
ভারতের কর্ণাটকে স্থানীয় বিধায়ক কর্তৃক নির্বাচন কমিশনের কাছে জমা দেওয়া তথ্যে আট জীবিত মুসলিম নারীকে ‘মৃত’ হিসেবে দেখানো হয়েছে। ভুক্তভোগী মুসলমান নারীরা বিজয়পুরার স্থানীয় বাসিন্দা। তাদের দাবি, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) সময় উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে এমন ভুল তথ্য জমা দিয়েছে স্থানীয় হিন্দুত্ববাদী বিধায়ক। মুসলিম বলেই তাদের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে তারা অভিযোগ করেছেন।
বুধবার বেঙ্গালুরুতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ উত্থাপন করেন ভুক্তভোগী নারীরা। তারা তাদের নামে তৈরি ভুয়া মৃত্যুসনদসহ বিভিন্ন নথির কপি সংবাদ সম্মেলনে দেখান। তাদের অভিযোগ, এসব নথি ব্যবহার করেই তাদেরকে মৃত হিসেবে দেখানো হয়েছে।
রজিয়া শেখ নামে এক বাসিন্দা বলেন, তিনি জীবিত থাকা সত্ত্বেও তার নামে একটি ভুয়া মৃত্যুসনদ জমা দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনার প্রেক্ষিতে তিনি রেশন কার্ড ও অন্যান্য সরকারি সুবিধা থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। অভিযোগ অনুযায়ী, রজিয়া শেখসহ আরও সাত মুসলিম নারীকে নথিতে মৃত দেখানো হয়েছে।
গত ৩১ আগস্ট নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তাদের কাছে ১ হাজার ৫৪ জনের একটি তালিকা জমা দিয়েছিল বিজয়পুরার হিন্দুত্ববাদী বিধায়ক বাসানাগৌড়া পাটিল ইয়াতনাল। ওই তালিকার আটজনের ক্ষেত্রে মৃত্যুসনদ সংযুক্ত করা হয়েছিল। কিন্তু বাস্তবে, এই আটজনই জীবিত মুসলিম নারী।
এই ঘটনায় বিজয়পুরার বিধায়কসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী মুসলিম নারী ও একটি অধিকার সংগঠনের কর্মীরা।
তথ্যসূত্র:
1. https://tinyurl.com/yc8ajh2y


