
সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন করে গত ২২ ফেব্রুয়ারি ভোররাতে চালানো পাকিস্তানের সামরিক আগ্রাসনের জবাবী হামলায় ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানিস্তানের সেনাবাহিনী পাকতিকা, পাকতিয়া, খোস্ত, কুনার, নুরিস্তান এবং নাঙ্গারহার প্রদেশের সীমান্ত এলাকার কাল্পনিক ডুরান্ড লাইন বরাবর ২টি সামরিক ঘাঁটি এবং ১৯টি সামরিক পোস্ট দখলে নেয়। উক্ত জবাবী হামলায় ৫৫ পাকিস্তানী সেনা নিহত এবং আরও বহু সংখ্যক আহত হয়। বিপরীতে ইমারাতে ইসলামিয়া সেনাবাহিনীর ৮ জন মুজাহিদ শাহাদাতবরণ করেন।
সেনাপ্রধান ক্বারী ফাসিহউদ্দিন ফিতরাত হাফিযাহুল্লাহ’র নির্দেশে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা অনুযায়ী ২৬ ফেব্রুয়ারি রাত ৮.০০টায় জবাবী হামলা শুরু করে রাত ১২.০০টায় উক্ত জবাবী হামলা শেষ করেন ইমারাতে ইসলামিয়ার সেনাবাহিনী। এসময় শুধুমাত্র পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীকেই লক্ষ্যবস্তু করা হয়।
এই অভিযানে ইমারাতে ইসলামিয়ার সেনাবাহিনী শত্রু সেনাদের চেকপয়েন্ট থেকে কয়েক ডজন হালকা ও ভারী অস্ত্র, গোলাবারুদ এবং সামরিক সরঞ্জাম জব্দ করেছে, পাশাপাশি শত্রুর একটি ট্যাঙ্ক এবং একটি বড় সেনা পরিবহন গাড়িও জব্দ করেছে।
অপরদিকে ইমারাতে ইসলামিয়ার জবাবী আক্রমণ শেষে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী পুনরায় কাবুল, কান্দাহার এবং পাকতিয়ার কিছু বেসামরিক এলাকায় বিমান হামলা চালিয়েছে। এতে ইমারাতে ইসলামিয়ার সেনা সদস্যদের কেউ হতাহত হয়নি, তবে নানগারহারের শরণার্থী শিবিরে পাকিস্তানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ১১ জন এবং অন্যান্য এলাকায় আরও ১৩ জন বেসামরিক মানুষ আহত হন।
এই আপডেট ২৭ ফেব্রুয়ারি ভোররাত ৩.১০টায় ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইনায়াত উল্লাহ খোয়ারজমী হাফিযাহুল্লাহ তাঁর এক্স একাউন্টে প্রকাশ করেন।
তথ্যসূত্র
– https://tinyurl.com/2wmjmcbw


