
ইন্দোনেশিয়ার ফ্লোরেস দ্বীপে ৭.৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪৭ জনে দাঁড়িয়েছে। ১৫ আগস্ট, শনিবার ভোরে আঘাত হানা এ ভূমিকম্পে বহু মানুষ আহত হয়েছেন। উদ্ধার অভিযান অব্যাহত থাকায় হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে দেশটির দুর্যোগ প্রশমন সংস্থা (বিএনপিবি)।
স্থানীয় সময় শনিবার সকাল ৫টার কিছু আগে ভূপৃষ্ঠের প্রায় ১৫ কিলোমিটার গভীরে ভূমিকম্পটির উৎপত্তি হয়। মূল ভূমিকম্পের পর ৬.১ মাত্রার একটি আফটারশকসহ বেশ কয়েকটি শক্তিশালী কম্পন অনুভূত হয়।
ভূমিকম্পের পরপরই সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়। তবে প্রায় তিন ঘণ্টা পর সমুদ্রপৃষ্ঠে বড় ধরনের উচ্চতা পরিবর্তনের আশঙ্কা না থাকায় সতর্কতা প্রত্যাহার করা হয়। আতঙ্কিত হয়ে প্রায় দুই হাজার মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য উঁচু এলাকায় চলে যান।
প্রাথমিক হিসাবে, ভূমিকম্পে ৫৪টি বাড়ি, পাঁচটি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র, তিনটি উপাসনালয়, ছয়টি সরকারি ভবন, একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও একটি গুদামঘর মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মঙ্গরাই প্রদেশকে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর একটি হিসেবে চিহ্নিত করেছে বিএনপিবি।
ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের জন্য বিশ্বের অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ দেশ ইন্দোনেশিয়া। দেশটি তিনটি প্রধান টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থলে অবস্থিত হওয়ায় সেখানে প্রায়ই শক্তিশালী ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত ঘটে।
ইন্দোনেশিয়ার ভূমিকম্পে উদ্ধার অভিযান চললেও হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে, আর ক্ষয়ক্ষতি ও উদ্ধার তৎপরতার সর্বশেষ তথ্য পরিস্থিতির পরবর্তী চিত্র স্পষ্ট করবে।
তথ্যসূত্র
1.Death toll rises to 47 after 7.7-magnitude earthquake strikes eastern Indonesia
– https://tinyurl.com/3en9hk78


