বন্ধ ঘোষণার চাপ সৃষ্টির লক্ষ্যে দ্বিতীয় দিনের মত দেওবন্দ মাদ্রাসায় সন্ত্রাসী নমো প্রশাসনের গুণ্ডারা

0
1152
বন্ধ ঘোষণার চাপ সৃষ্টির লক্ষ্যে দ্বিতীয় দিনের মত দেওবন্দ মাদ্রাসায় সন্ত্রাসী নমো প্রশাসনের গুণ্ডারা

নাগরিকত্ব বিলের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামার আশঙ্কায় বন্ধ ঘোষণা করছে ভারতের বড় বড় বিশ্ববিদ্যালয়। সন্ত্রাসী মোদি  প্রশাসনের চাপেই এ বন্ধ ঘোষণা করা হচ্ছে বলে জানা যায়। সে ধারাবাহিকতায় ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপিঠ দারুল উলুম দেওবন্দকেও গত মঙ্গলবার বন্ধ ঘোষণা করতে বলে  প্রশাসন। দারুল উলুম দেওবন্দ সরকারের নির্দেশ প্রত্যাখান করায় আজ বুধবার দ্বিতীয় দিনের মত দেওবন্দে গিয়েছে সন্ত্রাসী মোদি প্রশাসনের গুণ্ডারা।

জারবে দেওবন্দ সূত্রে  জানা যায়, গত সোমবার (১৬ ডিসেম্বর) ভারতের ঐতিহ্যবাহি দীনি বিদ্যাপীঠ দারুল উলুম দেওবন্দেও নাগরিত্ব বিলের বিরুদ্ধে শুরু হয় বিক্ষোভ। দফায় দফায় পুলিশের সাথে ছাত্রদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। পরে শিক্ষকদের আহ্বানে বিক্ষোভ থেকে ফিরে যায় দারুল উলুমের ছাত্ররা।

এদিকে সোমবার থেকেই দারুল উলুমের শিক্ষার্থীদের এ বিক্ষোভে থেকে দূরে রাখতে মাদরাসায় পুলিশ টহল চালায়। আন্দোলন বন্ধ  রাখার জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে সাহরানপুর জেলার ইন্টারনেট সুবিধা পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হয়।

মঙ্গলবার বিজেপি সরকারের প্রশাসনিক কর্মকর্তারা দেওবন্দের শিক্ষকদের সঙ্গে বৈঠক করেছে এবং আইন শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার নামে দারুল উলুমসহ দেশের সব মাদরাসায় ১৫ দিনের ছুটির আবেদন করেছে। তবে সরকারের এ আবেদনকে প্রত্যাখ্যান করেছে দেওবন্দ মাদরাসা কর্তৃপক্ষ। তাৎক্ষনিকভাবে মাদরাসা না ছাড়তেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে শিক্ষার্থীদের।

আজ বুধবার দ্বিতীয় দিনের মত সন্ত্রাসী দল বিজেপি সরকারের প্রশাসনিক গুণ্ডারা দেওবন্দের শিক্ষকদের সঙ্গে চাপ সৃষ্টির লক্ষ্যে বৈঠক করে। কিন্তু দেওবন্দ মাদরাসা বন্ধ ঘোষণা করতে কোনোভাবেই রাজি নন বলে জানিয়ে দিয়েছে সরকারকে।

মাদরাসার শূরা সদস্যদের বৈঠকে কেউই মাদরাসা বন্ধ ঘোষণা করার পক্ষে মত না দেয়ায় প্রশাসনের নির্দেশ প্রত্যাখান করেছে দেওবন্দ।

উল্লেখ্য, ভারতের নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন ও দিল্লির জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া, আলীগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় এবং লাখনৌয়ের দারুল উলুম নদওয়াতুল উলামার শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের বর্বরতার বিরুদ্ধে দেশজুড়ে বিক্ষোভ চলমান রয়েছে এখনও।

এ ঘটনায় সারা দেশের বড় বড় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। এর প্রভাব দেখা যায় দেশটির ঐতিহ্যবাহি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দারুল উলুম দেওবন্দেও।

মন্তব্য করুন

দয়া করে আপনার মন্তব্য করুন!
দয়া করে এখানে আপনার নাম লিখুন