‘ছেলে বন্ধু’র সাথে ব্যভিচার, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে মারা গেল স্কুলছাত্রী

2
1471
কলাবাগানে ইংলিশ মিডিয়ামের ছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যা

রাজধানীর কলাবাগান থানা এলাকায় ‘ও’ লেভেল পড়ুয়া এক কিশোরী তার ছেলে বন্ধুর বাসায় যিনা করার পর অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে মারা গেছে। মৃত কিশোরীর নাম আনুশকাহ নূর আমিন (১৮)। সে মাস্টার মাইন্ড স্কুলের ছাত্রী।

বৃহস্পতিবার দুপুরে কলাবাগানের ডলফিন গলিতে মেয়েটির কথিত বন্ধু দিহানের বাসায় এই ঘটনা ঘটে। পরে অসুস্থ হয়ে পড়লে দিহানসহ চার বন্ধু আনুশকাহকে ধানমন্ডির মডার্ন আনোয়ার খান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। পরে বিকালে হাসপাতালে আনুশকাহ মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে।

চিকিৎসকরা বলছেন, ছেলে বন্ধুর সাথে অবৈধ মিলনের পর আনুশকার শরীর থেকে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হচ্ছিল। তার পেটের ডান পাশে আঘাতের চিহ্ন ছিল। পরে কলাবাগান থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়।
কলাবাগান থানার পরিদর্শক (অপারেশন্স) ঠাকুর দাস বলেন, ওই ছাত্রীর বাসা ধানমন্ডির সোবহানবাগে। বৃহস্পতিবার বেলা ১২টার দিকে ওই ছাত্রী তার বন্ধুর সঙ্গে দেখা করার কথা বলে বাসা থেকে বের হয়ে যায়। কলাবাগানের ডলফিন গলিতে বন্ধু দিহানের বাসায় যায় ওই ছাত্রী। দিহানের বাসা তখন ফাঁকা ছিল। সেখানে কথিত ঐ বন্ধুর সাথে অনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের পর অসুস্থ হয়ে পড়লে দিহান তার তিন বন্ধুকে ফোন করে ডেকে আনে। পরে তারা অসুস্থ আনুশকাকে চিকিৎসার জন্য মডার্ন আনোয়ার খান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে বিকালে তার মৃত্যু হয়।

এমন ঘটনা সমাজে এখন অহরহ ঘটছে। সমাজের সর্বস্তরে আজ যিনা-ব্যভিচারের বিস্তার হয়েছে; যৌন উন্মাদনায় মেতে ওঠছে কিশোর-কিশোরী। আর এর ফলাফলস্বরূপ কখনো রাস্তাঘাটে কিংবা স্কুল-কলেজের বাথরুমে পাওয়া যাচ্ছে জীবিত বা মৃত নবজাতক, কখনো আবার শোনা যাচ্ছে ধর্ষণ কিংবা গণধর্ষণের ঘটনা। দেশের সংবিধানে ইসলামবিরোধী ও অযৌক্তিক আইন করে বিয়েকে কঠিন করা হলেও, বৈধতা দেওয়া হয়েছে যিনা-ব্যভিচারের, এমনকি রাষ্ট্রের হর্তাকর্তারা এসব ঘৃণিত কাজে উৎসাহিত পর্যন্ত করছে। আজ আনুশকার মতো মেয়েদের মৃত্যুতে তার পরিবার, তার কথিত ছেলে বন্ধু এবং সে নিজে যেমন দায়ী, তেমনি দেশের সংবিধান, দেশের সরকারও দায়ী। দেশের কথিত সুশীল-বুদ্ধিজীবীরাও এর দায় কোনোভাবে এড়াতে পারবে না বলে মনে করেন ইসলামি ব্যক্তিত্বগণ। কেননা, কথিত এই বুদ্ধিজীবীগোষ্ঠী সমাজে অশ্লীলতা ছড়িয়ে দিতে প্রধান ভূমিকা পালন করছে। প্রতিটি ধর্ষণের পেছনে এসব গোফওয়ালা বুদ্ধিজীবীদের হাত রয়েছে।

2 মন্তব্যসমূহ

  1. এটাই হলো গণতন্ত্রের ফসল। গণতন্ত্র এর চেয়ে ভালো আর কি উপহার দিবে। যতদিন পর্যন্ত এই নোংরা গণতন্ত্র দিয়ে দেশ পরিচালনা করা হবে ততদিন পর্যন্ত শান্তির স্বপ্ন দেখা মানেই হলো বোকার স্বর্গে বসবাস। যতদিন পর্যন্ত খোদায়ী বিধান দ্বারা রাষ্ট্র পরিচালনা না করা হবে ততদিন পর্যন্ত শান্তির স্বপ্ন দেখা বোকামি বৈ কিছুই না।আর খোদায়ী বিধান দ্বারা রাষ্ট্র পরিচালনা করতে হলে খোদায়ী বিধান কায়েম করা লাগবে আর খোদায়ী বিধান কায়েম করতে হলে নিজের জান মাল দিয়ে আল্লাহর রাহে জিহাদ করা লাগবে। তাছাড়া অন্য কোন পন্থায় দ্বীন কায়েম করা সম্ভব নয়।আর যদি অন্য কোন পন্থা থাকতো তাহলে আল্লাহ তায়ালা সেই পন্থা নবীজী কে বলতেন এবং নবীজী সেই পন্থা অবলম্বন করতেন। আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে জান মাল দিয়ে তার রাহে জিহাদে ঝাঁপিয়ে পড়ার তাওফীক দান করুন। আমীন ইয়া রব্বাল আলামীন।

মন্তব্য করুন

দয়া করে আপনার মন্তব্য করুন!
দয়া করে এখানে আপনার নাম লিখুন