
আল-কায়েদা সংশ্লিষ্ট সশস্ত্র প্রতিরোধ বাহিনী জামা’আত নুসরাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলিমিন (JNIM) গত ৫ সেপ্টেম্বর শনিবার সন্ধ্যায় এক বিবৃতিতে নিশ্চিত করেছে যে, তারা মালির রাজধানী বামাকোর কাছে মালিয়ান সেনাবাহিনীর (জান্তা) একটি সেনা চৌকির নিয়ন্ত্রণ নিয়েছেন। এই আক্রমণটি মালির ক্ষমতার কেন্দ্রের কাছাকাছি জেনিমের(JNIM) কার্যক্রমের উল্লেখযোগ্য অগ্রগতিকে নির্দেশ করে।
উল্লেখ্য, দলটির প্রতিরোধ যোদ্ধারা মাত্র কয়েকদিন আগেই, (২ সেপ্টেম্বর) পার্শ্ববর্তী দেশ নাইজারের রাজধানী নিয়ামে থেকে ১০ কিলোমিটার দূরের একটি সামরিক পোস্টে আক্রমণ চালিয়ে এর নিয়ন্ত্রণ নিয়েছেন। একই দিনে, দলটি মালির রাজধানী বামাকোর কাছাকাছি একটি মালিয়ান সেনা কনভয় লক্ষ্য করে একটি অ্যামবুশও করেছিল।
প্রতিরোধ বাহিনী জেনিম (JNIM) এক সপ্তাহেরও কম সময়ের মধ্যে পার্শ্ববর্তী দুইটি দেশের রাজধানীর খুব কাছের দুইটি সামরিক পোস্টে আক্রমণ চালিয়ে সেগুলোর নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করল।
আবার, এক সপ্তাহেরও কম সময়ের ব্যবধানে মালির রাজধানী বামাকোর আশেপাশে দুটি পৃথক সামরিক অভিযানের সংবাদ এমন সময়ে এসেছে, যখন মালির জান্তা কর্তৃপক্ষ রাজধানী এবং গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনাগুলোর চারপাশে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা প্রণয়নের দাবি করেছে। অপরদিকে জেনিম(JNIM) প্রতিনিয়তই অভিযানের মাত্রা ও নিজেদের শক্তিবৃদ্ধির প্রমাণ দিয়ে যাচ্ছে।
জেনিমের (JNIM) এই হামলাগুলো ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। বামাকো মালির কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত এবং এটি দেশটির রাজনৈতিক ও সামরিক প্রতিষ্ঠানগুলোর কেন্দ্র। এর আশেপাশে সশস্ত্র অভিযানের ঘটনা কর্তৃপক্ষের উপর ক্রমবর্ধমান নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জের পরিধিকেও বিবৃত করে। কেননা এর আগে জেনিমের সশস্ত্র অভিযানগুলো প্রধানত মধ্য মালি এবং উত্তরাঞ্চলে কেন্দ্রীভূত ছিল।
তথ্যসূত্র:
– https://t.co/yd9IX5oXlk


