
দেশের অভ্যন্তরীণ উৎপাদন ও বাণিজ্য বান্ধব নীতিকে সামনে রেখে বিনিয়োগ ও রপ্তানি বৃদ্ধিতে বাস্তবধর্মী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে ইমারাতে ইসলামিয়া প্রশাসন। এর ফলস্বরূপ চলতি বছর আফগানিস্তানের অর্থনীতি প্রবৃদ্ধির ইতিবাচক ধারায় ফিরছে বলে জানানো হয়েছে আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিশ্বব্যাংকের এক প্রতিবেদনে।
বিশ্বব্যাংকের করা এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শক্তিশালী অভ্যন্তরীণ চাহিদা, বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং বিদেশ থেকে ফিরে আসা দক্ষ নাগরিকদের অর্থনৈতিক কার্যক্রমে অন্তর্ভুক্তির ফলে ২০২৬ সালে আফগানিস্তানের অর্থনীতি চার শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করবে।
বিশ্ব অর্থনীতিতে নানা চড়াই-উতরাই সত্ত্বেও ইমারাতে ইসলামিয়ার গৃহীত যুগোপযোগী পদক্ষেপের কারণেই আফগানিস্তান আজ উন্নয়নের এমন এক সোপানে পৌঁছেছে, যা আন্তর্জাতিক মহলেও প্রশংসিত হচ্ছে।
প্রতিবেদনে বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৫ সালে বাহ্যিক নানা প্রতিকূলতা—বিদেশি সহায়তা হ্রাস, পাকিস্তানের সঙ্গে সীমান্ত বন্ধ, খরা, ভূমিকম্প—সত্ত্বেও ইমারাতে ইসলামিয়া প্রশাসন কৌশলগত সিদ্ধান্ত ও সুপরিকল্পিত পদক্ষেপের মাধ্যমে অর্থনীতির চাকা সচল রেখেছে।
দেশীয় অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা ইমারাতে ইসলামিয়ার প্রশংসা করে বলেছেন, রাজস্ব সংগ্রহে স্বচ্ছতা ও সুশাসন নিশ্চিতকরণ, ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি এবং বিনিয়োগকারীদের জন্য প্রণোদনা প্রদানের মাধ্যমে সরকার সফলভাবে অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত গড়ে তুলছে। এসব উদ্যোগের ফলে আগামী দিনে দেশ আরও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাবে বলে আশা করা যাচ্ছে।
উল্লেখ্য, ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানিস্তান সম্প্রতি অবকাঠামো উন্নয়ন, কৃষি খাতে বিপ্লব, বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি এবং আঞ্চলিক বাণিজ্য সম্প্রসারণে একের পর এক সফল উদ্যোগ নিয়েছে। ইমারাতে ইসলামিয়া প্রমাণ করেছে যে, স্থিতিশীলতা ও সুপরিকল্পিত নীতির মাধ্যমে একটি যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশও বিশ্ব অর্থনীতির মূলস্রোতে ফিরে আসতে পারে।
তথ্যসূত্র
1. Afghanistan’s Economy Expected to Grow by Four Percent This Year
– https://tinyurl.com/ym2t97n3


