
গত ১০ নভেম্বর মালয়েশিয়া-থাইল্যান্ড সীমান্তের কাছে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে যাওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের বহনকারী একটি নৌকা ডুবে গেছে, যার ফলে শত শত মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। মালয়েশিয়ার কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে, এখন পর্যন্ত ৭ জনের লাশ পাওয়া গেছে এবং ১৩ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।
মালয়েশিয়ার মেরিটাইম এনফোর্সমেন্ট এজেন্সি (এমএমইএ) জানিয়েছে যে তিনটি নৌকায় প্রায় ৩০০ জন যাত্রী বহন করছিল এবং ল্যাংকাউই দ্বীপের কাছে এগুলোর একটি ডুবে যায়। উদ্ধারকারীরা বর্তমানে প্রায় ১৭০ বর্গ নটিক্যাল মাইল এলাকায় জীবিতদের সন্ধানে অনুসন্ধান চালাচ্ছে।
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে নৌকাগুলো তিন দিন আগে মায়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে ছেড়েছিল। নৌকায় থাকা অনেকেই মিয়ানমারে বছরের পর বছর ধরে নির্যাতন এবং বাংলাদেশের শরণার্থী শিবিরে কষ্টের পর নিরাপত্তা এবং জীবিকার সুযোগের সন্ধানে মালয়েশিয়ায় পৌঁছানোর চেষ্টা করছিলেন।
স্থানীয় প্রতিবেদন অনুসারে, দলটি প্রথমে মিয়ানমারে একটি বড় জাহাজে উঠেছিল এবং পরে সামুদ্রিক টহল এড়াতে তিনটি ছোট নৌকায় স্থানান্তরিত হয়েছিল। অন্য দুটি নৌকার অবস্থা এখনও অজানা, এবং অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
মিয়ানমারে নাগরিকত্ব বঞ্চিত মুসলিম সংখ্যালঘু রোহিঙ্গারা কয়েক দশক ধরে নির্যাতনের শিকার হয়ে আসছে। ২০১৭ সালে রাখাইন রাজ্যে সামরিক অভিযানের পর থেকে দশ লক্ষেরও বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে। অনেকেই সমুদ্রে তাদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া এবং থাইল্যান্ডে বিপজ্জনকভাবে পাড়ি দেওয়ার চেষ্টা করে চলেছে।
তথ্যসূত্র:
1. Boat Carrying Rohingya Refugees Sinks Near Malaysia, Hundreds Missing
– https://tinyurl.com/5xyzun2v


