ফটো রিপোর্ট | এলিট ফোর্সের আদলে গঠিত তালিবানদের “ভিক্টোরিয়াস ফোর্স ও বদরী-৩১৩ ব্যাটালিয়ন

1
773
ফটো রিপোর্ট | এলিট ফোর্সের আদলে গঠিত তালিবানদের “ভিক্টোরিয়াস ফোর্স ও বদরী-৩১৩ ব্যাটালিয়ন

ক্রুসেডার মার্কিন বাহিনী আফগানিস্তান ছাড়ার পরেই দৃশ্যপটে তালিবানদের “ভিক্টোরিয়াস ফোর্স ও বদরী-৩১৩ ব্যাটালিয়ন”। গত ৩১ আগস্ট দাখলদার মার্কিন সেনারা রাজধানী কাবুলের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ছাড়ার পরেই বিশ্ব মিডিয়ার আলোচনায় তালিবানদের এই দুটি বিশেষ ব্যাটালিয়ন। যদিও ইতিপূর্বে তালিবানদের মিডিয়া শাখা তাদের স্পেশাল ফোর্সের একাধিক সামরিক ভিডিও গণমাধ্যমে প্রকাশ করেছে এবং সর্বশেষ চলিত মাসেও আফগানিস্তানের জাতীয় টেলিভিশনে এই ব্যাটালিয়নের ৩৮ মিনিটের একটি ভিডিও সম্প্রচারিত হয়েছে। যা দর্শকদের অবাক করে দিয়েছিল।

মূলত উন্নত বিশ্বের বিশেষ সামরিক বাহিনীর আদলে গড়ে তুলা হয়েছে এই ২টি ব্যাটালিয়নকে। যে কেউ প্রথমে এই ব্যাটালিয়নের সদস্যদের দেখলে পশ্চিমা এলিট বাহিনীর সদস্য হিসেবে গুলিয়ে ফেলতে পারে, কিন্তু বাস্তবে এরা হচ্ছেন, ইমারাতে ইসলামিয়ার অত্যাধুনিক সমরাস্ত্র সজ্জিত এবং উন্নত ট্রেনিং প্রাপ্ত মুজাহিদ ব্যাটালিয়ন।

৯০ দশকে আফগানের ক্ষমতায় থাকা তালিবানদের মত এই বাহনীর পোশাক ঢিলেঢালা পাঞ্জাবি আর পায়জামা নয় বরং পুরোদস্তুর আধুনিক সামরিক সরঞ্জাম সজ্জিত এই ব্যাটালিয়ন। নাইট ভিশন গগলস, বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট, আর হাতে M-4 এর মত অত্যাধুনিক রাইফেল। এসবের অধিকাংশই বিভিন্ন সামরিক ঘাঁটি বিজয়ের পর গনিমত পেয়েছিলেন তালিবান মুজাহিদিনরা।

তালিবান সূত্র জানায়, ইসলামী রাষ্ট্র ব্যবস্থার সুরক্ষার জন্য বিশেষভাবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে এসব আত্মত্যাগী যুবক মুজাহিদদের। যারা যে কোন মূল্যে যেকোনো ত্যাগ স্বীকার করতে এবং তাদের আমীরের আদেশের প্রতি সাড়া দিতে সর্বদা প্রস্তুত।

এই দু’টি বাহিনীর সদস্যরা বিশুদ্ধ আকিদাহ ও ইসলামিক চেতনার পাশাপাশি অত্যাধুনিক সামরিক প্রশিক্ষণে প্রশিক্ষিত। যারা ইসলামের পথে যেকোনো ত্যাগ স্বীকার করতে প্রস্তুত এবং দেশ ও জাতির নিরাপত্তা রক্ষায় তারা শহিদ হওয়াকে গর্বের ও মর্যাদার বিষয় মনে করে।

ইমারতে ইসলামিয়া তাদের বিভিন্ন সামরিক ভিডিওতে প্রচার করেছেন যে, আফগানিস্তানের নিরাপত্তার জন্য আধুনিক ভাবে গড়ে তোলা হয়েছে এই মুজাহিদদের। এরা সবাই তালিবান মুজাহিদদের মধ্যে বাছাইকৃত সবচেয়ে দক্ষ সেনা সদস্য। বর্তমানে রাজধানী কাবুল, মাজার-ই-শরিফ, পাঞ্জশির সহ সীমান্তবর্তী কয়েকটি প্রদেশে এই দুই ব্যাটালিয়নের মুজাহিদগণ নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত আছেন।

তালিবান মুখপাত্র- মুহতারাম জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ স্পেশাল ফোর্সের এসব মুজাহিদদের লক্ষ্য করে বলেন, আফগানিস্তানের এই স্বাধীনতার জন্য আপনাদের আত্মত্যাগ ও ভূমিকা অতুলনীয়।

ফটো রিপোর্টটি দেখুন-https://archive.org/details/taliban-elite-force


 

১টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

দয়া করে আপনার মন্তব্য করুন!
দয়া করে এখানে আপনার নাম লিখুন