দেওবন্দ পরিণত হয়েছে সন্ত্রাসীদের সেনানিবাসে! হাই-এলার্টের মধ্যেই বিক্ষোভ

0
748
দেওবন্দ পরিণত হয়েছে সন্ত্রাসীদের সেনানিবাসে! হাই-এলার্টের মধ্যেই বিক্ষোভ

ভারতের নতুন নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদে বিক্ষোভের পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ-প্রশাসন দারুল উলুম দেওবন্দ এলাকাকে সন্ত্রাসীদের সেনানিবাসে পরিণত করেছে। গত কয়েকদিনের মতো শুক্রবারও দিনভর সাহারানপুরসহ দেওবন্দ এলাকায় পুলিশি টহল অব্যাহত ছিল।

১৬ ডিসেম্বর থেকে হাইএলার্টের মধ্যেই দিন কাটছে স্থানীয় মুসলিমদের। দোকানে দোকানে ঝুলছে কালো পতাকা। এলাকার চক ফোয়ারা জামে মসজিদের চারপাশে বিপুল সংখ্যক সন্ত্রাসী সেনা অবস্থান করছে। একই সঙ্গে, ভারী যানবাহনের জন্য রুটটি সকাল ছয় থেকে সন্ধ্যা ৬ টায় সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

এদিকে দারুল উলুম দেওবন্দের শিক্ষার্থীদের দ্বারা বিক্ষোভের সম্ভাবনার কারণে দারুল উলূম এলাকায় পুলিশ সন্ত্রাসী বাহিনী ২৪ ঘন্টা অবস্থান করছে। গোয়েন্দা সংস্থাগুলিও পুরোপুরি সক্রিয় রয়েছে।

এরই মধ্যে গত জুমার নামাজে হাজারো মানুষ অংশগ্রহণ করে বিভিন্ন মসজিদে। আল্লাহর দরবারে ফরিয়াদ করেন ভারতের মুসলিমদের নিরাপত্তার জন্য। পরে হাজার হাজার মুসলিমদের অংশগ্রহণে দফায় দফায় বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

 

এছাড়াও দেওবন্দ শুক্রবার নামাজের পর এনআরসি ও ক্যাবের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে হিন্দু মুসলিম উভয় সম্প্রদায় দোকানপাঠ বন্ধ করে দিয়েছে।

এসপি ভিণীত ভট্টনগর বলেছেন,  বিক্ষোভের পরিপ্রেক্ষিতে মহানগরীতে পূর্ণ নজরদারি নেওয়া হচ্ছে। এ বিষয়ে পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। এর মধ্যেই পতাকা মিছিল বের করা হচ্ছে। জুমার নামাজের পরিপ্রেক্ষিতে জামে মসজিদের আশেপাশে পুলিশ, আরএএফ এবং পিএসি এবং থানা মোতায়েন করা হয়েছে।

গত সোমবার (১৬ ডিসেম্বর) ভারতের ঐতিহ্যবাহি দীনি বিদ্যাপীঠ দারুল উলুম দেওবন্দেও নাগরিত্ব বিলের বিরুদ্ধে শুরু হয় বিক্ষোভ। দফায় দফায় পুলিশের সাথে ছাত্রদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। পরে শিক্ষকদের আহ্বানে বিক্ষোভ থেকে ফিরে যায় দারুল উলুমের ছাত্ররা।

https://web.facebook.com/427173144135423/videos/458615298156304/

آج بعد نماز جمعہ دیوبند میں این آر سی اور کیب کے خلاف پر امن احتجاجی مظاہرہہزاروں افراد نے کی شرکت

Posted by Islamic Media dbd on Friday, 20 December 2019

 

এদিকে সোমবার থেকেই দারুল উলুমের শিক্ষার্থীদের এ বিক্ষোভে থেকে দূরে রাখতে মাদরাসায় পুলিশ টহল চালায়।শান্তি বজায় রাখার জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে সাহরানপুর জেলার ইন্টারনেট সুবিধা পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হয়।

সূত্র: ইসলামি মিডিয়া (উর্দু)।

মন্তব্য করুন

দয়া করে আপনার মন্তব্য করুন!
দয়া করে এখানে আপনার নাম লিখুন