
যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর থাকা সত্ত্বেও গাজায় দখলদার ইসরায়েলি বাহিনীর বর্বর হামলায় পুলিশ প্রধানসহ অন্তত ১১ ফিলিস্তিনি শহীদ হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরের পুলিশ স্টেশনের পরিচালক কর্নেল মোহাম্মদ মারওয়ান সালেম এবং আরও কয়েকজন পুলিশ সদস্য রয়েছেন। ফিলিস্তিনি সূত্রের বরাতে আনাদুলুর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ১৪ জুলাই, মঙ্গলবার জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরের পশ্চিমে আল-ফালুজা এলাকার শাদিয়া স্কুলের কাছে সন্ত্রাসী ইসরায়েলি বাহিনীর ড্রোন হামলায় এক নারীসহ সাতজন ফিলিস্তিনি শহীদ হন। তাদের মরদেহ আল-শিফা মেডিকেল কমপ্লেক্স এবং একটি ফিল্ড হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
গাজার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরের একটি পুলিশ পোস্ট লক্ষ্য করে ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় কর্নেল মোহাম্মদ মারওয়ান সালেমসহ কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্য শহীদ হন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হামলার স্থানটির আশপাশে বাস্তুচ্যুত মানুষের অসংখ্য তাঁবু ও অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র ছিল।
এদিকে গাজা সিটির দক্ষিণ-পশ্চিমে একটি তাঁবুতে ইসরায়েলি গোলাবর্ষণে আরও দুই ফিলিস্তিনি শহীদ হন।
দক্ষিণ গাজার খান ইউনুসের পশ্চিমে তাইবা টাওয়ার্স এলাকার কাছে বাস্তুচ্যুত মানুষের একটি তাঁবুতে ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় একজন ফিলিস্তিনি শহীদ এবং আরও তিনজন আহত হয়েছেন। এছাড়া রাফাহর আল-মাওয়াসি এলাকায় ইসরায়েলি সেনাদের গুলিতে মোতাজ আবু শা’আর নামের এক শিশু শহীদ হয়েছে।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েলি আগ্রাসনে এ পর্যন্ত ৭৩ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি শহীদ এবং ১ লাখ ৭৩ হাজারেরও বেশি আহত হয়েছেন। ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, গাজার প্রায় ৯০ শতাংশ বেসামরিক অবকাঠামো সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে ধ্বংস হয়ে গেছে।
তথ্যসূত্র
1. Israel kills 11 Palestinians, including police chief, in Gaza
– https://tinyurl.com/3z99yb6d


