উত্তরপ্রদেশের যোগীরাজ্যে দলিত পড়ুয়াদের সঙ্গে বৈষম্যমূলক আচরণ

0
633
উত্তরপ্রদেশের যোগীরাজ্যে দলিত পড়ুয়াদের সঙ্গে বৈষম্যমূলক আচরণ

ভারতে মুসলিমদের পাশাপাশি দলিতদের বৈষম্যমূলক আচরণ নিত্যদিনের ঘটনা। এবার যোগীরাজ্যে সরকারি স্কুলে দলিত পড়ুয়াদের সঙ্গে ফের বৈষম্যমূলক আচরণ করা হয়েছে।

ওই স্কুলে তফসিলি জাতি ও উপজাতি পড়ুয়াদের মিড ডে মিল খাওয়ার ব্যবস্থা পৃথক। খাওয়া-দাওয়ার পর তাদের থালা-বাটিও ধোয়াধুয়ি কেউ করতে পারবে না। নিজেদেরকেই সেই কাজ করতে হবে। এমনকী উচ্চবর্ণের পড়ুয়াদের পাত্রের সঙ্গে তাদের পাত্র রাখা যাবে না বলেও অলিখিত নির্দেশিকা ছিল স্কুল কর্তৃপক্ষের। এতদিন ওই স্কুলে পড়ুয়াদের সঙ্গে বৈষম্যমূলক আচরণ করে আসা হয়েছে। এখনও রাজ্যের বহু স্কুলে এমন আচরণ করা হচ্ছে বলে বিরোধীদের অভিযোগ।

কিছুদিন আগে ভারতের কর্নাটকের কপ্পাল জেলার মিয়াপুর গ্রামে ২ বছরের দলিত (নিচু বর্ণের হিন্দু) শিশু মন্দিরে প্রবেশ করায় তার পরিবারকে ২৫ হাজার রুপি জরিমানা করেছে মন্দির কর্তৃপক্ষ। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে এখবর জানিয়েছে।
খবরে বলা হয়েছে, ঘটনাটি ঘটেছে গত ৪ সেপ্টেম্বর। ওই দিন ছিল শিশুটির জন্মদিন। এই উপলক্ষে মা-বাবা শিশুটিকে নিয়ে মন্দিরে প্রার্থনা করতে যায়। বাবা প্রার্থনায় থাকার সময় অবুঝ ছেলেটি মন্দিরে প্রবেশ করে। মন্দিরের পুজারি ও স্থানীয়রা এতে আপত্তি তুলে এবং ১১ সেপ্টেম্বর এই জরিমানা ধার্য করা হয় মন্দিরের শুদ্ধিকরণ কাজের জন্য।
শিশুটির বাবা চন্দ্রু বলেছে, সেদিন ছিল আমার ছেলের জন্মদিন। আমরা আজানিয়া মন্দিরে প্রার্থনা করতে গিয়েছিলাম। বৃষ্টি শুরু হলে ছেলেটি মন্দিরে প্রবেশ করে। এর বাইরে কিছু ঘটেনি।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, মিয়াপুরার আজানিয়া মন্দিরের মতো এলাকার অনেক মন্দিরেই দলিতদের প্রবেশের অনুমতি নেই।

অথচ, এই গোড়া উগ্র হিন্দুত্ববাদিরাই আফগানিস্তানের ইসলামিক শরিয়াহর মত ন্যায় ইনসাফের শাসন ব্যবস্থাকে অমানবিক প্রমাণের জন্য উঠে পড়ে লেগেছে।

যে শাসন ব্যবস্থা সাদা কালো, উঁচু নিচু, জাতি ও বর্ণ ভেদাভেদকে দূর করে দিয়েছে।

মন্তব্য করুন

দয়া করে আপনার মন্তব্য করুন!
দয়া করে এখানে আপনার নাম লিখুন