেন”। (গুয়ান্তানামো কারাগার থেকে মুজাহিদীন নেতাদের রেহাই পাওয়ার ব্যাপারে অভিনন্দন বার্তা)
      ইমারত থেকে আরও বলা হয়, “এবং এটা উল্লেখ করা উচিৎ, আমরা আমাদের ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা জানাই আমাদের ভাতৃ-প্রতীম কাতার এবং এর সম্মানিত আমির, মহামান্য(!?) শায়খ হামিদ ইবন খালিফাহ্ আল-সানিকে আল্লাহ তাঁকে হেফাযত করুন তার দেশে ইসলামিক ইমারতের একটি রাজনৈতিক কার্যালয় খুলতে রাজি হওয়ার জন্য এবং এর সাথে সম্পৃক্ত সুযোগ-সুবিধা প্রদান করার জন্য” (কাতারে আফগানিস্তানের ইমারতের রাজনৈতিক কার্যালয় খোলার ব্যাপারে বার্তা)।

      মোল্লাহ উমার আরও বলেছেন, “আফগানিস্তানের ইসলামিক ইমারত বহির্বিশ্বের সাথে পারস্পরিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করতে চায় আর বিশেষভাবে মুসলিম বিশ্বের সাথে এবং প্রতিবেশী(!?) দেশের সাথে ইসলামিক শিক্ষা ও জাতীয় স্বার্থের আলোকে পারস্পরিক সম্মান এবং পারস্পরিক সার্থের পরিবেশ বজায় রাখতে চায়। এটা কারো কোন ব্যাপারে নাক গলাতে যায় না এবং অন্যদেরকে এর বিষয়ে নাক গলাতে দেয় না। ইসলামী ইমারত বিশ্বকে নিশ্চিত করছে যে, এর ভূমি কাউকে অন্যের বিরুদ্ধে ব্যবহার করতে দেয় না, অনুরূপভাবে, প্রকাশ্য ভাবে ঘোষণা দিচ্ছে যে, এটা ইসলাম ধর্মের শিক্ষার আলোকে এবং আমাদের জাতীয় সার্থের আলোকে সকল আন্তর্জাতিক আইনসমূহ ও চুক্তিকে সম্মান করে। আমরা অভিনন্দন জানাই ঐ সকল সরকার যারা গণ-বিপ্লবের পরে ক্ষমতায় এসেছে এবং আরবদেরকে তাদের নতুন জীবন ও অবস্থার প্রতি এবং আমরা তাদের অগ্রগতি, উজ্জ্বল ভবিষ্যত এবং তাদের জীবনে ইসলামী শিক্ষার আনুগত্যের জন্য দুয়া করি”। (১৪৩৩ সনের বরকতময় ইদ-উল-ফিতর উপলক্ষে একটি বার্তা)

      ইমারত থেকে আরও বলা হয়, “ইসলামিক ইমারত বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলির সাথে এবং অঞ্চলের অন্যান্য রাষ্ট্রের সাথে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা এবং পারস্পরিক সম্মান অনুযায়ী কাজ করতে চায়। ইসলামী ইমারত পূর্বে কারো ক্ষতি করেনি, এখনও করে এবং ভবিষ্যতেও করবে না। অনুরুপভাবে, এটা কাউকে আফগানের ভূমিকে অন্য কারো বিরুদ্ধে ব্যবহার করতে দেয় না”। (ফ্রান্সের গবেষণা সম্মেলনে ইমারতের ঘোষণাপত্র)

      ইসলামী ইমারতের আনুষ্ঠানিক মুখপাত্র বলেন, “সম্প্রতি অঞ্চলের কিছু রাষ্ট্র- ইন্ডিয়া, চীন ও রাশিয়া- উদ্বেগ প্রকাশ করেছে যে, যদি আমেরিকান বাহিনীকে আফগানিস্তান থেকে সরিয়ে নেওয়া হয় এবং তারা এ অঞ্চল পরিত্যাগ করে, তাহলে এ অঞ্চলে একটা অস্থিরতার পরিস্থিতি তৈরি হবে এবং এ অঞ্চলের রাষ্ট্রসমূহ আফগানিস্তান থেকে হুমকির সম্মুখীন হবে। আমরা এরূপ উদ্বেগকে পশ্চিমা গোয়েন্দা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত মিডিয়ার নেতিবাচক প্রভাব হিসেবে দেখছি এবং আমরা এ অঞ্চলের রাষ্ট্রগুলোকে অনুরোধ করছি, যেন তারা নিজেদের জন্য তথ্য নিরূপণ করে নেন এবং বাস্তব পরিস্থিতির আলোকে বার্তা প্রচার করেন। ইসলামিক ইমারত জবাবদিহিতার ভুমিকায়, সবাইকে নিশ্চিত করছে যে, আফগানিস্তান থেকে এ অঞ্চলের কোন রাষ্ট্রের প্রতি বা কোন প্রতিবেশী রাষ্ট্রের প্রতি কোন প্রকার ক্ষতি আসবে না(!?)। আমরা আমাদের জাতির জন্য এবং এ অঞ্চলের জন্য নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা করতে চাই (এ অঞ্চলের কিছু রাষ্ট্রের উদ্বেগ প্রসঙ্গে ইমারতের মুখপাত্রের মন্তব্য)।

      ইমারত থেকে বলা হয়েছে, “সুতরাং এর উপর ভিত্তি করে ইসলামী ইমারত, সঙ্গতিপূর্ণ এবং যুক্তিসম্মত পররাষ্ট্র নীতির আলোকে পারস্পরিক সম্মান, সমতা এবং একে অপরের অভ্যন্তরীণ বিষয়ের ওপর হস্তক্ষেপ না করার মূলনীতির ওপর ভিত্তি করে, কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করেছে অঞ্চলের রাষ্ট্রসমূহের সাথে ও বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলের সাথে। ইমারত রাজনৈতিক সম্পর্কের পরিমণ্ডলকে আরও বর্ধিত করতে চায়, এবং ইরানের অনুরূপভাবে বিশ্বের সাথে প্রসারিত হতে চায়। ইসলামিক রাষ্ট্র ইরানের সাথে আমাদের সম্পর্ক হল সেই শিকলের একটি আংটা। অনুরোধ এবং আহবান, ইসলামি ইমারতের রাজনৈতিক কার্যালয় প্রধানের প্রতিনিধিদল ও ও সহায়ককে সাথে নিয়ে সাক্ষাৎ করা এবং ইরানী কর্মকর্তাদের ইতিবাচক আলোচনা এ সবই হল যে ইসলামী ইমারতের সঠিক, বিচক্ষণ, যুক্তিসঙ্গত এবং স্বাধীন পররাষ্ট্র নীতির স্পষ্ট প্রমাণ। অধিকন্তু, প্রতিনিধি দলের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নতির প্রচেষ্টা এবং আফগান অভিবাসীদের বিষয়টিকে নিয়ে তাদের আলোচনা করা এটাই প্রমাণ করে যে, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সাথে সম্পর্ক গড়ে তোলার মূখ্য ও প্রাথমিক উদ্দেশ্য হল আফগান জাতির ইচ্ছা ও আকাঙ্ক্ষা পুরণ করা এবং জাতির সর্বোচ্চ স্বার্থ অর্জন করা ছাড়া আর কিছু নয়। ইরান একটি ইসলামিক জাতি, যার আফগানিস্তানের সাথে সীমান্ত রয়েছে, এর মধ্যে ২ মিলিয়নের বেশি আফগানরা আছেন, এর কাছে অনেক প্রাকৃতিক তেল রয়েছে এবং তাদের অর্থনৈতিক অবস্থা ভাল, এর একটি সমুদ্র সৈকত রয়েছে এবং এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ জাতি এই অঞ্চলের মধ্যে এবং সমগ্র বিশ্বে। এসব স্বার্থই এই দুই দেশকে একত্রে আনে এবং একে অপরের সাথে ভাল ব্যবহার করতে বাধ্য করে সাধারণ জনগনের স্বার্থে, প্রতিবেশী দেশ হিসেবে এবং রাজনৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক বন্ধনকে অটুট রাখতে (ইমারতের পররাষ্ট্রনীতি জাতির সর্বোচ্চ স্বার্থকে চিত্রিত করে)

      ইমারত থেকে আরও বুলা হয়েছে, “ফারস সংবাদ-প্রতিষ্ঠান একটি সংবাদ প্রচার করেছে ইসলামী ইমারতের প্রতিনিধিদলের ইসলামিক প্রজাতন্ত্র ইরানের সাথে সাক্ষাত করার ব্যাপারে, এবং ইসলামী ইমারত এই সংবাদকে নিশ্চিত ও সমর্থন করছে। সম্প্রতি, ইসলামী ইমারতের রাজনৈতিক শাখার প্রধান দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিনিধিদল ইরানের রাজধানী তেহরানে তিন দিনের সফরে যান। এ সফরের উদ্দেশ্য ছিল দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করা এবং প্রতিনিধিদল ফিরে এসেছেন উপরোক্ত বিষয়ের উপর আলোচনার পর। […] সফরকালীন অবস্থায়ু, যা ইরানী সরকারের আনুষ্ঠানিক আহ্বানের মাধ্যমে হয়েছিল, ইসলামী ইমারত সাধারণ লোকজন ও মুজাহিদীনদের বার্তা ও প্রয়োজনের কথা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদল সমূহের কানে পৌঁছে দিতে সফল হয়েছে। তারা ইসলামিক প্রজাতন্ত্র ইরানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে তথ্য প্রদান এবং বিভিন্ন বিষয়ে ইতিবাচক আলোচনা করেছেন।[…] আমাদের অবশ্যই এটা বলা উচিত যে ইসলামি ইমারত সর্বদা এ অঞ্চলের রাস্ট্রসমূহের সাথে ও বিশ্বের অন্যান্য রাষ্ট্রের সাথে পারস্পরিক সম্মান কাঠামোর আলোকে সম্পর্ক অটুট রাখতে চেয়েছে এবং এ ব্যাপারে এখনও কোন ব্যতিক্রম নেই”। (আল-কারি মুহামামদ ইউসুফ আহমাদির বক্তব্য, ইসলামি ইমারতের ইসলামিক প্রজাতন্ত্র ইরানের সাথে সাক্ষাতের ব্যাপারে)
      মোল্লা ওমর বলেছেন, “এটা প্রত্যেক মুসলিমের জন্য দায়িত্ব যে, সে এই ধূর্ত শত্রুর সর্বপ্রকার অভিশপ্ত চক্রান্তসমূহকে ব্যাহত করে এবং তাকে মুসলিমদের মধ্যে বিভাজনের আগুন জালানোর সুযোগ না দেয়। আমেরিকানদের কর্মপন্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হল ইরাকের মুসলিমদেরকে শ্রেণীবিভক্ত করা, শিয়া এবং সুন্নি আখ্যায়িত করার মাধ্যমে এবং আফগানিস্তানে পাশতুন, তাজিক, হাযারী ও উজুবেক এর মাধ্যমে, করে গণআন্দোলনের ও তার সাথে সশস্ত্র প্রতিরোধের জোর ও কাঠিন্য হ্রাস পায়।[…] অতএব, আমি ইরাকের ভাইদেরকে অনুরোধ করছি। শিয়া ও সুন্নীর নামে যে পার্থক্য রয়েছে তাকে পেছনে রেখে দখলদার শত্রুর বিরুদ্ধে এক হয়ে লড়তে, কারণ বিজয় একতা ছাড়া সম্ভব নয়”। (ইরাক ও আফগানিস্তানের মুজাহিদ জাতির প্রতি বার্তা)

  5. মারুফ ভাই জাজাকাল্লাহ
    আপনার জবাবটা চমৎকার হয়েছে।
    আল্লাহ তায়ালা অই প্রশ্ন কারি ভাইকে বুঝার তাউফিক দান করুন আমিন
    এবং আমাদেরকে ও হক্কে চিনার এবং হকের সঙ্গে চিরকাল থাকার তাউফিক দান করুন আমিন

    • আমি তালেবানকে মুরতাদ মনে করি না,বরং তাদের গোমড়াহ মনে করি। এর বিভিন্ন কারণ আছে। যেমন- তারা তাগুত শাসকদের, মুসলিম বলে; মুরতাদদের জন্য দোয়া করে;তাগুতের সাথে বন্ধুত্ব করার কথা বলে;কাফেরদের তৈরি সীমানার বাইরে, প্রতিবেশী দারুল কুফরের সাথে বন্ধুত্ব করার কথা বলে;মুশরিক শিয়াদের, মুসলিমদের ভাই বলে; তারা বেদাতি ইত্যাদি। ইনশাআল্লাহ আমি এর প্রত্যেকটির দলিল প্রমাণ দিবো। বর্তমানে মুজাহিদদের দখলকৃত জায়গা ছাড়া বাকিগুলো দারুল হারব।
      এই ভিডিওগুলো দেখুন- https://youtube.com/playlist?list=PLp8nLkjKayTa_Rg-LZUxA82kpEFjuSqDk
      (নিচের কথাগুলো ইমারত, মোল্লা উমর মুজাহিদ রহ. এর নামে প্রকাশ করেছে)
      ইমারত থেকে বলা হয়েছে, “আফগানিস্তানের ইসলামিক ইমারত সকল দেশের মুসলিম(!?) শাসকদের আহবান করছে, যেন তারা আল-আকসা মসজিদ রক্ষা করতে, আমেরিকান স্বার্থ রক্ষা করতে নয়, এবং কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ইসলামী ও মানবিক দায়িত্ব পালন করে মুসলিমদের প্রথম কিবলার উপর ইসরাইলী আক্রমণ প্রতিরোধ একটি ইসলামী ঐক্যজোট তৈরি করেন করতে। ইসলামি দেশের শাসকদের এটি একটি কর্তব্য যেন তারা তাদের মতবিরোধ পাশে রাখেন এবং আল-আকসা মসজিদকে রক্ষা করার দায়িত্ব কাঁধে নেন। (ইহুদিদের আল-আকসা মসজিদ দখল করার ব্যাপারে আফগানিস্তানের ইমারতের বার্তা)

      মোল্লাহ উমার বলেছেন, “অনুরূপভাবে, আমরা বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানাচ্ছি মহামান্য (!?) কাতারের আমীর, শায়খ তামিম ইবন হামিদ ইবন খালিফাহ আল-সানিকে তার আন্তরিক প্রচেষ্টার জন্য ও মধ্যস্থতাকারী হিসেবে তার সফল ভূমিকার জন্য, পূর্বে বর্নিত নেতাদের রেহাই পাওয়ার ব্যাপারে এবং তাদেরকে আপ্যায়ন করার জন্য। আমি আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করছি যেন তিনি মহামান্যকে এই দুনিয়াতে উত্তম প্রতিদ প্রতিদান করেন এবং পরকালে মহাপুরস্কার প্রদান করেন”। (গুয়ান্তানামো কারাগার থেকে মুজাহিদীন নেতাদের রেহাই পাওয়ার ব্যাপারে অভিনন্দন বার্তা)
      ইমারত থেকে আরও বলা হয়, “এবং এটা উল্লেখ করা উচিৎ, আমরা আমাদের ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা জানাই আমাদের ভাতৃ-প্রতীম কাতার এবং এর সম্মানিত আমির, মহামান্য(!?) শায়খ হামিদ ইবন খালিফাহ্ আল-সানিকে আল্লাহ তাঁকে হেফাযত করুন তার দেশে ইসলামিক ইমারতের একটি রাজনৈতিক কার্যালয় খুলতে রাজি হওয়ার জন্য এবং এর সাথে সম্পৃক্ত সুযোগ-সুবিধা প্রদান করার জন্য” (কাতারে আফগানিস্তানের ইমারতের রাজনৈতিক কার্যালয় খোলার ব্যাপারে বার্তা)।

      মোল্লাহ উমার আরও বলেছেন, “আফগানিস্তানের ইসলামিক ইমারত বহির্বিশ্বের সাথে পারস্পরিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করতে চায় আর বিশেষভাবে মুসলিম বিশ্বের সাথে এবং প্রতিবেশী(!?) দেশের সাথে ইসলামিক শিক্ষা ও জাতীয় স্বার্থের আলোকে পারস্পরিক সম্মান এবং পারস্পরিক সার্থের পরিবেশ বজায় রাখতে চায়। এটা কারো কোন ব্যাপারে নাক গলাতে যায় না এবং অন্যদেরকে এর বিষয়ে নাক গলাতে দেয় না। ইসলামী ইমারত বিশ্বকে নিশ্চিত করছে যে, এর ভূমি কাউকে অন্যের বিরুদ্ধে ব্যবহার করতে দেয় না, অনুরূপভাবে, প্রকাশ্য ভাবে ঘোষণা দিচ্ছে যে, এটা ইসলাম ধর্মের শিক্ষার আলোকে এবং আমাদের জাতীয় সার্থের আলোকে সকল আন্তর্জাতিক আইনসমূহ ও চুক্তিকে সম্মান করে। আমরা অভিনন্দন জানাই ঐ সকল সরকার যারা গণ-বিপ্লবের পরে ক্ষমতায় এসেছে এবং আরবদেরকে তাদের নতুন জীবন ও অবস্থার প্রতি এবং আমরা তাদের অগ্রগতি, উজ্জ্বল ভবিষ্যত এবং তাদের জীবনে ইসলামী শিক্ষার আনুগত্যের জন্য দুয়া করি”। (১৪৩৩ সনের বরকতময় ইদ-উল-ফিতর উপলক্ষে একটি বার্তা)

      ইমারত থেকে আরও বলা হয়, “ইসলামিক ইমারত বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলির সাথে এবং অঞ্চলের অন্যান্য রাষ্ট্রের সাথে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা এবং পারস্পরিক সম্মান অনুযায়ী কাজ করতে চায়। ইসলামী ইমারত পূর্বে কারো ক্ষতি করেনি, এখনও করে এবং ভবিষ্যতেও করবে না। অনুরুপভাবে, এটা কাউকে আফগানের ভূমিকে অন্য কারো বিরুদ্ধে ব্যবহার করতে দেয় না”। (ফ্রান্সের গবেষণা সম্মেলনে ইমারতের ঘোষণাপত্র)

      ইসলামী ইমারতের আনুষ্ঠানিক মুখপাত্র বলেন, “সম্প্রতি অঞ্চলের কিছু রাষ্ট্র- ইন্ডিয়া, চীন ও রাশিয়া- উদ্বেগ প্রকাশ করেছে যে, যদি আমেরিকান বাহিনীকে আফগানিস্তান থেকে সরিয়ে নেওয়া হয় এবং তারা এ অঞ্চল পরিত্যাগ করে, তাহলে এ অঞ্চলে একটা অস্থিরতার পরিস্থিতি তৈরি হবে এবং এ অঞ্চলের রাষ্ট্রসমূহ আফগানিস্তান থেকে হুমকির সম্মুখীন হবে। আমরা এরূপ উদ্বেগকে পশ্চিমা গোয়েন্দা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত মিডিয়ার নেতিবাচক প্রভাব হিসেবে দেখছি এবং আমরা এ অঞ্চলের রাষ্ট্রগুলোকে অনুরোধ করছি, যেন তারা নিজেদের জন্য তথ্য নিরূপণ করে নেন এবং বাস্তব পরিস্থিতির আলোকে বার্তা প্রচার করেন। ইসলামিক ইমারত জবাবদিহিতার ভুমিকায়, সবাইকে নিশ্চিত করছে যে, আফগানিস্তান থেকে এ অঞ্চলের কোন রাষ্ট্রের প্রতি বা কোন প্রতিবেশী রাষ্ট্রের প্রতি কোন প্রকার ক্ষতি আসবে না(!?)। আমরা আমাদের জাতির জন্য এবং এ অঞ্চলের জন্য নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা করতে চাই (এ অঞ্চলের কিছু রাষ্ট্রের উদ্বেগ প্রসঙ্গে ইমারতের মুখপাত্রের মন্তব্য)।

      ইমারত থেকে বলা হয়েছে, “সুতরাং এর উপর ভিত্তি করে ইসলামী ইমারত, সঙ্গতিপূর্ণ এবং যুক্তিসম্মত পররাষ্ট্র নীতির আলোকে পারস্পরিক সম্মান, সমতা এবং একে অপরের অভ্যন্তরীণ বিষয়ের ওপর হস্তক্ষেপ না করার মূলনীতির ওপর ভিত্তি করে, কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করেছে অঞ্চলের রাষ্ট্রসমূহের সাথে ও বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলের সাথে। ইমারত রাজনৈতিক সম্পর্কের পরিমণ্ডলকে আরও বর্ধিত করতে চায়, এবং ইরানের অনুরূপভাবে বিশ্বের সাথে প্রসারিত হতে চায়। ইসলামিক রাষ্ট্র ইরানের সাথে আমাদের সম্পর্ক হল সেই শিকলের একটি আংটা। অনুরোধ এবং আহবান, ইসলামি ইমারতের রাজনৈতিক কার্যালয় প্রধানের প্রতিনিধিদল ও ও সহায়ককে সাথে নিয়ে সাক্ষাৎ করা এবং ইরানী কর্মকর্তাদের ইতিবাচক আলোচনা এ সবই হল যে ইসলামী ইমারতের সঠিক, বিচক্ষণ, যুক্তিসঙ্গত এবং স্বাধীন পররাষ্ট্র নীতির স্পষ্ট প্রমাণ। অধিকন্তু, প্রতিনিধি দলের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নতির প্রচেষ্টা এবং আফগান অভিবাসীদের বিষয়টিকে নিয়ে তাদের আলোচনা করা এটাই প্রমাণ করে যে, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সাথে সম্পর্ক গড়ে তোলার মূখ্য ও প্রাথমিক উদ্দেশ্য হল আফগান জাতির ইচ্ছা ও আকাঙ্ক্ষা পুরণ করা এবং জাতির সর্বোচ্চ স্বার্থ অর্জন করা ছাড়া আর কিছু নয়। ইরান একটি ইসলামিক জাতি, যার আফগানিস্তানের সাথে সীমান্ত রয়েছে, এর মধ্যে ২ মিলিয়নের বেশি আফগানরা আছেন, এর কাছে অনেক প্রাকৃতিক তেল রয়েছে এবং তাদের অর্থনৈতিক অবস্থা ভাল, এর একটি সমুদ্র সৈকত রয়েছে এবং এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ জাতি এই অঞ্চলের মধ্যে এবং সমগ্র বিশ্বে। এসব স্বার্থই এই দুই দেশকে একত্রে আনে এবং একে অপরের সাথে ভাল ব্যবহার করতে বাধ্য করে সাধারণ জনগনের স্বার্থে, প্রতিবেশী দেশ হিসেবে এবং রাজনৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক বন্ধনকে অটুট রাখতে (ইমারতের পররাষ্ট্রনীতি জাতির সর্বোচ্চ স্বার্থকে চিত্রিত করে)

      ইমারত থেকে আরও বুলা হয়েছে, “ফারস সংবাদ-প্রতিষ্ঠান একটি সংবাদ প্রচার করেছে ইসলামী ইমারতের প্রতিনিধিদলের ইসলামিক প্রজাতন্ত্র ইরানের সাথে সাক্ষাত করার ব্যাপারে, এবং ইসলামী ইমারত এই সংবাদকে নিশ্চিত ও সমর্থন করছে। সম্প্রতি, ইসলামী ইমারতের রাজনৈতিক শাখার প্রধান দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিনিধিদল ইরানের রাজধানী তেহরানে তিন দিনের সফরে যান। এ সফরের উদ্দেশ্য ছিল দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করা এবং প্রতিনিধিদল ফিরে এসেছেন উপরোক্ত বিষয়ের উপর আলোচনার পর। […] সফরকালীন অবস্থায়ু, যা ইরানী সরকারের আনুষ্ঠানিক আহ্বানের মাধ্যমে হয়েছিল, ইসলামী ইমারত সাধারণ লোকজন ও মুজাহিদীনদের বার্তা ও প্রয়োজনের কথা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদল সমূহের কানে পৌঁছে দিতে সফল হয়েছে। তারা ইসলামিক প্রজাতন্ত্র ইরানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে তথ্য প্রদান এবং বিভিন্ন বিষয়ে ইতিবাচক আলোচনা করেছেন।[…] আমাদের অবশ্যই এটা বলা উচিত যে ইসলামি ইমারত সর্বদা এ অঞ্চলের রাস্ট্রসমূহের সাথে ও বিশ্বের অন্যান্য রাষ্ট্রের সাথে পারস্পরিক সম্মান কাঠামোর আলোকে সম্পর্ক অটুট রাখতে চেয়েছে এবং এ ব্যাপারে এখনও কোন ব্যতিক্রম নেই”। (আল-কারি মুহামামদ ইউসুফ আহমাদির বক্তব্য, ইসলামি ইমারতের ইসলামিক প্রজাতন্ত্র ইরানের সাথে সাক্ষাতের ব্যাপারে)
      মোল্লা ওমর বলেছেন, “এটা প্রত্যেক মুসলিমের জন্য দায়িত্ব যে, সে এই ধূর্ত শত্রুর সর্বপ্রকার অভিশপ্ত চক্রান্তসমূহকে ব্যাহত করে এবং তাকে মুসলিমদের মধ্যে বিভাজনের আগুন জালানোর সুযোগ না দেয়। আমেরিকানদের কর্মপন্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হল ইরাকের মুসলিমদেরকে শ্রেণীবিভক্ত করা, শিয়া এবং সুন্নি আখ্যায়িত করার মাধ্যমে এবং আফগানিস্তানে পাশতুন, তাজিক, হাযারী ও উজুবেক এর মাধ্যমে, করে গণআন্দোলনের ও তার সাথে সশস্ত্র প্রতিরোধের জোর ও কাঠিন্য হ্রাস পায়।[…] অতএব, আমি ইরাকের ভাইদেরকে অনুরোধ করছি। শিয়া ও সুন্নীর নামে যে পার্থক্য রয়েছে তাকে পেছনে রেখে দখলদার শত্রুর বিরুদ্ধে এক হয়ে লড়তে, কারণ বিজয় একতা ছাড়া সম্ভব নয়”। (ইরাক ও আফগানিস্তানের মুজাহিদ জাতির প্রতি বার্তা)

  6. ভাই, আপনাকে ভালো ভেবে উত্তর দেওয়ার আশা করেছিলাম কিন্তু এখন দেখছি আপনি চরম পর্যায়ের মিথ্যুক। প্রথমত আপনি প্রশ্ন করার ক্ষেত্রে মিথ্যার আশ্রয় নিয়েছেন। দ্বিতীয়ত আপনি যে ভিডিও দিয়েছেন সেগুলো তালিবান মুজাহিদ গণের নির্ভরযোগ্য কোনো ওয়েবসাইট নয়। তৃতীয়ত আপনি কথায় কথায় বলেছেন, “মোল্লা ওমর বলেছেন” অথচ মোল্লা ওমর রহিঃ চুক্তির বহু আগে রবের সান্নিধ্যে পারি জমিয়েছেন।
    মোট কথা আপনি আপনার প্রত্যেকটি কথার ভিত্তি রেখেছেন, মিথ্যার উপর। আর আপনার কথা অনুযায়ী আজ থেকে চৌদ্দ শত বছর পূর্বে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম খারেজী ছিলেন। কারণ তিনি মক্কার মুশরিকদের সাথে হুদাইবিয়াতে, মদিনার ইহুদীদের সাথে চুক্তি করেছেন। নাউযুবিল্লাহ। উম্মাহর ইজমা ভুল ছিলো। আপনি তো কুরআনের আয়াত অস্বীকার করেছেন। আল্লাহ বলেন, وإن جنحوا للسلم فاجنح لها وتوكل على الله যদি তারা চুক্তির দিকে ঝুঁকে তাহলে তোমরাও ঝুঁকে পড়ো এবং আল্লাহর উপর ভরসা করো। সূরা আনফাল (৬১) ।অবশেষে বলবো, আপনি কোনো আলিম নন। তাই সময় থাকতে একজন ভালো আলিমের সাথে পরামর্শ করে নিজের অবস্থান ঠিক করুন। আল্লাহ তা’আলা আমাদের হক বুঝার তাওফীক দান করুন। আমীন ইয়া রব্বাল আলামীন।

  7. এক ভাইয়ের লিখা (দাওয়াহ ইলাল্লাহ থেকে কালেক্টেড)

    যুদ্ধ বিরতি চুক্তি : পরিচয়, শরয়ী বিধান, বর্তমান প্রেক্ষাপট

    الحمد لله رب العالمين والصلاة والسلام على رسول الله محمد وعلى آله وصحبه أجمعين أما بعد فاللهم أرنا الحق حقا وارزقنا اتباعه وأرنا الباطل باطلا وارزقنا اجتنابه
    পর কথা,
    আমেরিকার সাথে তালিবান মুজাহিদগণের চুক্তির পর থেকে বিভিন্ন ভাইদের থেকে বিভিন্ন রকম মন্তব্য আসছে। আর সম্ভবত মন্তব্যগুলো ঐ সকল ভাইদের পক্ষ থেকে যারা মুজাহিদগণের সাথে কোনো সম্পর্ক রাখেন না কিংবা রাখলেও জোরালো সম্পর্ক নয়। অথবা তারা আইসিস দ্বারা প্রভাবিত। এর কিছু মন্তব্য খন্ডন করে দাওয়াহ ইলাল্লাহয় মুহতারাম ইলম ও জিহাদ ভাই, মুহতারাম আদনান মারুফ ভাই, মুহতারাম সুন্নী জিহাদী ভাই, মুহতারাম আবু উসাইমিন ভাইগণের পোস্টগুলো উল্লেখযোগ্য। তাই মুহতারাম ভাইগণের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। তাদের কিছু মন্তব্য নিম্নরূপ:
    ১. তালিবানদের আমেরিকার সাথে চুক্তি করা ঠিক হয়নি।
    ২. তালিবান কি জাতীয়তাবাদী হয়ে গেল নাকি? যে, তারা এখন শুধু নিজেদের ভূখন্ড নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়লো। তারা কি অন্য দেশ গুলো জয় করবে না?
    ৩. তালিবান মনে হয় মুসলিম নামধারী মুরতাদ শাসক গোষ্ঠীকে মুসলিম মনে করে।
    ৪. তালিবান কি আল কায়দার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করবে।
    ৫. তালিবান কোমলপন্থি আর আল কায়দা চরম পন্থি ; কারণ তালিবান মুসলিম নামধারী শাসকদের মুরতাদ বলে না।

    মূল আলোচনা

    যুদ্ধ বিরতি চুক্তি هدنة أو موادعة أو سلم) পরিচয় :

    শাব্দিক অর্থে: هدنة শব্দটি هدن থেকে অর্থ হলো স্থির হয়ে যাওয়া, موادعة শব্দটি ودع থেকে অর্থ হলো ছেড়ে দেওয়া, سلم শব্দটি سَلِم থেকে অর্থ হলো মুক্তি পাওয়া। ( আল মুগরিব ফী তারতীবিল মু’রিব : ১/৪১১, ২/৩৪৬, ২/৩৮১, আল ইনায়াহ ফাতহুল কাদীরের সাথে : ৫/৪৪০, আল মাওসুআতুল ফিকহিয়্যাহ আল কুয়েতিয়্যাহ : ৪২/২০৫)

    শরয়ী পরিভাষায় এই তিনটি শব্দের অর্থ হলো, মুসলিমদের কল্যাণার্থে যুদ্ধ বিরতির চুক্তি করা। ( আল মুগরিব : ১/৪১১, ২/৩৪৬, ২/৩৮১, আল ইনায়াহ : ৫/৪৪০, ফাতাওয়ায়ে হিন্দিয়্যাহ : ২/১১৭)

    যুদ্ধ বিরতি চুক্তির শরয়ী বিধান:

    এই চুক্তি কুরআন, সুন্নাহ ও ইজমায়ে উম্মাহ দ্বারা প্রমাণিত।
    কুরআন থেকে দলীল :

    কুরআন থেকে দলীল :
    وإن جنحوا للسلم فاجنح لها وتوكل على الله
    যদি তারা ( কাফেররা) চুক্তির দিকে ঝুঁকে পড়ে তাহলে তোমরাও চুক্তির দিকে ঝুঁকে পড়ো এবং আল্লাহর উপর ভরসা করো। (সূরা আনফাল :৬১)
    উল্লেখ্য যে, আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাঃ ও কাতাদা রাঃ থেকে বর্ণিত আছে এই আয়াতটি পরবর্তী কিতালের আয়াত দ্বারা রহিত হয়ে গেছে। তাই এই ক্ষেত্রে জুমহুর উলামায়ে কেরাম বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মাদীনায় বিভিন্ন ইহুদী গোত্রের সাথে চুক্তি করেছেন। মুশরিকদের সাথে চুক্তি করেছেন। হুদায়বিয়ায় সন্ধি করেছেন। আর এই চুক্তি গুলো ছিলো মুসলিমদের দুর্বলতার কারণে। পরবর্তীতে যখন মুসলিমরা শক্তিশালী হয় তখন আল্লাহ তা’আলা তাদের সাথে ক্বিতালের নির্দেশ দেন। সুতরাং এখানে বিধানদ্বয় ভিন্ন ভিন্ন দুইটি অবস্থায় এসেছে তাই বিধানদ্বয়কে নিজ অবস্থায় রেখে দেওয়া হবে। অর্থাৎ মুসলমানরা দুর্বল হলে তাদের কল্যাণার্থে সন্ধি বৈধ হবে। আর শক্তিশালী হলে ক্বিতাল করতে হবে। ( আহকামুল কুরআন লিল জাসসাস রহিঃ থেকে সংক্ষেপে : ৩/৮৯)

    সুন্নাহ থেকে দলীল:

    নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হুদায়বিয়াতে কাফিরদের সাথে সন্ধি করেছেন। (মুসনাদু আহমাদ : সুনানু আবী দাউদ:২৭৬০, মুসনাদু আহমদ : ১৮৯১০, নসবুর রায়াহ:৩/৩৮৮)

    ইজমায়ে উম্মাহ থেকে দলীল :

    সমস্ত ফুকাহায়ে কেরাম এ ব্যাপারে একমত হয়েছেন যে, অমুসলিমদের সাথে মুসলিমদের কল্যাণার্থে যুদ্ধ বিরতি চুক্তি করা বৈধ। ( বাদায়েয়ুস সানায়ে’:৯/৩৬৯, ফাতহুল কাদীর:৫/৪৪০, ফাতাওয়ায়ে হিন্দিয়্যাহ:২/২১৭, শরহুয যারক্বানী:৩/১৪৮,মুগনিল মুহতাজ: ৪/২৬০, আল মাওসুআতুল ফিকহিয়্যাহ আল কুয়েতিয়্যাহ : ৪২/২০৭)
    কিছু উদ্ধৃতি তুলে ধরছি, ইমাম আলী আল মারগিনানী রহিঃ বলেন,
    وإذا رأي الإمام أن يصالح أهل الحرب أو فريقا منهم بمال أو بغير مال وكان ذلك مصلحة المسلمين فلا بأس به لقوله تعالى وإن للسلم فاجنح لها وتوكل على الله
    যদি ইমাম হরবীদের সাথে কিংবা হরবীদের কোনো একটি দলের সম্পদের বিনিময়ে কিংবা সম্পদ ছাড়া সন্ধি করতে চায় এবং তাতে মুসলমানদের কল্যাণ থাকে তাহলে তাতে কোনো সমস্যা নেই ; কারণ আল্লাহ তা’আলা বলেছেন,যদি তারা ( কাফেররা) চুক্তির দিকে ঝুঁকে পড়ে তাহলে তোমরাও চুক্তির দিকে ঝুঁকে পড়ো এবং আল্লাহর উপর ভরসা করো। (সূরা আনফাল :৬১) (হেদয়াহ:৪/১৭১, ফাতহুল কাদীর:৫/৪৪০)

    সন্ধির কিছু শর্ত:

    ১. মুসলিমদের জন্য কল্যাণকর হতে হবে। যদি কল্যাণকর না হয় সন্ধি বৈধ হবে না।
    ২. শরীয়াহ বিরোধী কোনো শর্ত থাকতে পারবে না। যেমন: কোনো অমুসলিম মুসলিম হয়ে মুসলমানদের নিকট আশ্রয় নিলে তাকে কাফেরদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া ইত্যাদি) এই দুইটি শর্ত সর্বসম্মতিক্রমে।
    ৩. চুক্তির সময় নির্ধারণ করা।
    ৪. ইমাম বা ইমামের নায়েব উপস্থিত থাকা
    এই দুইটি শর্তের ক্ষেত্রে ইখতিলাফ হয়েছে, হানাফী উলামায়ে কেরাম বলেন, সময় নির্দিষ্ট করার প্রয়োজন নেই ; কারণ কুরআনের আয়াত এই ক্ষেত্রে ব্যাপক। তাতে সময় নির্ধারণ করার কথা নেই। তদ্রূপ ভাবে চতুর্থ শর্তটিও। (দেখুন: ফাতাওয়ে হিন্দিয়্যাহ : ২/২১৭-২১৮, আল মাওসুআহ:৪২/২০৭-২১৬)

    এতক্ষণ আমরা সন্ধির পরিচয়, শর্ত, শরয়ী অবস্থান নিয়ে আলোচনা করেছি। এখন আমরা একটু আফগান চুক্তির সাথে মিলিয়ে দেখবো যাতে করে আমরা এই খারেজিদের ফেতনা থেকে বাঁচতে পারি এবং মুজাহিদগণের ব্যাপারে পরিপূর্ণ আস্থা লাভ করতে পারি।
    আমরা একটি কথা সর্বদা মাথায় রাখবো। তাহলো সন্ধিকে বিধিবদ্ধ করাই হয়েছে মুসলিমদের কল্যাণার্থে যাতে করে মুসলিমরা এই সময় শক্তি অর্জন করতে পারে। মুসলিমদের শক্তি থাকলে সন্ধি বৈধ নয়। কারণ তখন তাতে মুসলিমদের কল্যাণ থাকে না। (আহকামুল কুরআন লিল জাসসাস : ৩/৮৯)

    এখন আমরা মূল আলোচনায় আসি, প্রথমে আমরা তালিবান মুজাহিদগণের শর্তাবলী উল্লেখ করছি।
    ১. আমেরিকা চুক্তির পর ১৪ মাস সময়ের মধ্যে সমস্ত সেনা, গোয়েন্দা মোট কথা তাদের সমস্ত কর্মকর্তা প্রত্যাহার করে নিবে।
    ২. চুক্তির পর পাঁচ হাজার তালিবান বন্দি মুক্তি দিতে হবে। এর মধ্যে এক হাজার ১০ই মার্চ ২০২০ এর মধ্যে মুক্তি দিতে হবে। যাতে করে অভ্যন্তরীণ আলোচনা শুরু করা যায়।
    ৩. ১৬ ই আগস্ট ২০২০ এর আগে তালিবান নেতৃবৃন্দের নাম ব্ল্যাক লিস্ট থেকে মুছে দিতে হবে এবং তাদের মাথার যে মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে তা প্রত্যাহার করতে হবে।
    ৪. আমেরিকা আফগানের অভ্যন্তরীণ কোনো বিষয়ে হস্তক্ষেপ করতে পারবে না।
    ৫. আমেরিকা ও তার মিত্রদের বিরুদ্ধে আফগান ভূমি ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না।
    নিশ্চয়ই তালিবান মুজাহিদগণের চুক্তি মুসলিমদের কল্যাণেই হয়েছে ; কারণ দীর্ঘ চল্লিশ বছর লড়াইয়ে উম্মাহ এখন ক্লান্ত শ্রান্ত। অনেক শক্তি ক্ষয় হয়েছে। এখন তাদের প্রয়োজন আরো শক্তি অর্জন করা। এখানে একটি শর্তও শরীয়াহ বিরোধী নয়। আর যুদ্ধ বিরতি চুক্তি এমনই হয়ে থাকে। এখন কেউ বলতে পারে, পাঁচ নম্বর শর্তটি কেমন যেন মনে হচ্ছে? তাহলে আমরা বলবো এই শর্ত ছাড়া চুক্তি সম্ভবই নয়। এই শর্ত না থাকলে আবার যেই সেই। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হুদাইবিয়াতে এর চেয়ে আরো কঠোর শর্তে চুক্তি করেছেন। যেমন, মুসলিম হলে ফিরিয়ে দেওয়া। আর চুক্তির দাবিই হলো একে অপরকে আঘাত না করা। সুতরাং আমরা বলতে পারি তালিবান মুজাহিদ গণের এই চুক্তি শরীয়াহ সম্মত চুক্তি।
    এতক্ষণ ছিলো প্রথম আপত্তিটির জবাব।
    দুই, তালিবান মুজাহিদগণ যদি এই চুক্তির কারণে জাতীয়তাবাদী হয়ে থাকেন তাহলে চৌদ্দশত বছর পূর্বে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জাতীয়তাবাদী ছিলেন; কারণ তখন তিনি হুদাইবিয়াতে বলেছিলেন, আমরা তোমাদের উপর আঘাত করবো না তোমরাও আমাদের উপর আঘাত করবে না। ( সুনানু আবী দাউদ : ২৭৬০, সীরাতে ইবনে ইসহাক :৪৬২ আর রহীকুল মাখতুম :২৯৯)নাউযুবিল্লাহ। আরে ভাই যুদ্ধ বিরতি চুক্তিই এমন হয়। এতে জাতীয়তাবাদী হওয়ার কী আছে।
    তিন, তালিবান মুসলিম নামধারী শাসকদের মুসলিম মনে করলে এতোদিন দেশীয় মুরতাদ সরকারের সাথে লড়াই করতো না। আমেরিকা চলে গেলেই ক্ষান্ত হয়ে যেতো। আর স্বাভাবিক ভাবে যখন চুক্তি সঠিক প্রমাণিত হয়েছে তখন চুক্তিবদ্ধ দেশগুলোর সাথে যুদ্ধ বন্ধ রাখতে হবে এটাই শরীয়ার নির্দেশ।
    চার, তালিবান আল কায়দার সম্পর্ক হলো আমীর মা’মুরের। এখানে আর কিছু বললাম না। বুদ্ধিমানের জন্য ইঙ্গিতই যথেষ্ট।
    পাঁচ, এটা কখনোই সম্ভব না। কারণ তালিবান কোমলপন্থি হলে এতোদিন পর্যন্ত চরমপন্থি আল কায়দার সাথে সম্পর্ক রাখতো না। এবং তাদের বাইয়াহ নিতো না।

    অবশেষে একটি কথা বলে শেষ করছি, মুজাহিদ গণের কোনো বিষয় বুঝে না আসলে আল্লাহর কাছে বেশি বেশি দোয়া করবো এবং মুজাহিদ আলেম গণের নিকট থেকে বিষয়টি স্পষ্ট করে নিবো। শুধু শুধু না জেনে কোনো মন্তব্য করবো না।
    আল্লাহ তা’আলা আমাদের বুঝার ও আমল করার তাওফীক দান করুন। আমীন।

মন্তব্য করুন

দয়া করে আপনার মন্তব্য করুন!
দয়া করে এখানে আপনার নাম লিখুন