ফিলিস্তিনের জিহাদ || আপডেট – ৮ জুন, ২০২৪

0
166

নুসেইরাত শরণার্থী শিবিরে ভয়ানক হামলা চালিয়েছে জায়োনিস্ট বাহিনী। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মতে, সেখানে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৭৪ জনে পৌঁছেছে, আহত হয়েছেন ৬৯৮ জনেরও বেশি।

আল-আকসা হাসপাতালের ভেতরের অবস্থা ‘সম্পূর্ণ রক্তস্নাত’ বলে জানিয়েছেন ডাক্তাররা। একজন বলেছেন, হাসপাতালের ভেতরের অবস্থা দেখে মনে হবে এটা যেন একটা কসাইখানা।

ইসরায়েলি বাহিনী দাবি করেছে, তারা নুসেইরাত শরণার্থী শিবিরে হামলা চালিয়ে তারা তাদের ৪ বন্দীকে মুক্ত করেছে। এই হামলায় এক ইসরায়েলি জায়োনিস্ট অফিসার নিহত হওয়ার কথা জানিয়েছে তারা।

হামাসের সামরিক মুখপাত্র জানিয়েছেন, নুসেইরাত অপারেশনে জায়োনিস্ট ইসরায়েল তাদের কতিপয় বন্দীকে মুক্ত করতে গিয়ে বেশ কিছু বন্দীকে হত্যা করেছে। তবে কতজনকে হত্যা করেছে তার কোনো সংখ্যা তিনি বলেননি।

গাজায় জায়োনিস্ট বাহিনীর হামলায় এখন পর্যন্ত নিহত হয়েছেন অন্তত ৩৭,০৮৪ জন ফিলিস্তিনি।

রাফার পূর্বে দখলদার বাহিনীর একটি ইঞ্জিনিয়ারিং ইউনিটকে পূর্ব-প্রস্তুতকৃত মাইনফিল্ড দিয়ে হামলা চালিয়েছেন। এতে জায়োনিস্ট বাহিনী নিহত ও আহত হয়েছে।

রাফার পূর্বে একটি সার্ফেস টু এয়ার মিসাইল (স্যাম-৭) দিয়ে একটি অ্যাপাচি হেলিকপ্টারে হামলা চালিয়েছেন আল-কাসসাম ব্রিগেড।

রাফার আল-আওদা এলাকার কাছে একটি জায়োনিস্ট মারকাভা ট্যাংকে ইয়াসিন ১০৫ দিয়ে হামলা চালান মুজাহিদগণ এবং পরে পদাতিক জায়োনিস্ট সৈন্যদের সাথে যুদ্ধে লিপ্ত হন।

নুসেইরাত ক্যাম্পের আকাশে একটি স্যাম-৭ মিসাইল দিয়ে একটি জায়োনিস্ট অ্যাপাচি হেলিকপ্টারে হামলা চালিয়েছেন আল-কাসসাম ব্রিগেড এবং আবু আলী মুস্তফা ব্রিগেড।

গাজা শহরের জায়তুন পাড়ার পূর্বে একটি ভবনে অবস্থান নিয়েছিল জায়োনিস্ট বাহিনী। তাদের উপর একটি অ্যান্টি পার্সনেল থান্ডার ডিভাইস বিস্ফোরণ করেছেন আল-কাসসাম মুজাহিদগণ। এতে জায়োনিস্ট সৈন্যরা হতাহত হয়েছে। একটি হেলিকপ্টার দিয়ে সেখান থেকে হতাহত জায়োনিস্ট সৈন্যদের নিয়ে গেছে জায়োনিস্ট বাহিনী।

গাজা শহরের জায়তুন পাড়ার পূর্বে একটি তানডেম শেল এবং একটি শক ডিভাইস দিয়ে দুটি জায়োনিস্ট ডি৯ বুলডোজারে হামলা চালিয়েছেন আল-কাসসাম মুজাহিদিন।

মন্তব্য করুন

দয়া করে আপনার মন্তব্য করুন!
দয়া করে এখানে আপনার নাম লিখুন

পূর্ববর্তী নিবন্ধশাবাবের নিয়ন্ত্রণে সোমালি জেলা শহর ও ৪ সেনা ঘাঁটি
পরবর্তী নিবন্ধসর্বোচ্চ মানের জাফরান উৎপাদনের জন্য আবারও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেল আফগানিস্তান