রাজধানীতে সন্ত্রাসী স্বেচ্ছাসেবক লীগের দু’গ্রুপে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ

2
606
রাজধানীতে সন্ত্রাসী স্বেচ্ছাসেবক লীগের দু’গ্রুপে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ

বালুর ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ ও চাঁদাবাজিকে কেন্দ্র করে রাজধানীর দারুস সালাম থানার সামনে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে জড়িয়েছে সন্ত্রাসী আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুটি গ্রুপ।

বুধবার(২৮ জুলাই) বিকাল সাড়ে ৫ টায় দারুস সালাম থানা থেকে কয়েকশ গজ সামনে (দারুসসালাম জোন এসির কার্যালয়ের) এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। খবর যুগান্তরের।

স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান দারুস সালাম থানা আওয়ামী সন্ত্রাসী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি ইসলাম গ্রুপ ও কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা নাবিল খান গ্রুপের মধ্যে বালুর ব্যবসাকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে প্রায় সময় দুগ্রুপের মধ্যে দখল পাল্টাদখলের ঘটনা ঘটত।

এদিন বিকালে দুগ্রুপের ৫ শতাধিক সদস্য নিজেদের মধ্যে রামদা, হকিস্টিক, বাঁশ, লাঠি, ইট-পাটকেল ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এসময় গুলির শব্দও পাওয়া যায়। এতে বেশ কয়েকজন হতাহত হয়। ঘটনাস্থালে পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত থাকলেও তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে নিতে পারেনি।

স্থানীয় বাসিন্দা ও সাবেক স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা মুরাদ হোসেন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ইট বালুর এ ব্যবসাটি আমার ছিল। স্বেচ্ছাসেব লীগের ইসলাম কিছু দিন আগে আমার কাছ থেকে জোর করে এ ব্যবসা ছিনিয়ে নেয়। আজ আবার আমার লোকজনের ওপর হামলা করেছে।

স্থানীয়ভাবে আরও জানা গেছে, এই গ্রুপের মধ্যে শুধু ইট-বালুর ব্যবসাই নয়, এলাকায় আধিপত্য, অভ্যন্তরীণ কোন্দল, ইয়াবা ব্যবসা, বাড়ি দখল, দিয়া বাড়ি ঘাটের চাঁদা, কোনাবাড়ির চাঁদা, রোড গার্মেন্টসের চাঁদা, বাস টার্মিনালের চাঁদা, এলাকার ময়লার টাকা, বালির গদি, মাজার রোড লেগুনার চাঁদাবাজিসহ নানা বিষয় নিয়ে বিভিন্ন সময় হামলা, মামলা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এসব সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে এলাকার সাধারণ মানুষের মধ্যে শুধু ভয় আর আতংক বিরাজ করছে।

2 মন্তব্যসমূহ

মন্তব্য করুন

দয়া করে আপনার মন্তব্য করুন!
দয়া করে এখানে আপনার নাম লিখুন