সত্য প্রকাশের শাস্তি || মুসলিম নির্যাতনের খবর প্রচার করাই কি অপরাধ সাংবাদিক ও এক্টিভিস্টদের!

3
1125
সত্য প্রকাশের শাস্তি || মুসলিম নির্যাতনের খবর প্রচার করাই কি অপরধ সাংবাদিক ও এক্টিভিস্টদের!

আসাম রাজ্যে মুসলিম নির্যাতনের সংবাদ সংগ্রহ করার সময় দুইজন সাংবাদিককে গ্রেফতার করেছে দেশটির উগ্র হিন্দুত্ববাদী প্রশাসন।
ভারতীয় মিডিয়াগুলো থেকে জানা যায়, এইচডব্লিউ নিউজ এর দুইজন সাংবাদিক – আসামের সমৃদ্ধি সাকুনিয়া এবং স্বর্ণ ঝায় নির্যাতিত মুসলিম পরিবারের কাছে গিয়ে সংবাদ সংগ্রহ করছিলেন। এর কয়েক ঘন্টা পরই ত্রিপুরার হিন্দুত্ববাদী প্রশাসনের আদেশে ঐ দুজন সাংবাদিককে গ্রেফতার করে আসাম পুলিশ।

আসামের হিন্দুত্ববাদী পুলিশ জানায়, তাদের কাছে এই দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ নেই। তারা কেবল হিন্দুত্ববাদী ত্রিপুরা পুলিশের আদেশে তাদের গ্রেফতার করেছে।
অন্যদিকে, ত্রিপুরা পুলিশের বিরুদ্ধে হোটেলে এসে ‘ভয়’ দেখানোর অভিযোগ তুলেছিল ওই দুই সাংবাদিক। পরে ওই দুই সাংবাদিককে আটক করা হয়েছে বলে রোববার ভারতীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে।

একজন সাংবাদিক এক টুইটবার্তায় জানান, তাদেরকে এফআইআর এর কপি দেয়া হয় নি, বর্তমানে করিমগঞ্জের নিলামবাজার পুলিশ স্টেশনের তাদের আটকে রাখা হয়েছে।
অপর একজন সাংবাদিক সোশাল মিডিয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, “নিজ দেশের মাটিতেই আমরা বন্দি হয়ে আছি।”

চাঞ্চল্যকর ব্যাপার হচ্ছে, সাংবাদিকদ্বয়ের বিরুদ্ধে ত্রিপুরা পুলিশকে প্রথম অবহিত করে রিপোর্ট ফাইল করে কট্টর মুসলিম বিদ্বেষী গেরুয়া সন্ত্রাসী গ্রুপ বিশ্ব হিন্দু পরিষদের এক কর্মী কাঞ্চন দাস। এথেকে এই বিষয়টা স্পষ্ট হলো, ভারতে পুলিশ-প্রসাশন থেকে শুরু করে গোটা রাষ্ট্রযন্ত্রই চলছে হিন্দুত্ববাদীদের ইশারায়।

নির্যাতনের শিকার দুই সাংবাদিক স্বর্ণা ও সমৃদ্ধি সাকুনিয়াও এমন তথ্য জানিয়েছিল। তারা বলেছে, গত মাসে তারা একটি হিন্দু উগ্র গোষ্ঠীর সমাবেশ চলার সময় মুসলিমদের বাড়িঘর ও মসজিদের ওপর চালানো আক্রমণের তথ্য সংগ্রহ করছিল। এর জের ধরে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের এক সমর্থক তাদের বিরুদ্ধে হিন্দু ও মুসলিমদের মধ্যে  ‘বৈরিতা’ উসকে দেওয়ার অভিযোগে এফআইআর দায়ের করে।

আর হিন্দুত্ববাদীদের দালাল পুলিশও মুসলিমদের বাড়িঘর ও মসজিদে আক্রমণকারীদের আটক না করে ঘটনার তথ্যচিত্র প্রকাশকারী মুসলিম এক্টিভিস্ট ও সাংবাদিকদের গ্রেফতার করছে।

মূলত, যে সাংবাইকরাই সত্যের পক্ষ নিচ্ছেন, কিংবা মুসলিম নির্যাতন অথবা হিন্দুত্ববাদীদের ছলচাতুরি ও দুঃশাসনের সংবাদ প্রচার করছেন, তাদের কাউকেই ছাড় দেওয়া হচ্ছে না। সত্য সংবাদ যারাই করছে, তাদেরকেই গ্রেফতার করা হচ্ছে।

ত্রিপুরাতে মুসলিম নির্যাতনের সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে এই দুই সাংবাদিকের ন্যায় গ্রেফতার ও নানাবিধ হয়রানির শিকার হয়েছেন আরো ১০০রও বেশি সাংবাদিক, আইনজীবি, মুসলিম এক্টিভিস্ট, শিক্ষাবিদ এবং রাজনীতিবিদ ও মানবাধিকার কর্মী।

এসব ভুক্তভোগীদের মধ্যে শুরুর দিকের দুইজন হলেন আনসার ইনদোরি এবং মুকেশ নামের দুইজন আইনজীবি। এরা মুসলিমদের উপর চলমান নির্যাতনের তদন্তকারী একটি দলের সদস্য ছিলেন। ‘Humanity under attack in Tripura; #Muslim lives matter’ শিরোনামে একটি রিপোর্ট তারা প্রকাশ করার পরপরই তাদের বিরুদ্ধে চার্জ ফাইল করা হয়। রিপোর্টটিতে তারা ১২টি মসজিদ, মুসলিমদের ৯টি দোকান ও ৩টি ঘর ধ্বংস করার ব্যাপারে আলোকপাত করেছিলেন।

এছাড়াও দিল্লিভিত্তিক মুসলিমদের এনজিও ‘তেহরিক ফারোগ এ ইসলাম’ এর ৪ জন সদস্যকে ত্রিপুরাতে সংবাদ সংগ্রহ ও পরিদর্শনের সময় গ্রেফতার করা হয়।

এর আগে গত ৩ নভেম্বর মুসলিম নির্যাতনের রিপোর্ট করায় বন্ধ করে দেয়া হয় ১০০র অধিক সোশাল মিডিয়া একাউন্ট। সেই সাথে একাউন্টের পরিচালক বা ইউজারদের আইনি জটিলতায় ফেলা হয়।

ইছুদিন আগে Watch The State (WTS) এর প্রকাশিত ডকুমেন্টে বলা হয়, মে ২০১৯ থেকে আগস্ট ২০২১ এর মধ্যে ভারতে ২৫৬ জন সাংবাদিক তাদের কাজের জন্য আক্রমণের শিকার হয়েছে। তারা এও বলেছিল যে, সাংবাদিকতার জন্য ভারত সত্যিই একটি অত্যন্ত বিপজ্জনক জায়গা হয়ে উঠেছে।

ইউনেস্কোর করা তালিকা মতে, ২০২০ সালে ভারত ছিল সারা বিশ্বে সাংবাদিকদের জন্য ৬ষ্ঠ বিপদজনক দেশ। আফগানিস্তান, মেক্সিকো, সিরিয়া, সোমালিয়া ও ইয়েমেনের পরেই ভারতের অবস্থান। ভারতের আগের ৫টি দেশের ৪টি-ই যুদ্ধবিধ্বস্ত; আর যুদ্ধবিধ্বস্ত না হয়েও আফগান-ইয়েমেনের চেয়ে বেশি পিছিয়ে নেই বিশ্বের কথিত বৃহৎ গণতান্ত্রিক দেশ ভারত।

সার্বিক বিবেচনায়, পরিস্থিতি ক্রমশ সত্যান্বেষীদের জন্য শ্বাসরুদ্ধকর হয়ে যাচ্ছে। যারাই হিন্দুত্ববাদী এজেন্ডার বিরুদ্ধে যাবে, কিংবা যারাই তাদের মুসলিম নিধনের সত্য ও গণহত্যা চালানোর দুরভিসন্ধি প্রকাশ করে দিবে, তাকেই ধারাবাহিক মামলা-হামলা ও হয়রানির শিকার হতে হবে। কিংবা শিকার করে নিতে হবে তার চেয়েও কোন করুণ পরিণতি।

মানবতার আহ্বান বরাবরই এভাবে ঠোকর খেয়েছে হিন্দুত্ববাদের রুদ্ধ দেওয়ালে। তারা শান্তি চেনে না, তারা মানবতার ভাষা বুঝে না। তাদের শুধু আছে অন্তর ভর্তি বিদ্বেষ আর আক্রোশ, তারা শুধু বুঝে অস্ত্রের ভাষা। অত্র অঞ্চলের শান্তিকামী জনমানুষকে তাই ভেবে দেখতা হবে যে, ওদেরকে অদের ভাষায় জবাব দেওয়ার সময় এসেছে কিনা.!

তথ্যসূত্র:
—-
১। 2 Journalists Named in FIR by Tripura Police, Now Detained in Assam
https://tinyurl.com/34cuswdc

২। ভারতের সেই ২ নারী সাংবাদিক আটক
https://tinyurl.com/yyz27hta

৩। দুই নারী সাংবাদিককে আটকের ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছে ইজিআই এবং আইডব্লিউপিসি
https://tinyurl.com/ttmery94

৪। MP Journalist Thrashed by Locals, 3 Accused Arrested
https://tinyurl.com/yz76e5cd

৫। Assam Police detain 2 journalists booked in Tripura for covering assaults on Muslims
https://bit.ly/3oxLq4h

3 মন্তব্যসমূহ

  1. আসসালামুআলাইকুম
    সকল ভাইদের প্রতি ইহ্দা
    সাম্প্রতিক জিহাদ সমর্থক ভাই-বোনদের গ্রেফতারি ও তৎসংশ্লিষ্ট কিছু কথা

    আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ.

    মুহতারাম ভাই ও বোনেরা!

    গত কিছু দিন পূর্বে বাংলাদেশে আমাদের বেশ কিছু সমর্থক ভাই ও বোন গ্রেফতার হয়েছেন, যাদের নামও আমরা অতিসচেতনভাবেই এড়িয়ে যাচ্ছি, কেননা এই ফোরামে সেই ভাই-বোনদের নাম উল্লেখ করাটাও হয়তো তাদের জন্য ঝুঁকি সাব্যস্ত হবে। আল্লাহ উনাদের সম্মানজনক মুক্তিকে ত্বরান্বিত করুন। দ্বীনের পথে অটল ও অবিচল থাকার তাওফিক দান করুন। এর সাথে জড়িত তাগুত বাহিনীর প্রতিটি সদস্য থেকে বদলা নেওয়ার তাওফিক দান করুন। আমীন।
    এই ভাইয়েরা যে নিতান্তই সাধারণ ইসলামপসন্দ ও জিহাদপ্রেমী যুবক-যুবতী, তা তো জিহাদি আন্দোলন সম্পর্কে খোঁজ-খবর রাখা ব্যক্তি মাত্রই অবগত। শুধু এই ভাইয়েরা-ই নন, ইতিপূর্বেও অসংখ্য জিহাদপ্রেমী ভাই ও বোন গ্রেফতার হয়েছেন, যাদের কেউ হয়তো কোন ভিডিও শেয়ার দিয়েছেন, অথবা লাইক দিয়েছেন অথবা অন্য কিছু করেছেন, যা একজন মুমিনমাত্রই ইমানের তাকাজায় করতেন।
    কিন্তু এটাও বাস্তবতা যে আজ সমগ্র কুফরি বিশ্ব ও তাদের দোসরেরা মুজাহিদদের বিরুদ্ধে উঠেপড়ে লেগেছে। অফলাইনের পাশাপাশি অনলাইনেও জিহাদপ্রেমীদের গ্রেফতারের নানা ধরণের ষড়যন্ত্রের জাল বিছিয়ে রেখেছে। ইতিপূর্বে আমরা এই সকল বিষয়ে বারবার সতর্ক করেছি। কিন্তু আমাদের কতক অবুঝ ভাই বারবার আমাদের সেই সতর্কতাকে অবমূল্যায়ন করেছেন। আর তাগুতের পাতা ফাঁদে পা দিয়েছেন। আল্লাহ সবাইকে বুঝার তাওফিক দান করুন। আমীন। তো এই পরিস্থিতিতে কিছু পয়েন্ট আলোচনা করতে চাই-

    ১- ভাই-বোনেরা কেন গ্রেফতার হলেন?
    এই কথার সহজ উত্তর হল তাগুত বাহিনীর পাতা ফাঁদে পা দিয়ে গ্রেফতার হয়েছেন। সেই ফাঁদগুলোর মাঝে রয়েছে- মুজাহিদিন বা কারাবন্দীদের নামে সাদাকা কালেকশন করা বা সাদাকাতে অংশ নেওয়া, তাগুত কর্তৃক তাদের মোবাইল বা পিসিতে অথবা তাদের সামাজিক মাধমের ইনবক্সে ভাইরাসযুক্ত ফাইল প্রেরণ, অর্থাৎ যেকোনভাবে তাদের আইপি অথবা নাম্বার লিক করার মাধ্যমে তাগুত বাহিনী তাদের কাছে পৌঁছে গিয়েছে।

    ২- মুজাহিদদের নামে অনলাইনে সাদাকা উত্তোলনকারীদের থেকে দূরে থাকুন!
    অনেকে আল কায়েদা অথবা অন্য কোন জিহাদি দল বা ব্যক্তির নামে অনলাইনে সাদাকা উত্তোলন করে থাকে। এটি যেই করুক, বহু বছরের পুরনো কোন জিহাদি সেলিব্রেটি আইডিও যদি করে, তাহলে নিঃসন্দেহে তাকে সন্দেহ করুন! ৯৯% সম্ভাবনা আছে সে তাগুতের সদস্য, অথবা সে কোন আবেগি জিহাদ সমর্থক, সে কেমন যেন নিজেকে ধ্বংসের পাশাপাশি আরও বহু সাধারণ লোকদেরকে বিনামূল্যে তাগুতের হাতে তুলে দেওয়ার ব্যবস্থা করছে। আপনারা হয়তো ‘দারুল জান্নাত’ নামে একটি টেলিগ্রাম গ্রুপের কথা জেনেছেন, যেখানে যুক্ত অন্তত ৪০+ জিহাদপ্রেমী যুবক ভাইকে গ্রেফতার হতে হয়েছে। আপনি সংখ্যাটা চিন্তা করুন! ৪০ জন লোক তাগুতের পাতা ফাঁদে পা দিয়েছে! আমার মাঝে মাঝে আফসোস লাগে, আমাদের যুবক ভাইয়েরা এতো আবেগি ও অস্থির কেন? কেন তারা স্বেচ্ছায় নিজেদেরকে তাগুতের হাতে তুলে দেন? কেন তারা আল কায়েদার উমারা ও তাদের সতর্কতাকে অবমূল্যায়ন করে? ইয়া আসাফা!!

    ৩- অনলাইন জিহাদি আইটি বিশেষজ্ঞদের ব্যাপারে সতর্ক থাকুন!
    সম্প্রতি অনলাইনে আইটি বিশেষজ্ঞ হিসেবে বেশ কিছু ব্যক্তির আবির্ভাব হয়েছে, যারা নিজেদের নামের সাথে উস্তাদ যুক্ত করে নিজেদের প্রচারণা চালাচ্ছেন। তারা নিজেদেরকে নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ হিসেবেও জাহির করছেন।
    এখানে প্রসঙ্গক্রমে একজন্য ব্যক্তির ব্যাপারে বলতে চাই, তিনি ‘আবু ইয়াহিয়া’ নামে পরিচিত। আমরা তার বেশ কিছু পোস্ট ও লেখনী পর্যবেক্ষণ করে দেখেছি। এই ব্যক্তি যেসব নিরাপত্তানিত টিপস শেয়ার করছে; সেগুলো মূলত বিভিন্ন জিহাদি সোর্স থেকে নেওয়া, পাশাপাশি তিনি নিজের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত কিছু যোগ করে আইটি বিষয়ে নানা সমাধান দিচ্ছেন। আর দাবি করছেন এগুলো উনিই লিখেছেন। এখানে আরও শঙ্কার বিষয় হল, এই ধরণের ব্যক্তিরা নিজেদেরকে আল কায়েদা সমর্থক অথবা সদস্য বলে দাবি করছেন। আমরা এই ব্যক্তিকে ভালো-মন্দ কিছু বলতে চাই না, তবে তিনি নিজেকে যেভাবে পেশ করছেন, সেটি নিঃসন্দেহে সন্দেহের উদ্রেক করে-
    এ সকল ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে দু’টি মূলনীতি আমি সম্মানিত ভাইদের কাছে পেশ করতে চাই-
    ক- জিহাদি কাজের সাথে সংশ্লিষ্ট আইটি সংক্রান্ত জিজ্ঞাসার উত্তর অনলাইনে যার তার কাছ থেকে নেওয়া থেকে বিরত থাকুন। আমরা আপনাকে উৎসাহ দিবো আপনারা অবশ্যই আল কায়েদার অফিসিয়াল ফোরাম ও ওয়েবসাইটগুলোতে জিজ্ঞাসা করুন। এছাড়া যে কোন ব্যক্তিকে এই ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করা থেকে বিরত থাকুন! যদি অফিসিয়াল ফোরাম বা সাইটে উত্তর দেওয়া হয়, তাহলে ভালো আলহামদু লিল্লাহ, অন্যথায় সবর করুন!
    খ- কেউ যদি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আইটি সংক্রান্ত কোন বিষয় নিয়ে লেখালেখি করেও, তা নিয়ে আমভাবে আমাদের পক্ষ থেকে আপত্তি নেই। তবে আপনারা অবশ্যই ‘আল কায়েদার সমর্থক বা অনুসারী অথবা এই সমাধান আল কায়েদার মুজাহিদদের দেওয়া’, এমনটি বলা থেকে বিরত থাকুন! কেননা আপনার এই লেখা ও তার ফলাফলের জিম্মাদারি কেবলই আপনার!

  2. +#+#+#

    ৪- আল কায়েদা অনলাইনে সদস্য গ্রহণ করে না!
    আল কায়েদা ফেসবুক, টুইটার, টেলিগ্রাম বা অন্য কোন সামাজিক মাধ্যমের মাধ্যমে সদস্য গ্রহণ করে না। টাকা তুলে না। কেউ যদি আপনাকে ম্যাসেজ করে এমন কোন কথা বলে তাহলে নিশ্চিত জানবেন সেই ব্যক্তি ভেজাল।
    আবার অনেক ভাইকে দেখা যায় অনলাইনে কেউ জিহাদ নিয়ে দু’ কলম লিখলেই ‘জিহাদি সংগঠনে’ যোগ দেওয়ার ইচ্ছায় তাকে ম্যাসেজ করে বসেন। পরবর্তীতে দেখা যায় উক্ত ব্যক্তি তাকে কারাগারে পৌছিয়ে দিয়েছে। একবার এক ভাই আমাদের ফোরামে মশওয়ারা চেয়েছেন, অমুক লোক অনলাইনে ভালো লেখেন, তার মাধ্যমে আমি তানযিমে যোগ দিতে চাচ্ছি, অথবা তার সাথে অফলাইনে যোগ দিতে চাচ্ছি, আমরা সেই ভাইকে নিষেধ করেছিলাম। কিন্তু তিনি আমাদের বাতলে দেওয়া উসুল অমান্য করেছেন। পরবর্তীতে গ্রেফতার হয়েছেন, যা মিডিয়াতেও এসেছিল।
    এমনিভাবে অনেক লোককে অনলাইনের মাধ্যমে সংগঠন করা বা লোকদেরকে একত্রিত করার প্রচেষ্টা চালাতে দেখা যায়।
    এই ধরণের লোকদের থেকে সম্পূর্ণরূপে দূরে থাকা আবশ্যক। কেননা, এই সকল ক্ষেত্রের প্রায় ক্ষেত্রে তাগুতের ফাঁদ বলেই প্রমাণিত হয় এবং সাধারণ ভাইয়েরা গ্রেফতার হন। সুতরাং অনলাইনে কোন তানযিমে যোগ দেওয়া বা কোন তানযিম গড়ে তোলা থেকে সম্পূর্ণরূপে দূরে থাকুন! কেউ এই ধরণের অফার দিলে অতিঅবশ্যই তাকে সন্দেহ করুন ও এড়িয়ে চলুন!

  3. ###৬- জিহাদি কাজে টর ব্রাউজার অথবা ভালো মানের ভিপিএন ইউজ করুন!

    সম্মানিত ভাইয়েরা! এই ছিল বিক্ষিপ্ত কিছু কথা। ওয়াল্লাহি এতে কাউকে কষ্ট দেওয়া উদ্দেশ্য নেই ও ছিল না। কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে ক্ষমা চাই। নিজে নিরাপত্তা গ্রহণ করুন! নিরাপত্তার সাথে মুজাহিদদের আকিদা-মানহাজ প্রচার করুন! তাগুত বাহিনীর পাতা ফাঁদে পা দেওয়া থেকে বিরত থাকুন! সর্বোপরি সকাল-সন্ধ্যার আযকার আদায়ে সচেষ্ট হোন। নিজের জন্য ও আপনাদের সকল মুজাহিদ ভাইদের জন্য দুয়া করুন।

মন্তব্য করুন

দয়া করে আপনার মন্তব্য করুন!
দয়া করে এখানে আপনার নাম লিখুন