আফগান পুনর্ঘটনে চলছে তালিবানদের জোরদার কার্যক্রম

10
1256
আফগান পুনর্ঘটনে চলছে তালিবানদের জোরদার কার্যক্রম

আফগান পুনর্ঘটনে দেশটির বিভিন্ন রাজ্যে সড়ক, স্কুল, মসজিদ-মাদ্রাসা, হাসপাতাল নির্মাণসহ জনকল্যাণকর বিভিন্ন কার্যক্রম শুরু করেছেন তালিবান মুজাহিদিনরা।

এরই ধারাবাহিতায় দেশটির জাবুল প্রদেশের রাজধানী কালাত থেকে আরঘান্দাব জেলার বাঘ অঞ্চল পর্যন্ত ৩২ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য একটি সড়ক নির্মাণ কাজ শুরু করেছে তালিবান। তিনটি ছোট সেতু এবং দুটি রক্ষণাবেক্ষণ প্রাচীর নিয়ে গঠিত এই সড়কটি তালিবানদের গণপূর্ত বিভাগ কর্তৃক নির্মাণ করা হচ্ছে। যা শীঘ্রই ব্যবহারের জন্য খোলে দেওয়া হবে।

তালিবান মুখপাত্র ক্বারী ইউসুফ আহমদী আরও বলেছিলেন যে, জাবুল প্রদেশের কাবুল-কান্দাহার মহাসড়কের ক্ষতিগ্রস্ত অংশগুলিও পুনর্নির্মাণ কাজ শুরু করেছেন তাঁরা।

তালিবান সম্প্রতি অনেক জেলা এবং সামরিক ঘাঁটি বিজয় করেছেন। পাশাপাশি জন কল্যাণমূলক প্রকল্প এবং বেসামরিক পরিষেবা প্রদানের জন্য একটি গণপূর্ত বিভাগও গঠন করেছে তালিবান।

নবগঠিত এই বিভাগটি এখন অবধি কুন্দুজ, বাগলান, হেলমান্দ, কান্দাহার, জাবুল, ময়দান ওয়ার্দাক, পাকতিয়া সহ বেশ কয়েকটি প্রদেশে কয়েক ডজন স্বাস্থ্যকেন্দ্র, স্কুল, মসজিদ, কালভার্ট এবং অন্যান্য সরকারি ভবন নির্মাণ করছে।

সামরিক অগ্রগতির পাশাপাশি, তালিবানদের উন্নয়ন খাতে এসব কার্যক্রম দেখে সাধারণ মানুষ তালিবানদের নতুন রাষ্ট্র (ইসলামিক ইমারত) গঠনে ব্যাপকভাবে স্বাগত জানিয়েছে, যারা তালিবানদের এসব কার্যক্রমকে সুশাসনের দিকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসাবে দেখছেন।

10 মন্তব্যসমূহ

  1. ভাই, আপনাকে ভালো ভেবে উত্তর দেওয়ার আশা করেছিলাম কিন্তু এখন দেখছি আপনি চরম পর্যায়ের মিথ্যুক। প্রথমত আপনি প্রশ্ন করার ক্ষেত্রে মিথ্যার আশ্রয় নিয়েছেন। দ্বিতীয়ত আপনি যে ভিডিও দিয়েছেন সেগুলো তালিবান মুজাহিদ গণের নির্ভরযোগ্য কোনো ওয়েবসাইট নয়। তৃতীয়ত আপনি কথায় কথায় বলেছেন, “মোল্লা ওমর বলেছেন” অথচ মোল্লা ওমর রহিঃ চুক্তির বহু আগে রবের সান্নিধ্যে পারি জমিয়েছেন।
    মোট কথা আপনি আপনার প্রত্যেকটি কথার ভিত্তি রেখেছেন, মিথ্যার উপর। আর আপনার কথা অনুযায়ী আজ থেকে চৌদ্দ শত বছর পূর্বে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম খারেজী ছিলেন। কারণ তিনি মক্কার মুশরিকদের সাথে হুদাইবিয়াতে, মদিনার ইহুদীদের সাথে চুক্তি করেছেন। নাউযুবিল্লাহ। উম্মাহর ইজমা ভুল ছিলো। আপনি তো কুরআনের আয়াত অস্বীকার করেছেন। আল্লাহ বলেন, وإن جنحوا للسلم فاجنح لها وتوكل على الله যদি তারা চুক্তির দিকে ঝুঁকে তাহলে তোমরাও ঝুঁকে পড়ো এবং আল্লাহর উপর ভরসা করো। সূরা আনফাল (৬১) ।অবশেষে বলবো, আপনি কোনো আলিম নন। তাই সময় থাকতে একজন ভালো আলিমের সাথে পরামর্শ করে নিজের অবস্থান ঠিক করুন। আল্লাহ তা’আলা আমাদের হক বুঝার তাওফীক দান করুন। আমীন ইয়া রব্বাল আলামীন।

    • কেন তালেবান মোল্লা উমর রহ. মারা যাওয়ার পরও তাঁর নামে বক্তব্য পেশ করেছে? আর আমি কখন বলেছি, মোল্লা উমর রহ. চুক্তির পরে এই কথাগুলো বলেছেন? তিনি তো ২০১৩ সালে মারা যান। তবে অনেক সময় ধরে, তালেবান মোল্লা উমরের নাম দিয়ে বার্তা দিতে থাকে।
      ভিডিওগুলো তালেবান দিলো নাকি অন্য কেউ দিলো তা যায় আসে না,কারণ ভিডিওতে তো কথা বলছেন তালেবান এর লোকেরা,নাকি এটাও বলেবেন, ভিডিওতে যারা কথা বলেছে সে তালেবান না?!
      তালেবান কেন চুক্তি করেছে,এই ব্যাপারে আমি কি কিছু বলেছি? বরং তালেবান তাগুতের সাথে বন্ধুত্ব করার কথা বলেছে এই জন্য আমি তাদের সমালোচনা করেছি।

  2. তালেবান কি সম্পূর্ণ শরীয়া আইনে শাসন করে?
    কেউ নিশ্চিতভাবে জানলে,জানাবেন ইনশাআল্লাহ।
    আব্দুল্লাহ

    আপনি তালিবানের ব্যাপারে কিছু না জেনে এভাবে ঢালাও ভাবে তাদের গোমরাহ মনে করেন। আর যতটুকু জানেন তাও আপনাদের হাতে নির্মিত ডকুমেন্টারি থেকে। এই গন্ড মুর্খতার পরিচয় বহন করে। শরীয়াহর নীতি হলো, কোনো কিছু যাচাই করতে হলে প্রত্যেক পক্ষের নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে বিষয়টি জানতে হয়। আপনি তা করেননি। আপনি তাদের সাথে চলেননি।

    তারপর আপনি আপনার এই মত নিয়ে এতো আনন্দিত অথচ আপনাদের আইসিসের সদস্যরা আফগানিস্তানে তালিবানদের সাথে যখন পেরে না উঠে আফগানের মুরতাদ শাসকের সাথে গিয়ে যোগ দেয়। যা সর্বস্বীকৃত।
    মোট কথা কথা আইসিস উম্মাহর সর্সম্মতিক্রমে খারেজি ।

    • তালেবান বার বার বলে, তারা তাগুতের সাথে বন্ধুত্ব করতে চায়,তাই আমার সন্দেহ হলো তারা কী সত্যিই শরীয়া আইনে শাসন করে কিনা?
      আর ভিডিওতে তো সরাসরি দেখা যাচ্ছে তারা তাগুতের সাথে বন্ধুত্ব করার,দারুল কুফরের সাথে বন্ধুত্ব করার কথা বলছে।

মন্তব্য করুন

দয়া করে আপনার মন্তব্য করুন!
দয়া করে এখানে আপনার নাম লিখুন