
ভারতের উত্তরাখণ্ডে মাদ্রাসা বোর্ড বিলুপ্তির পর অনুমোদনবিহীন দাবি করে মোট ২০টি মাদ্রাসা বন্ধ করে দিয়েছে উগ্র হিন্দুত্ববাদী প্রশাসন। প্রশাসনের দাবি, তারা মোট ১৭টি মাদ্রাসা সিলগালা করেছে। অপরদিকে ৩টি মাদ্রাসা হিন্দুত্ববাদী প্রশাসনের চাপে স্বেচ্ছায় তাদের কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে।
উক্ত অভিযানে সর্বশেষ বন্ধ হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলো হলো দেরাদুন জেলায় অবস্থিত আজাদ কলোনির মাদ্রাসা জামিয়া-তুস-সালাম আল-ইসলামিয়া, মাদ্রাসা দার-ই-আরকাম এবং মাদ্রাসা দারুল উলুম রহিমিয়া।
রাজ্যের সংখ্যালঘু কল্যাণ বিভাগের দাবি, প্রয়োজনীয় স্বীকৃতি ও নথিপত্র ছাড়াই মাদ্রাসাগুলো পরিচালিত হচ্ছিল। তাই সরকারের চলমান মাদ্রাসা বিরোধী অভিযানে এগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়।
অপরদিকে অভিযোগ, রাজ্যে মাদ্রাসা বোর্ডের বিলুপ্তি এবং সংখ্যালঘুদের (মুসলমানসহ) জন্য অভিন্ন শিক্ষা কাঠামো প্রতিষ্ঠাসহ মুসলমানদের ধর্মীয় শিক্ষা বিরোধী নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে হিন্দুত্ববাদী সরকার। বিতর্কিত এসব পদক্ষেপের ফলেই রাজ্যের মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থা হুমকির মধ্যে পড়েছে।
সমালোচকদের অভিযোগ, মাদ্রাসাগুলোর বিরুদ্ধে ক্রমবর্ধমান ক্র্যাকডাউনে বিতর্কিত বিধিগুলোও সঠিকভাবে প্রয়োগ করা হচ্ছে কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। যেমন, বিধিগুলো মেনে চলতে পর্যাপ্ত সময় ও সুযোগ দেওয়ার পূর্বেই প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে, বন্ধ হওয়া এসব মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ শিক্ষা নিয়ে সরকারের কোন সদিচ্ছা পরিলক্ষিত হচ্ছে না।
তথ্যসূত্র:
1. https://tinyurl.com/tf6pjpzv


