অমানবিক অস্ট্রেলিয়ার সরকার, মানবেতর জীবন কাটাচ্ছে শিক্ষার্থীরা

0
404
অমানবিক অস্ট্রেলিয়ার সরকার, মানবেতর জীবন কাটাচ্ছে শিক্ষার্থীরা

অমানবিক অস্ট্রেলিয়ার সরকার, মানবেতর জীবন কাটাচ্ছে শিক্ষার্থীরা করোনাভাইরাস সমস্যার কারণে অস্ট্রেলিয়ায় অস্থায়ী বাংলাদেশিরা চরম বিপাকে পরেছে। এর মধ্যে সেখানে অবস্থান করা শিক্ষার্থীরা বর্তমানে মানবেতর দিন কাটাচ্ছে। পিরোজপুর জেলার কয়েকজন শিক্ষার্থী ফোনে তাদের দুরাবস্থার কথা জানিয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।

জানা যায়, অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশ কয়েক হাজার মানুষ বসবাস করে। এর মধ্যে বড় একটি অংশ শিক্ষার্থী। এর মধ্যে পিরোজপুর জেলারও রয়েছে। এসব শিক্ষার্থীরা সেখানে খন্ডকালীন কাজ করে তাদের লেখাপড়াসহ অন্যান্য খরচ মেটায়। এছাড়াও রয়েছে স্থায়ী ও অস্থায়ী ভিসার নাগরিক। অস্থায়ী ভিসায় রয়েছে অনেক দর্শনার্থী। এসব দশনার্থীরা স্বল্প তহবিল নিয়ে সেখানে গিয়েছিল। খবরঃ বিডি প্রতিদিন

অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থান করা পিরোজপুরের শিক্ষার্থী তৌকির মুজিব ফোনে জানায়, করোনাভাইরাসের প্রকোপ শুরু হারার পরই তারা দেশে ফেরার জন্য হাইকমিশনে যোগাযোগ করে। তারা হাইকমিশনের পরামর্শ মতো বানিজ্যিক এয়ারলাইন্সের সাথে যোগাযোগ করে। এরপর তাদের সকলের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো হয়। পরীক্ষায় তারা সকলে সুস্থ আছে বলে জানা যায়। কিন্তু এর মধ্যে একের পর এক এয়ারলাইন্স তাদের যাত্রা স্থগিত করে।
অস্ট্রেলিয়ায় প্রবাসী শিক্ষার্থীরা আরও জানায়, সেখানে তাদের প্রায় সকলের খন্ডকালীন কাজ বন্ধ হয়ে গেছে। পাশাপাশি হাইকমিশন থেকে তাদের নিজ নিজ দেশে ফিরে যেতে বলা হয়েছে। এ পর্যায় তারা এয়ারলাইন্স এর সাথে যোগাযোগ করে জানতে পারে অস্ট্রেলিয়া থেকে বিমান ছেড়ে আসতে পারলেও বাংলাদেশের মাটিতে বিমান অবতরন করার অনুমতি নেই। ফলে তারা এখন অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন গাড়ির গ্যারেজ, ষ্টোর রুমে বসবাস করেছে। তাদের কাছে টাকা পয়সা নেই বললেই চলে। এর মধ্যে অনেকে অনাহারেও দিন কাটাচ্ছে।

অন্যদিকে, এক শিক্ষার্থীর বাবা দেশে ক্যন্সারে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর দিন গুনছে। শেষ মুহূর্তে অসুস্থ বাবাকে একবার দেখতে না পারার কষ্টে অনেকটাই দিশেহারা ওই শিক্ষার্থী।

এসব শিক্ষার্থীরা বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আর্কষণ করে বলেন, তারা বর্তমানে সুস্থ আছেন। যেহেতু তাই তাদের দেশে ফিরিয়ে নেওয়া হোক। বর্তমানে তাদের দুরাবস্থার শেষ নেই। বিশেষ করে পারিবারিক ভাবে যে সকল শিক্ষার্থীরা বেশি স্বচ্ছল না, তাদের অবস্থা শোচনীয়।

মন্তব্য করুন

দয়া করে আপনার মন্তব্য করুন!
দয়া করে এখানে আপনার নাম লিখুন