উইঘুর মুসলিম বন্দী শিবিরে করোনা ভাইরাসের উচ্চ ঝুঁকি

1
554

করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের কারণে কেবল চীনেই প্রায় ১,১১,৫০০ জন সংক্রামিত হয়েছে এবং ৩,০০০ এরও বেশি লোক মারা গেছে। আর, এই ভাইরাসের কারণে চীনের কমিউনিস্ট সরকারের বর্বরতার শিকার উইঘুর মুসলিমদের পরিস্থিতি বর্তমানে অনেক বেশি বিপজ্জনক বলে খবর প্রকাশ করেছে “মিডল ইস্ট মনিটর”।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এই মহামারীটিকে আন্তর্জাতিক সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করেছে। এরই মধ্যে করোনা ভাইরাস প্রায় গোটা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে। এ ভাইরাস থেকে নিরাপদ থাকতে চীনে কার্যত অবরুদ্ধ অবস্থা জারি রয়েছে। জনসমাগম থেকে ভাইরাসটি সংক্রমিত হওয়ার ভয়ে অফিস-আদালত,স্কুল-কলেজ, রাস্তাঘাট, শিল্প-কারখানা ইত্যাদি বন্ধ থাকলেও জিনজিয়াং প্রদেশের মুসলিম বন্দী শিবিরগুলোতে ভিন্ন বাস্তবতা। সেখানে সম্ভবত ত্রিশ মিলিয়ন উইঘুর এবং অন্যান্য আদিবাসী আটক রয়েছে।
আর এইসব বন্দী মুসলিমদের করোনা থেকে বাঁচাতে কোনো ধরণের চেষ্টাই করছে না বিশ্ব সন্ত্রাসী চীনা কমিউনিস্ট সরকার। ভাইরাস থেকে বাঁচতে অনেকে জেলে বন্দী কয়েদিদের সাময়িক মুক্তি দিয়েছে, যাতে ভাইরাসের ঝুঁকি থেকে নিরাপদ থাকতে পারে। কিন্তু, চীনে মুসলিম বন্দী শিবিরে কুখ্যাত কমিউনিস্ট সরকার কোন পদক্ষেপ নিচ্ছেনা। এতো মানুষ একত্রে থাকার কারণে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হবার উচ্চ ঝুঁকি রয়েছে। মূলত উইঘুর মুসলিমরা চীনা সরকারের জুলুমের কারণে মৃত্যু দুয়ারে দাঁড়িয়ে আছে।

চীনের উইঘুর মুসলমানদের গণহত্যার বিষয়ে গোটা বিশ্ব নীরব ও বধির হয়ে রয়েছে । প্রভাবশালী এবং শক্তিশালী আরব রাষ্ট্রগুলো উইঘুর মুসলিম নির্যাতন ও গণহত্যা উপভোগ করছে। উইঘুর শরণার্থী এবং আশ্রয়প্রার্থীদের কাছ থেকে কল্পনাতীত নির্যাতনের কথা জাতিসংঘে নথিভুক্ত রয়েছে। অথচ এখনো চীনের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা কার্যকর হয়নি।

উইঘুর মুসলিমদের এ অবস্থায় মুসলিম বিশ্বের উচিত চীনকে শাস্তির মুখোমুখি করা এবং উইঘুর মুসলিম বন্দী শিবিরের বন্দীদের মুক্তির ব্যবস্থা করা।

১টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

দয়া করে আপনার মন্তব্য করুন!
দয়া করে এখানে আপনার নাম লিখুন