
আফগানিস্তানের নিরাপত্তার বিরুদ্ধে ব্যবহৃত দায়েশ ও সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর একাধিক ঘাঁটিতে সফল ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইমারাতে ইসলামিয়ার বিমান বাহিনী। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বেলুচিস্তান ও খাইবার পাখতুনখোয়ার এসব ঘাঁটি থেকে আফগানিস্তানের অভ্যন্তরে নাশকতা ও বেসামরিক নাগরিকদের ওপর হামলার পরিকল্পনা ও সমন্বয় করা হতো। হামলায় দায়েশ সদস্য, সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সদস্য এবং তাদের সহযোগীদের ব্যাপক হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
ইমারাতে ইসলামিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বিমান বাহিনী বেলুচিস্তানের পিশিন জেলার সারানান এলাকায় অবস্থিত দায়েশ ও সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর একটি যৌথ ঘাঁটিতে সফল ভাবে ড্রোন হামলা চালায়। মন্ত্রণালয় জানায়, এই ঘাঁটি থেকে আফগানিস্তানের ভেতরে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড এবং হামলার পরিকল্পনা করা হতো। একই সঙ্গে আফগান বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্য করে পরিচালিত হামলাগুলোর সমন্বয়ও এই কেন্দ্র থেকেই করা হতো।
এছাড়া পৃথক অভিযানে খাইবার পাখতুনখোয়ার কাম্বার খেল এলাকায় অবস্থিত একটি দায়েশ ঘাঁটি এবং চিত্রালের শাহ সালিম উপত্যকার গরম চশমা এলাকায় অবস্থিত দায়েশ ও সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর আরেকটি যৌথ কেন্দ্রেও সফল ড্রোন হামলা চালানো হয়। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের ভাষ্য অনুযায়ী, এসব কেন্দ্রও আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে নাশকতা এবং বেসামরিক জনগণের ওপর হামলার পরিকল্পনায় ব্যবহৃত হচ্ছিল।
প্রাথমিক তথ্যের বরাতে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হামলায় দায়েশ সদস্য, সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সদস্য এবং তাদের সহযোগীদের ব্যাপক প্রাণহানি ও উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। অভিযানগুলো অত্যন্ত নিখুঁতভাবে পরিচালিত হওয়ায় কোনো বেসামরিক নাগরিক হতাহত হননি।
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় স্পষ্ট জানিয়েছে, আল্লাহর ইচ্ছায় আফগানিস্তানের নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে ব্যবহৃত হবে—এমন যেকোনো স্থান বা ঘাঁটি ভবিষ্যতেও আফগান বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনীর লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হবে।
তথ্যসূত্র
1. Airstrikes Carried Out on Joint ISIS and “Mischief and Corruption” Centers in Balochistan and Khyber Pakhtunkhwa
– https://tinyurl.com/2ey4masp


