আবারো চাঁদার জন্য নির্যাতন : স্থায়ী প্রতিকার কি?

0
399
আবারো চাঁদার জন্য নির্যাতন : স্থায়ী প্রতিকার কি?

চাঁদার জন্য থানায় নিয়ে নির্যাতন করা যেন পুলিশের অবৈধ উপার্জনের ট্রেডমার্ক হয়ে দাড়িয়েছে। জনগণের ট্যাক্সের টাকায় পালিত পুলিশ এবার এই কাণ্ড ঘটাল মুন্সীগঞ্জে। লৌহজং থানার এসআই আবু তাহের মিয়া চাঁদার জন্য মো: রিপন শেখকে ধরে থানায় নিয়ে চোখবেঁধে নির্যাতনের অভিযোগে মামলা হয়েছে।

গত ৪ সেপ্টেম্বর এসআই আবু তাহের মিয়া সিভিল পোশাকে রিপনকে বাড়ি থেকে ধরে থানায় নিয়ে যায়। পরে চোখমুখ বেঁধে তাকে মারধর করে পাঁচ হাজার টাকা চাদা দাবি করে। রিপন চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে এসআই আবু তাহের তাকে মারধর করে।

মারধরের পর এসআই আবু তাহের এও বলেছিল যে, “তোর স্ত্রীকে বাড়ি লিখে না দিলে তোকে জানে মেরে ফেলবো।” এতে করে এই কাজে রিপনের স্ত্রী ও এসআই আবু তাহেরের মধ্যেকার যোগসাজসের বিষয়টিও প্রকাশ্যে এসেছে।

যে পুলিশের নিয়োজিত থাকার কথা জনগণের সেবায়, তারা কেন দেশজুড়ে একের পর এক এমন জনবিরোধী কাজ করে যাচ্ছে? – এই প্রশ্নের উত্তরে বিশেষজ্ঞরা সরকারের পুলিশনির্ভরতাকে দায়ী করেছেন। দালাল সরকার এবং তাদের পেটোয়াবাহিনীতে পরিণত হওয়া পুলিশ – উভয়ে একে অপরের জুলুম আর লুটপাটের সাহায্যকারীর ভূমিকা গ্রহণ করেছে। একারণে সরকারও অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যদের বদলি কিংবা সাময়িক বরখাস্তের মতো লঘু শাস্তি দিয়েই ছেড়ে দিচ্ছে। এতে করে পুলিশের এধরনের অপরাধপ্রবণতা আর বেপরোয়াভাব দিন দিন বেড়েই চলেছে।

যতদিন পর্যন্ত না এই গণতান্ত্রিক জুলুমি সরকার ব্যবস্থা পরিবর্তিত হচ্ছে, ততদিন এসব অত্যাচার-জুলুম থেকে জনগণের পূর্ণ মুক্তি হয়তো মিলবে না।

মন্তব্য করুন

দয়া করে আপনার মন্তব্য করুন!
দয়া করে এখানে আপনার নাম লিখুন