হাসিনার মুখে এবার ‘ঘর ভাঙার গল্প’

0
854
হাসিনার মুখে এবার ‘ঘর ভাঙার গল্প’

“… আমরা বিভিন্ন এলাকায় ঘর তৈরি করে দিয়েছি। তিন শ’টি ঘর কিছু মানুষ বিভিন্ন এলাকা থেকে গিয়ে হাতুড়ি-শাবল দিয়ে ভেঙ্গে তারপর মিডিয়ায় ছবি তুলেছে। এদের নাম-দাম তদন্ত করে সব বের করা হয়ে গেছে। আমার কাছে পুরো রিপোর্টটা আছে।”
– এভাবেই দলীয় লুটেরা আর প্রসাশনের পক্ষ নিয়ে জতিকে ঘর ভাঙার কল্পকাহিনী শুনাল দালাল প্রধানমন্ত্রী হাসিনা। সে আর তার লোকেরা কষ্ট করে ঘর বানায়, আর বিরোধী লোকেরা হাতুড়ি-শাবল দিয়ে ঘর ভেঙে ছবি তুলে, মিডিয়াও আবার যাচাই না করেই সেই ছবি প্রকাশ করে – এমন কথাও বলেছে হাসিনা। খবর – নয়া দিগন্ত ও আমাদের সময়।

দুর্নীতিবাজদের পক্ষে সাফাই গেয়ে ‘মাদার অফ মাফিয়া’ খ্যাত হাসিনা আরও বলে, “৯টা জায়গায় আমরা পেয়েছিলাম যেখানে কিছুটা দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে। সেটা মাত্র ৯টা জায়গায় কিন্তু অন্যত্র আমি দেখেছি যে, প্রত্যেকেই আন্তরিকতার সাথে কাজ করেছেন।”
আবার কয়েক জায়গায় বৃষ্টিতে মাটি ধ্বসে ঘর নষ্ট হওয়ার গল্প শুনিয়ে পরিবেশবীদের দায়িত্বও পালন করেছে হাসিনা!

বিশেষজ্ঞরা বলছেন হাসিনার এমন সব বক্তব্যেই তার দলীয় লুটেরা আর দুর্নীতিবাজ আমলারা অবাধে লুটপাট চালিয়ে যাওয়ার অঘোষিত লাইসেন্স পেয়ে যায়। প্রধানমন্ত্রীর পদে থাকা একজনের কাছ থেকে এমন ভারসাম্যহীন বক্তব্য আশা করেনা জাতি।

কেউ কেউ অবশ্য বলছেন, এরকম আজগুবি গল্প শুনিয়ে জাতিকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা বাংলাদেশের রাজনীতিবিদদের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। এর আগেও রানা প্লাজা ধ্বসের ঘটনায় ‘জামাত-শিবিরের লোকেরা মিছিল করে ধাক্কা দিয়ে ভবনটি ধ্বসিয়ে দিয়েছে’ বলে মন্তব্য করে হাসির পাত্র হয়েছিল তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ম.খা. আলমগির।

এবার চক্ষুলজ্জাকে একপাশে সরিয়ে হাসিনার এমন বক্তব্য বোধয় অন্য সবাইকে ছাড়িয়ে যাবে।
তাই, সচেতন মুসলিম চিন্তাবিদগণ বলছেন, এরকম নীতিহীন রাজনৈতিকদের কাছে দেশ ও জাতির ভবিষ্যৎ কতটা নিরাপদ, তা এদেশের মুসলিম জনতার ভেবে দেখা উচিৎ।

মন্তব্য করুন

দয়া করে আপনার মন্তব্য করুন!
দয়া করে এখানে আপনার নাম লিখুন