মাফিয়াতন্ত্র: শেখ মুজিবের পথ ধরেই হাঁটছে শেখ হাসিনা (শেষ পর্ব)

4
400
মাফিয়াতন্ত্র: শেখ মুজিবের পথ ধরেই হাঁটছে শেখ হাসিনা (শেষ পর্ব)

১৯৭৪ সালের ২৮শে ডিসেম্বর মুজিব ‘জরুরি অবস্থা’ জারি করে সংবিধানে বেশ কয়েকটি সংশোধনী আনেন। ২৫শে জানুয়ারী ১৯৭৫-এ সংশোধনীগুলো সংসদে একটি ‘উপদেষ্টা পদ’ রাখা হয় এবং রাষ্ট্রপ্রধান মুজিবকে দেয়া হয় পরম ক্ষমতা। ১৯৭৫ সালের ৭ই জুন, মুজিবের উপদেষ্টা সংসদে চতুর্থ সংশোধনী পাস হয় – সেখানে বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ (বাকশাল) গঠনের মাধ্যমে একটি একদলীয় রাষ্ট্রের অনুমোদন দেওয়া হয়।

১৯৭৪ সালের জুলাইয়ে মুজিব অপরাধ দমনে ‘অপারেশন ক্লিন-আপ’ শুরু করেছিলেন। অপারেশনটিতে দুর্বৃত্তদের গ্রেপ্তারের জন্য সেনা সদস্যদেরও মাঠে নামানো হয়। অথচ আওয়ামী লীগারদের সামনে খোদ সেনাবাহিনী অসহায় হয়ে পড়ে। তারা মজুতদারি, চোরাচালান বা হত্যার অপরাধে আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তার করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করলে পুলিশ শীঘ্রই তাদের মুক্তি দিয়ে দিত।

একবার এক বর ও ট্যাক্সি ড্রাইভারকে হত্যা করে নববধূকে অপহরণ ও ধর্ষণের অপরাধে টঙ্গী থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুজামিলকে সেনা সদস্যরা গ্রেপ্তার করেন। মুজামিল প্রথমে সেনাবাহিনীকে ঘুষ দিয়ে ছাড়া পাওয়ার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়, সেনাবাহিনী তাকে পুলিশ কর্তৃপক্ষের হাতে সোপর্দ করলে মুজামিল সেনা কর্মকর্তাকে বলেন: “তোমরা আমাকে আজ অথবা কাল যে কোনো কারনেই হোক ছেড়ে দিতে বাধ্য হবে…”

তার কথাটি অবশ্য সত্য প্রমাণিত হয়েছিল। মুজিবের সরাসরি আদেশে কিছুদিন পরে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়। মুজিব তুচ্ছ মতবিরোধ ও রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ দমনে ছিল বড়ই নিষ্ঠুর ও তৎপর। মাওবাদী সর্বহারা পার্টির প্রধান সিরাজ শিকদারকে হত্যাকাণ্ড এর একটি বড় উদাহরণ। সিরাজের অপরাধ ছিল, সে মুজিবের অন্যায় মুখ বুজে সহ্য করতে রাজি হয়নি। গ্রেফতারের দুইদিন পর তাকে বন্দুক যুদ্ধের নাটক সাজিয়ে হত্যা করা হয়। সিরাজকে হত্যার পর মুজিব সংসদে দাঁড়িয়ে দম্ভভরে বলেছিল, ‘ কোথায় আজ সিরাজ শিকদার? ‘

সিরাজ হত্যার বদলা নেয়ার জন্য তার উনিশ বছর বয়সী ছোট বোন ভাস্কর শামীম শিকদার মুজিবকে হত্যার সিদ্ধান্ত নেয়। শুধু শামীম শিকদার একাই মুজিবকে হত্যার পরিকল্পনা করেনি ততদিনে তার মতো আরো অনেকেই মুজিবকে হত্যার পরিকল্পনা করেছিল। তাদের মাঝে সর্বাগ্রে ছিলেন ১ম বেঙ্গল ল্যান্সারের দ্বিতীয় সেকেন্ড-ইন-কমান্ড মেজর ফারুক এবং দ্বিতীয় ফিল্ড আর্টিলারি কমান্ডিং মেজর রশিদ। তারা মরিয়া হয়ে মুজিবকে হত্যার একটি সুযোগের অপেক্ষায় ছিলেন। তারা চাচ্ছিলেন মুজিবের মতো অযোগ্য ও পাশবিক স্বৈরশাসকের অধ্যায় সেনা অভ্যুত্থানের মাধ্যমে সমাপ্তি করে যোগ্য কারো কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে।

মেজর ফারুক বলেন, “সে সময়ের অবস্থা দেখে মনে হচ্ছিল আমরা কোনো অপরাধী সংগঠনের নেতৃত্বাধীন সমাজে বাস করছি। যেন মাফিয়াগোষ্ঠী বাংলাদেশকে দখল করে নিয়েছে। আমরা পুরোপুরি হতাশ হয়ে পড়েছিলাম। সরকার প্রধানের পৃষ্ঠপোষকতায় হত্যাকাণ্ড এবং অন্যান্য উগ্রপন্থী কার্যক্রম থেকে আমাদেরকে রক্ষা করার কথা ছিল তার। এটি গ্রহণযোগ্য ছিল না। এজন্য আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম তাকে [মুজিব] বিদায় দেবো।”

মুজিবের প্রত্যক্ষ হস্তক্ষেপে ফৌজদারি অপরাধী আওয়ামী লীগের স্থানীয় সভাপতি মুজামিলকে যখন বিনা অভিযোগে মুক্তি দেয়া হয়, তখন ফারুক বলেছিলেন, “এরপরে [টঙ্গী ঘটনা] আমি পদোন্নতি, কোর্স, ক্যারিয়ার বা অন্য কোনো বিষয়ে আগ্রহী ছিলাম না, আমি কেবল একটি বিষয় নিয়ে ভাবছিলাম— এই সরকারকে কীভাবে বিদায় করা যায়।”

১৯৭৫ সালের জুন মাসে একটি বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে মেজর শরিফুল হক ডালিম ও তার স্ত্রীকে মুজিবের ডান হাত গাজী গোলাম মোস্তফা ও তার গুন্ডারা একটি মাইক্রোবাসে করে তুলে নিয়ে যায়। এ ঘটনার সাথে শেখ মুজিবের ছেলে কামালের সম্পৃক্ততারও অভিযোগ আছে। তাৎক্ষণিক সেনা কর্মকর্তারা মেজর ডালিম ও তার স্ত্রীকে উদ্ধারে গাজীর বাংলো অবরোধ করেছিল। এরপরে, কুমিল্লা সেনানিবাসে আরও একটি ঘটনা ঘটে।
এসকল ঘটনায় মুজিব প্রকৃত অপরাধীদের বিচার না করে উল্টো সেনা কর্মকর্তাদের মধ্যে ২২জন তরুণ অফিসারকে বরখাস্ত করে। পরবর্তীতে দেখা যায় ২২ কর্মকর্তার মধ্যে ৩ জন অফিসার ডালিম, নূর এবং হুদা, যারা শেষ পর্যন্ত মুজিবকে হত্যায় অংশ নেন। সব মিলিয়ে ‘মেজরদেরদের গ্রুপ’ প্রচুর প্লট তৈরি করেছিলেন। তবে মেজরদের চূড়ান্ত পরিকল্পনাটি ছিল মুজিব, শেখ ফজলুল হক মনি এবং আবদুর রব সেরনিয়াবাতকে হত্যা করার সময় মুজিবের পুত্র কামাল ও জামালকে বন্দী হিসাবে গ্রহণ করা। এই অভিযানে ৭৫-১৫০ লোক নিয়ে তিনটি দল তৈরি করা হয়, যাদের সাথে ছিল ২৮টি ট্যাঙ্ক, ১২টি ট্রাক ও তিনটি জিপ।

১৯৭৫ সালের ১৫ ই আগস্ট ভোর সোয়া পাঁচটায় মেজর মহিউদ্দিন, প্রাক্তন মেজর নূর ও মেজর হুদা ধানমন্ডির ৩২ নাম্বারে মুজিবের বাড়ির দিকে ছুটে যান। দলটির যেকোনো মূল্যে অপারেশন সফল করার সিদ্ধান্ত ছিল। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই তারা মুজিবসহ তার পরিবারের ১৮ সদস্যকে হত্যা করতে সক্ষম হন। অবশ্য মুজিবের দুই মেয়ে হাসিনা ও রেহানা দেশের বাইরে থাকায় বেঁচে যায়। তবে মুজিব হত্যার মধ্য দিয়ে একজন অত্যাচারী স্বৈরশাসকের অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটে। একদলীয় সরকার তথা বাকশাল করার পরিকল্পনা সেখানেই মাটিচাপা পড়ে।

শেখ মুজিবের শাসনামলের দিকে দৃষ্টিপাত করলে মুজিবের নানা অপকর্মের ফিরিস্তি চোখে পড়ে। মুজিব দলপ্রীতি ও স্বজনপ্রীতির এক ভয়ানক মোহে আচ্ছন্ন ছিলেন পুরো সময়জুড়ে। তিনি স্বজন ও নেতাদের সীমাহীন দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার না হয়ে উল্টো অপরাধে ইন্ধন জুগিয়েছেন। দেশজুড়ে কায়েম করেছিলেন এক ভয়ঙ্কর মাফিয়া শাসন। আর এর শেষ পরিণতি ছিল তার শোচনীয় মৃত্যু। তার মৃত্যুর সংবাদ দেশজুড়ে আনন্দের ঢেউ তুলেছিল, সাধারণ মানুষেরা নিয়েছিল স্বস্তির নিঃশ্বাস। তবে নির্মম সত্য হচ্ছে, ‘ইতিহাসের বার বার পুনরাবৃত্তি ঘটে কিন্তু ইতিহাস থেকে কেউ শিক্ষা নেয় না।’ ইতিহাস থেকে শিক্ষা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী হাসিনাও নেননি। হাসিনা বলতে গেলে হুবহু বাবার পদাঙ্কই অনুসরণ করছেন। দুর্নীতি স্বজনপ্রীতি ও লুটপাটে তিনি তার বাবার চেয়ে কোনো অংশে পিছিয়ে নন, ক্ষেত্রবিশেষে বহুলাংশে এগিয়ে আছেন বলা যায়।

শেখ হাসিনা গত ১১ বছরে মাফিয়াতন্ত্র কায়েম করেছে। শেখ হাসিনার অন্যায়-অপকর্মের বিরুদ্ধে মুখ খুললেই নির্যাতনের স্টিমরোলার চালানো হচ্ছে। “ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন ফর হিউম্যান রাইটসের রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০০৯ সালের শুরু থেকে ২০১৮ সালের শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে ৫০৭টি গুমের প্রামাণ্য দলিল হিসেবে উপস্থাপন করেছে নাগরিক সমাজ বিষয়ক গ্রুপগুলো। গুম হয়ে যাওয়া মানুষের ভেতরে ২৮৬ জন জীবিত অবস্থায় ঘরে ফিরে এসেছেন। ৬২ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে মৃত অবস্থায়। বাকি ১৫৯ জন মানুষ আজও নিখোঁজ রয়েছেন।”

শেখ হাসিনাও তার বাবার মতো পুলিশ দিয়ে ভিন্নমত দমনে সিদ্ধহস্ত। আর তার বাবার রক্ষীবাহিনী বা লাল বাহিনীর স্থান দখল করেছে র‌্যাব নামক কালো বাহিনী। হাসিনার আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কথিত ক্রসফায়ার বা বন্দুকযুদ্ধে কেবল ২০১৬ সালে মোট ১৭৭ জন নিহত হয়েছেন৷ ২০১৭ সালে হয়েছেন ১৪১ জন৷ ২০১৮ সালে ৪২১ জন, যা আগের বছরের তুলনায় তিনগুণ বেশি৷ ২০১৯ সালেও ক্রসফায়ার বা বন্দুকযুদ্ধে নিহতের সংখ্যা দাড়িয়েছে ৩৬১ জনে৷

শেখ মুজিব তার ক্ষমতার অপব্যবহার করে ২২ জন সেনা অফিসারকে চাকরিচ্যুত করেছিলেন। আর শেখ হাসিনা ক্ষমতায় এসে ৫৭ জন সেনা অফিসারকে পিলখানায় নির্মমভাবে হত্যার ব্যবস্থা করেন।শাপলা চত্ত্বরে নবী প্রেমিক মুসলিম জনতার উপর চালিয়েছে নারকীয় গণহত্যা। এ ঘটনায় প্রকৃত মৃত্যুর সংখ্যা আজও অজানা।

শেখ মুজিবের আমলে আওয়ামী লীগ নেতারা দেশের সম্পদ পাচারের যে ধারার সূচনা করেছিলেন, সে ধারা সুনিপুণভাবে অব্যাহত রেখেছে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী সরকার। ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষণা সংস্থা ‘গ্লোবাল ফিনান্সিয়াল ইন্টেগ্রিটি’ বলছে, ২০১৫ সালে বাণিজ্যে কারসাজির মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে প্রায় ছয় বিলিয়ন ডলার বিদেশে পাচার হয়ে গেছে। বাংলাদেশী মুদ্রায় এটি প্রায় ৫ লাখ কোটি টাকার সমান। এভাবে প্রতি বছরই দেশের সম্পদ বাইরে পাচার করা হচ্ছে।

দেশের সম্পদকে কীভাবে লুট করা হয় তার একটি বাস্তব প্রমাণ হচ্ছে রুপপুরের ‘বালিশ কাণ্ড’। সেখানে একটি সরকারি ভবনে বালিশ কিনতে খরচ দেখানো হয়েছে ৫ হাজার ৯৫৭ টাকা। আর প্রতিটি বালিশ আবাসিক ভবনের খাটে তোলার মজুরি দেখানো হয়েছে ৭৬০ টাকা। কভারসহ কমফোর্টারের (লেপ বা কম্বলের বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত) দাম ধরা হয়েছে ১৬ হাজার ৮০০ টাকা। যদিও এর বাজারমূল্য সাড়ে ৪ হাজার থেকে সর্বোচ্চ সাড়ে ১৩ হাজার টাকা। একইভাবে বিছানার চাদর কেনা হয়েছে ৫ হাজার ৯৩৬ টাকায়। আবার ২০২০ সালে একটি হাসপাতালের আইসিইউ বিভাগের একটি পর্দা কিনতে ৩৭ লাখ টাকা খরচ হয়েছে বলে দেখানো হয়েছে। এভাবেই মুজিব আমলের চেয়েও অধিক লুটপাটের রাজত্ব কায়েম হয়েছে হাসিনার শাসন আমলে।

প্রতিটি পণ্যের উপর মাত্রাতিরিক্ত কর আর আওয়ামী লীগের নেতাদের পথে পথে চাঁদা দিতে দিতে অতিষ্ঠ দেশের আপামর জনসাধারণ। আওয়ামী নেতা ও সরকারি কর্মকর্তাদের দুর্নীতির টাকায় দেশে-বিদেশে বিলাসবহুল বাড়ির ব্যবস্থা হলেও দেশের হাজারো মানুষ গৃহহীন হয়ে রাজধানীর পথে পথে দিনাতিপাত করতে বাধ্য হচ্ছেন। মুজিব অপসংস্কৃতি চর্চার যে ধারা শুরু করেছিল তার বিস্তৃত রূপ দিয়েছে বর্তমান আওয়ামী সরকার। অপসংস্কৃতি রাষ্ট্রীয় মদদে প্রসার করে লাখো তরুণের চারিত্রিক শক্তি নিঃশেষ করে দেয়া হচ্ছে।

সর্বোপরি শেখ মুজিবের মতো এক বিচারহীনতার সংস্কৃতি দাঁড় করিয়েছে শেখ হাসিনা। মুজিব আমলের মতো এখন হাসিনার আমলেও দেশে বিচার নেই, আইনের শাসন নেই, ইসলাম পালনের পূর্ণ স্বাধীনতা নেই। আছে জেল-জুলুম-নির্যাতন, হত্যা-খুন-লুণ্ঠন, সীমাহীন দুর্নীতি, অর্থ পাচার ও ভারতের কাছে দেশকে বিকিয়ে দেয়ার চেষ্টা। মুজিব আমলে যেমন অসহায় মানুষেরা মুজিবের অপশাসন থেকে মুক্তির জন্য আল্লাহর দরবারে ফরিয়াদ করতো এখনও মানুষ শেখ হাসিনার অপশাসন থেকে মুক্তির জন্য ফরিয়াদ করছে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে নাভিশ্বাস ছাড়ছে নিম্ন আয়ের মানুষেরা। সত্তরের দশকে মুজিবের মাফিয়াতন্ত্র থেকে তিন বছরের মাথায় নিষ্কৃতি পেলেও, আজ শেখ হাসিনার মাফিয়াতন্ত্রের অধীনে এক যুগ ধরে বাস করছে সাধারণ মানুষ। এক্ষেত্রে মাফিয়াতন্ত্রের ব্যাপারে হাসিনা সরকারের দক্ষতাকে অস্বীকার করা যায় না।
অত্যণ্ত দক্ষতার সাথে হাসিনা সরকার বাংলাদেশকে মাফিয়াদের স্বর্গরাজ্যে পরিণত করেছে; আর জনসাধারণের জন্য এ ভূমি হয়েছে এক টুকরো জাহান্নাম।

(সমাপ্ত)

লেখক: রাফিদ ইয়াজভান

পড়ুন প্রথম পর্ব-

মাফিয়াতন্ত্র: শেখ মুজিবের পথ ধরেই হাঁটছে শেখ হাসিনা (প্রথম পর্ব)

আরো পড়ুন:

ফিরে দেখা শেখ মুজিবের শাসনকাল

পর্ব:১ https://alfirdaws.org/2020/12/18/45141/

পর্ব:২ https://alfirdaws.org/2021/01/06/45747/

পর্ব:৩ https://alfirdaws.org/2021/01/09/45858/

পর্ব: ৪ https://alfirdaws.org/2021/01/30/46541/

পর্ব: ৫ https://alfirdaws.org/2021/02/02/46670/


রেফারেন্স:
1/ Bangladesh: Untold facts, Shariful Haq Dalim
2/ Bangladesh in 1975: The Fall of the Mujib Regime and its Aftermath, University of California Press
3/ Bangladesh: A Legacy of Blood, Anthony Mascarenhas
4/ What happened to those who broke up Pakistan in 1971?
5/ ইতিহাসের কাঠগড়ায় আওয়ামী লীগ, আহমদ মূসা।
৬/ bbc.com/bengali/news-49593230

4 মন্তব্যসমূহ

মন্তব্য করুন

দয়া করে আপনার মন্তব্য করুন!
দয়া করে এখানে আপনার নাম লিখুন