হিন্দুদের কাছে কাশ্মীরের মুসলমানদের জমি বিক্রয় করা উচিত নয়: মুফতি তাকী উসমানী

1
631
হিন্দুদের কাছে কাশ্মীরের মুসলমানদের জমি বিক্রয় করা উচিত নয়: মুফতি তাকী উসমানী

কাশ্মীরে ডেমোগ্রাফিক চেইঞ্জ তথা মুসলমানদের সংখ্যালঘুতে পরিণত করতে ভারতীয় হিন্দুত্ববাদের ষড়যন্ত্রকে বানচাল করা সকল মুসলমানের অবশ্য কর্তব্য বলে মন্তব্য করেন বিশিষ্ট মুসলিম স্কলার মুফতি তাকী উসমানী।

উম্মাহর স্বার্থে ভারতীয় হিন্দুদের কাছে কাশ্মীরের মুসলমানদের জমি বিক্রয় উচিত নয় বলেও মন্তব্য করেন পাকিস্তানের এ আলেমে দ্বীন।

সম্প্রতি এক বয়ানে মুফতি তাকী উসমানী বলেন, ভারত সরকার কাশ্মীরের মুসলমানদের সংখ্যালঘু সম্পদায় হিসেবে পরিণত করতে চায়। সে মর্মে দীর্ঘদিন ধরেই তারা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। সংবিধানের ৩৭০ ধারা বিলুপ্ত করে উপত্যকার কাগুজে বিশেষ মর্যাদা বাতিল করা সে ষড়যন্ত্রেরই অংশ। সর্বশেষ কাশ্মীরের বাইরের লোকদের নাগরিকত্ব প্রদান করে হিন্দুত্ববাদী ষড়যন্ত্র অনেকদূর বাস্তবায়ন করে ফেলেছে।
মুফতি তাকী উসমানী বলেন, তাই সকল মুসলমানের কর্তব্য হবে ভারতের এই ঘৃণিত ষড়যন্ত্রকে প্রতিহত করা।

উল্লেখ্য,মালাউন মোদি দখলদার ইসরায়েলের কায়দায় কাশ্মীর দখল করতে চায়। সে লক্ষ্যে প্রায় ২৫ হাজার ভারতীয়কে ভারত দখলকৃত কাশ্মীরে নাগরিকত্ব সনদ
দেশটির সরকার। এর মাধ্যমে বিজেপি সরকার কাশ্মীরে জনসংখ্যার বিন্যাস পরিবর্তনের চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেছে কাশ্মীরের রাজনৈতিক দলগুলো।
এই নাগরিকত্ব সনদের ফলে এখন থেকে সেখানে অ-কাশ্মীরিরা স্থায়ী বসতি গড়তে পারবে এবং সরকারি চাকরির সুযোগ পাবে।
ভারতীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, সরকারের এই পদক্ষেপে ক্ষোভে ফেটে পড়েছে কাশ্মীরের জনগণ। তাদের অভিযোগ, নতুন এই আইনকে হাতিয়ার করে দেশের একমাত্র মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ রাজ্যের জনসংখ্যার বিন্যাস বদলানোর ছক করছে বিজেপি সরকার।
২০১৯ সালের ৫ আগস্ট ৩৫এ ধারা বাতিল করে কাশ্মীরের রাজ্য ও স্বায়ত্তশাসনের মর্যাদা কেড়ে নেয় বিজেপি সরকার। বাতিল করা হয় কাশ্মীরের নাগরিকত্ব সুরক্ষা আইনও। এর আগে জম্মু-কাশ্মীরের নিজস্ব সংবিধান ছিল। সেই সংবিধান অনুযায়ী, বাইরের রাজ্যের কেউ ভূস্বর্গের স্থায়ী নাগরিক হতে পারতেন না। জমি, স্থাবর সম্পত্তির মালিকও হতে পারতেন না।
তবে এখন থেকে ভারতীয়রা কাশ্মীরের নাগরিকত্বের জন্য তহশিলদারের কাছে আবেদন করতে পারবেন। শর্ত পূরণ করলে যে কাউকে এই সনদ দিতে কোনো কর্মকর্তা অকারণে দেরি করলে তাকে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা করা হবে।

১টি মন্তব্য

  1. বি ইযনিল্লহ, এদের মরার সময় এসে গেছে। এবার পালটা হামলার সময়। উম্মাহর শার্দূলরা এখন জাগ্রত। তাদের ঈগল চোখ ফাকি দিবে এমন সাহস কার আছে!! গো পুজারীদের পাওনা বুঝিয়ে দেয়া হবে একেবারে মেপে মেপে । ইনশা আল্লাহ। গরুর প্রসাব পান কারী এই মালাউনের বাচ্চাদের না আছে বীরত্ব, আর না আছে যুদ্ধে টিকে থাকার মত সাহস। মাহমুদ গজনবীর উত্তরসুরিরা এবার তাদের পাওনা বুঝিয়ে দিবে ইনশা আল্লাহ। হে আল্লাহ আপনি আমাদেরকে শাহাদাত দান করুন। আমিন। আমৃত্যু আপনার দ্বীনের পথে টিকে থাকার তাওফীক দান করুন। আমীন

মন্তব্য করুন

দয়া করে আপনার মন্তব্য করুন!
দয়া করে এখানে আপনার নাম লিখুন