
ভারতের উত্তর প্রদেশে সরকারি নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রার্থীদের চরিত্র যাচাইয়ের নিয়মে পরিবর্তন এনেছে হিন্দুত্ববাদী সরকার। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, সরকার বিরোধী কোন কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে কোনো প্রার্থীর নিয়োগ বাতিল করতে পারবে কর্তৃপক্ষ।
সম্প্রতি ককরোচ জনতা পার্টির নেতৃত্বে প্রথমত কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রী এবং পরবর্তীতে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে ব্যাপক বিক্ষোভ গড়ে তোলে ছাত্র-জনতাসহ বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো। এসব বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণের হাতিয়ার হিসেবে সরকারি চাকরির নিয়োগ প্রক্রিয়ায় নতুন এই নিয়ম চালু করা হয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকগণ।
ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) নিয়ে বিজেপি বিরোধীদের চলমান আন্দোলনের মধ্যেই উত্তর প্রদেশ সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কংগ্রেস ও ইন্ডিয়া জোট ভোটার তালিকা সংশোধনে অনিয়মের অভিযোগ তুলেছে। বিশেষত ভারতজুড়ে উদ্দেশ্য-প্রণোদিতভাবে মুসলিম ভোটারদের তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার সুস্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে জবাবদিহিও দাবি করেছে বিরোধী দলগুলো। গত ১২ অক্টোবর রাহুল গান্ধীসহ বিরোধী দলের নেতারা সুপ্রিম কোর্টের উদ্দেশ্যে ‘মার্চ ফর ডেমোক্রেসি’ কর্মসূচিতে অংশ নেন।
তথ্যসূত্র:
1. https://tinyurl.com/ysfh473y


